Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২০, ১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ১১ যিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী

ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হিসাব নিরূপণে কাজ করছে মংলা উপজেলা প্রশাসন

মংলা উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২১ মে, ২০২০, ১:০৯ পিএম

ঘূর্ণিঝড় আম্পান ব্যাপক তান্ডব চালিয়েছে । তা-বে আতঙ্কে নিঘূম রাত কাটছে উপকূলবাসীর। প্রায় সারা রাত ধরেই চালায এই তান্ডব । এর ফলে ভেঙ্গে গেছে অনেক কাঁচা ঘড়বাড়ি । ভেসে গেছে চিংড়ি ঘেরের মাছ । জোয়ার ও বৃষ্টির পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। মংলার ১০৬টি সাইক্লোন সেল্টারে আশ্রয় নেয়া ৮ হাজারের অধিক লোককে নিজ হাতে রান্না করে খাবার বিতরন করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার ।
মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার ফকর উদ্দিন জানিয়েছেন ,মংলা বন্দরে অবস্থানরত ১১টি বানিজ্যিক জাহাজের পণ্য ওঠা-নামার কাজ বন্ধ রয়েছে। তবে তিনি দাবি করেন, স্টিভিডরসগন তাদের সুবিধা মতো সময় পণ্য খালাস কাজে শ্রমিক পাঠানো জন্য অনুমতি দেওয়া হযেছে ।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) মো. কামরুল ইসলাম জানান, বাগেরহাট জেলায় প্রায় ২ লাখ ৬৮ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করার কারনে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি । বাগেরহাট জেলার জন্য ২০০ মেট্রিক টন চাল, নগদ ৩ লাখ টাকা, শিশু খাদ্যের জন্য ২ লাখ টাকা , গো-খাদ্যের জন্য ২ লাখ টাকা ও ২ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রাহাত মান্নান জানান, মংলাতে কোন প্রাণ হানির ঘটনা ঘটেনি এবং কেউ আহত হয়নি । কানাইনগর এলাকায় একটি ভেড়ি বাধ আংশিক ভেঙ্গে ভিতরে পানি প্রবেশ করেছে । বহু মাছের ঘের পানিতে তলিয়ে ঘেছে । তবে কি পরিমান ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা নিরুপনের কাজ চলছে ।

অপরদিকে ,পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৫/১ পোল্ডারের শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের বগী এলাকার বেড়িবাঁধ ভেঙে কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বাগেরহাট জেলার সবকটি উপজেলায় প্রায় ১৮ ঘন্টা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: আবহাওয়া

৩০ মে, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ