Inqilab Logo

ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ৭ কার্তিক ১৪২৭, ০৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ত্রাস, হতাহত ৮

চট্টগ্রাম ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ২৫ মে, ২০২০, ৯:৪৭ পিএম

ত্রাসের রাজত্ব কায়েম হয়েছে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায়। একের পর এক ঘটছে নৃশংস হত্যাকাণ্ড আর সন্ত্রাসী ঘটনা। ব্যবহার হচ্ছে সব ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র।

সর্বশেষ সোমবার পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনে উপজেলায় বাহারছড়া ইউনিয়নের রত্নপুর গ্রামে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে একজন নিহত ও ৭ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান চিকিৎসকরা।
নিহত যুবকের নাম এরফানুল হক (৩২)।
আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রাতে থানায় ওসি রেজাউল করিম ইনকিলাবকে বলেন বিকেলে কোন্দলের জের ধরে দুপক্ষের সংঘর্ষে হয়েছে। এতে একজন নিহত ও আহত হয়েছে অন্তত ৭ জন। তাদের মধ্যে আশংকাজনক অবস্থায় ২ জনকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৫ জনকে আটক করা হয়েছে । ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাহারছড়ার ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের রত্নপুর গ্রামে নিহত এরফানুল হকের পিতা হাফেজ নুরুল ইসলামের সাথে দুধু মিয়ার ছেলে কালুর সাথে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জের ধরে ঈদের নামাজ শেষে সকাল ১১ টার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আজিজুল বারি পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরবর্তীতে পুলিশ চলে গেলে বিকেলে দুইপক্ষের লোকজন দা, কিরিচ, লাঠি নিয়ে পুনরায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় গুরুতর আহত হয় হাফেজ নুরুল ইসলামের ছেলে এরফানুল হক (৩২), আলী আহমদের ছেলে মো. মুন্সি আলম (৫৫), দুধু মিয়ার ছেলে মো. মুসা (৬০), ফজল আহমদের ছেলে জাফর আহমদ (৬৫), মৃত ছাবের আহমদের ছেলে নুর মোহাম্মদ (৩০), নুরুল ইসলামের ছেলে এমরান (২৯), ফরিদ আহমদের ছেলে গিয়াস উদ্দিন (২২)। আহতদের বাঁশখালী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে এরফানুল হক মারা গেছেন।
নিহত এরফানুল হকের ১ ছেলে ১ মেয়ে রয়েছে। চট্টগ্রাম নগরীর কাঠগড় এলাকায় তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
এর আগে ১২ মে বাঁশখালীতে দুই পক্ষের গোলাগুলিতে দুই মাদ্রাসা ছাত্র খুন হয়েছেন। একই দিন এক ট্রাক চালককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে দুই মাদ্রাসা ছাত্র খুনের মামলার এক আসামি পুলিশের সাথে কথিত বনদুকযুদ্ধে মারা গেছেন।
এদিকে সকালে ফটিকছড়িতে ঈদ জামাত থেকে ফেরার পথে এক ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: সন্ত্রাসী হামলা


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ