Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০, ৩০ আষাঢ় ১৪২৭, ২২ যিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

সিএমআইআইয়ের তথ্য, ভারতে মে মাসে বেকার ১২ কোটি

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৮ মে, ২০২০, ৫:৩২ পিএম

ভারতের বেসরকারি ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান, অর্থনীতি নিয়ে গবেষণা ও সমীক্ষাকারী সংস্থা ‘সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকনমি’ (সিএমআইআই) জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের লকডাউনে মে মাসেই কাজ হারিয়েছেন প্রায় ১২ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ। -আনন্দবাজার, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, ইকোনোমিক টাইমস

অন্যরাজ্যে কর্মরত শ্রমিকদের ঘরে না ফেরা পর্যন্ত চিত্রটা বোঝা যায়নি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই সংখ্যাটা যে আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। সিএমআইআই রিপোর্টে বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন দিনমজুরির ভিত্তিতে কাজ করা শ্রমিক এবং যাঁরা নিজে ক্ষুদ্র ব্যবসা করতেন। এর মধ্যে রয়েছেন হকার, ফুটপাতের ব্যবসায়ী, নির্মাণ শিল্পের শ্রমিক, রিকশা-অটো চালকদের মতো পেশার লোকজন।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন নিয়ে বহুজাতিক পরামর্শদাতা সংস্থা ‘ আইপিই গ্লোবাল ’- এর মতে , ভাইরাসের চেয়েও বেশি মানুষের মৃত্যু হবে অভাবে। সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর অশ্বজিৎ সিংহ বলেন , বহু বছর ধরে দারিদ্র দূরীকরণে ভারত সরকারের সমস্ত প্রচেষ্টা মাত্র কয়েক মাসেই বিফল করে দিয়েছে করোনাভাইরাস ।

গবেষণা জরিপ নিয়ে ভারতীয় বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড দৈনিকে সিএমআইই'য়ের প্রধান নির্বাহী মহেশ ভিয়াস একটি প্রবন্ধ লিখেছেন। সেখানে তিনি বলেন, এটা কোনো অচিন্ত্যনীয় সংখ্যা নয় বরং সমাজের সবচেয়ে দুর্বল জনগোষ্ঠীর সামগ্রিক মানবিক বিপর্যয় এর মাধ্যমে উঠে এসেছে।

ভারতে বেকার হয়ে পড়াদের সংখ্যা করোনাভাইরাসে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির শিকার যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের তুলনায় চারগুণ বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে চলমান মহামারিতে প্রায় ৩ কোটি নাগরিক কর্মহীন হয়ে পড়ায় সরকারি ভাতার জন্য আবেদন করেছেন। সিএমআইই হুঁশিয়ার করে বলছে, ভারতের নানা অঞ্চলে লকডাউনের মেয়াদ বাড়ার কারণে (বেকারত্ব) পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

মহেশ ভিয়াস বলেন, ভারতে লকডাউনের কারণে দিশেহারা মানুষের সংখ্যা বেশি। কারণ এদেশে বিপুল সংখ্যক মানুষ অপ্রাতিষ্ঠানিক এবং কিছুটা অনিয়ন্ত্রিতখাতের ওপর দৈনিক জীবিকার জন্য নির্ভর করেন। তবে ধীরে ধীরে এই পরিস্থিতি কিছুটা সুরক্ষিত চাকরিগুলোতেও আঘাত হানা শুরু করেছে। এর ফলে অনেক নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগে কর্মী ছাঁটাই শুরু হয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ভারত


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ