Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২০, ২০ আষাঢ় ১৪২৭, ১২ যিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী

তাইওয়ানে সামরিক হামলা চালাতে পারে চীন

নিউজ উইক | প্রকাশের সময় : ৩১ মে, ২০২০, ১২:০২ এএম

তাইওয়ানে সাথে শাস্তিপূর্ণ ক‚টনৈতিক আলোচনা ব্যর্থ হলে দেশটিতে হামলা চালাবে বলে সতর্ক করে দিয়েছে চীন। চীনের সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের সদস্য এবং জয়েন্ট স্টাফ ডিপার্টমেন্টের প্রধান জেনারেল লি জুয়োচেং গত শুক্রবার জানান যে, তাইওয়ানের পরিস্থিতি বিবেচনা করে সেনাবাহিনীকে কাজে লাগানো হতে পারে।
বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলের অধিবেশনে তিনি বলেন, ‘পুনরায় একত্রীকরণের শান্তিপূর্ণ সম্ভাবনা যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে চীনা সশস্ত্র বাহিনী তাইওয়ানের জনগণসহ পুরো জাতিকে সঙ্গে নিয়ে যেকোনো ধরনের বিচ্ছিন্নতাবাদী চক্রান্ত বা পদক্ষেপ গুঁড়িয়ে দিতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেবে।’

বিচ্ছিন্নতাবিরোধী আইনের ১৫তম বার্ষিকীতে দেয়া ভাষণে চীনা সামরিক বাহিনীর এই কর্মকর্তা তাইওয়ানের স্বাধীনতার চেষ্টা নিয়ে কথা বলেন। তাইওয়ান স্বাধীন হতে চাইলে অথবা তাইওয়ান প্রণালীতে সামরিক সঙ্ঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হলে চীনা সামরিক বাহিনী বলপ্রয়োগ করে সেসব চেষ্টা থামিয়ে দিতে পারবে বলে আইনটিতে অনুমতি দেয়া হয়েছে।

হংকংয়ের জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি আইন চীনের পার্লামেন্টে পাস হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে শুরু হওয়া নিন্দা ও সমালোচনা ঝড় মধ্যেই স্বাধীনতার দাবিতে অনড় তাইওয়ানকে এই হুমকি দিলো চীন। জুয়োচেং বলেন, ‘বলপ্রয়োগ করা হবে না বলে কখনো আমরা প্রতিশ্রুতি দিইনি। তাইওয়ান প্রণালীর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীল করতে সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার পথ খোলা আছে।’

গণতান্ত্রিক তাইওয়ান চীনের সবচেয়ে স্পর্শকাতর আঞ্চলিক ইস্যু। দেশটিতে ২য় বারের মতো নির্বাচিত হয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাই ইং ওয়েং। চীন থেকে তাইওয়ানকে আলাদা করার চেষ্টা করলে ফল ভোগ করতে হবে বলে তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে চীন। চীন মনে করে, তাইওয়ান তাদের একটি প্রদেশ ও অবিচ্ছেদ্য অংশ। ২০০৫ সালের আইন অনুসারে চীন চাইলে তাইওয়ানের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালাতে পারে।

এদিকে, হংকংয়ের বিতর্কিত জাতীয় নিরাপত্তা আইন চীনের পার্লামেন্টে পাস হওয়ার পর স্বায়ত্ত্বশাসিত এঅঞ্চল আবারো উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। গত কয়েকদিন ধরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলবাহিনীর সংঘাত চলছে। লাদাখ নিয়েও ভারতের সঙ্গে উত্বেজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে চীন। এমনকি এভারেস্ট নিয়েও নেপালের সঙ্গে দ্ব›েদ্ব লিপ্ত রয়েছে দেশটি।



 

Show all comments
  • Kazi Sharfaraz Mawla ৩১ মে, ২০২০, ১:২০ এএম says : 1
    বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাক্‌স্বাধীনতার চর্চায় গণচীন থেকে অনেক এগিয়ে তাইওয়ান। আর আমাদের দেশের অবস্থা,এই মূহুর্তে চায়নার একদলীয় শাসন ব্যাবস্তার চেয়ে আরো জগন্য।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohd. Abid ৩১ মে, ২০২০, ১:২১ এএম says : 0
    চীনের যত ভালোমানুষি সব দূরের দেশগুলির প্রতি, যেমন আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা, মালদ্বীপ ইত্যাদি | প্রতিবেশী সবকটি দেশ ওদের শত্রু, জাপান-ভারত-হংকং-তাইওয়ানের সাথে ওদের সমস্যার শেষ নেই | বর্তমানে রাশিয়া শক্তি হারিয়ে যতই চীনের তাবেদারী করুক, অতীতে রুশ-চীনের বৈরিতা আর মহাযুদ্ধ কারো অজানা নয় | ওদের একমাত্র বন্ধু হল পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া আর মায়ানমারের মতো হাড়-বজ্জাত কিছু দেশ
    Total Reply(0) Reply
  • ইসমাইল ৩১ মে, ২০২০, ১:২১ এএম says : 0
    বড় মাছ গুলো সাগরের ছোট মাছ গুলোকে গিলে খাবে এটা সব সময় হয়ে আসছে এবং ভবিষ্যৎ ও হবে
    Total Reply(0) Reply
  • তরুন সাকা চৌধুরী ৩১ মে, ২০২০, ১:২১ এএম says : 0
    উইঘুর মুসলিমদের পর এখন তাইওয়ানবাসী?
    Total Reply(0) Reply
  • কামাল রাহী ৩১ মে, ২০২০, ১:২২ এএম says : 0
    এজন্যই মনে হয় আমেরিকার অনেক ভুল ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও ওরাই বিশ্ব নেতৃত্বে থাকা উচিত। চায়না বিশ্বের সর্বেসর্বা হলে তা হবে আরও বেশি বিপর্যয়কর।
    Total Reply(0) Reply
  • তোফাজ্জল হোসেন ৩১ মে, ২০২০, ১:২২ এএম says : 1
    আন্দামান নিকবর দ্বীপপুঞ্জ ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের থেকে বেশি কাছে। এর পরেও যদি এই দ্বীপগুলি ভারতের হতে পারে, তাহলে তাইওয়ান চীনের অংশ হতে সমস্যা কোথায়? আমার তো মনে হয়, তাইওয়ান চীনের অংশ এটা মেনে নিলেই বরং আঞ্চলিক শান্তি বেশি রক্ষিত হবে। আমেরিকার উস্কানিতে চীনকে ব্যতিব্যস্ত রাখতেই তাইওয়ান গেম খেলছে পশ্চিমারা। কিন্তু হংকংকে যেমন অচিরেই চীন এক দেশ নীতির মধ্যে নিয়ে আসবে, আমার ধারণা এর পরে তাইওয়ানকেও লাইনে আনা হবে। আর তাইওয়ানের মানুষ তো চীনাই। চিয়াং কাইশেক মাও জেদং এর সাথে হেরে সেখানে পালিয়েছিল- এটা ভুলে গেলে চলবে কেন।
    Total Reply(0) Reply
  • জোট যার মল্লুক তার এটাই এই সভ্যতার শেষ কথা
    Total Reply(0) Reply
  • Kingshuk Basu Roy ১ জুন, ২০২০, ১:৪১ পিএম says : 2
    Tofajjol Hossain apnar katha anujai Bangladesh to Andaman er thekeo anek anek kache tahole amra Bangladesh k nijer mone kore nea ni ? Ki bolen....murkho to murkhoi thakben
    Total Reply(1) Reply
    • elu mia ২ জুন, ২০২০, ৯:০১ পিএম says : 0
      নিতে আসনা বাবা।মুক্তি যুদ্ধের আগে তো একবার দিসিলাম আমরা,আবার দিব।ইন্দিয়ান সৈন্যরা কাপুরুষ এটা সব বাঙ্গালি জানে।
  • bahar ২ জুন, ২০২০, ১:২৮ এএম says : 0
    mr. basu roy apnar b apnar thakur_da shosan theke uthe ashleo ki ai kaj korte parven mone hoy? anader army apnader kan chire felbena? voul kore o ai kotha mone anben na. bangladesh haydrabad na. ai desh amader r ......
    Total Reply(1) Reply
    • elu mia ২ জুন, ২০২০, ৯:০৫ পিএম says : 0
      ইনডিয়ান রা ভুইলা গেসে যে বাঙ্গালি মুসলিমরা অদেরকে কি মাইর টা দিসিল মুক্তি যুদ্ধের আগে।এরপরি তো বেটা রা ষড়যন্ত্র করে পাকিস্থান ভাগ করার।
  • jack ali ২ জুন, ২০২০, ৯:০৩ পিএম says : 0
    May Allah destroy Chinese Armies/Modi and his army/Aung sung suchi and her army, then we can live in our region peacefully. Ameen
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: চীন


আরও
আরও পড়ুন