Inqilab Logo

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ১৩ কার্তিক ১৪২৭, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

দুঃসময়ে ভালো ফল

সার্বিকভাবে পাসের হার ৮২.৮৭% : এসএসসি ৮৩.৭৫% : দাখিল ৮২.৫১% : কারিগরি ৭২.৭০% বেড়েছে পাসের হার, জিপিএ-৫, শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠান : কমেছে পরীক্ষার্থী শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২ জুন, ২০২০, ১২:১২ এএম

এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা পর প্রায় দুই মাসের ছুটি পায় শিক্ষার্থীরা। এই ছুটিতে অনেকেই ঘুরতে যান, কেউবা নানা ধরণের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। কিন্তু এবার করোনাভাইরাসের কারণে ঘরবন্দি শিক্ষার্থীরা। সাথে ফল পাওয়ার অপেক্ষা শিক্ষার্থীদের কাছে অসহনীয় হয়ে উঠেছিল। যদিও গত ১০ বছর ধরে ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ এক প্রকার রীতিতে পরিণত হলেও এবার এই ভাইরাসের কারণে ফলপ্রার্থীদের অপেক্ষা দীর্ঘ করেছে। অবশেষে গতকাল প্রকাশিত হয়েছে চলতি বছরের এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফল। এবার এই পরীক্ষায় পাস করেছে ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ জন। পাসের হার বেড়েছে শূন্য দশমিক ৬৭ শতাংশ পয়েন্ট। আর পূর্ণাঙ্গ জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ৩০ হাজার ৩০৪ জন। গতবছর মাধ্যমিক স্তরের এই পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন। এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ এর সাথে সাথে বেড়েছে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান, কেন্দ্র, শতভাগ উত্তীর্ণ প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। কমেছে শূণ্য পাস করা প্রতিষ্ঠান, অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী, উত্তীর্ণ মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা। বিগত বছরগুলোর মতো এবার পরীক্ষায় ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা ভালো করেছে। পাসের হারে গতবছরের মতো এবারও শীর্ষে রয়েছে রাজশাহী বোর্ড। আর জিপিএ-৫ এর দিক দিয়ে সবার উপরে ঢাকা বোর্ড। শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা এই তিনটি বিভাগে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও সবচেয়ে ভালো করেছে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

গতকাল রোববার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এবারের মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করেন। এরপর বেলা ১১টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তন থেকে ফেইসবুক লাইভে মাধ্যমিকের ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে এবার এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় ২৭ হাজার ৭৯৬টি প্রতিষ্ঠানের মোট ২০ লাখ ৪০ হাজার ২৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ১০ লাখ ২১ হাজার ৪৯০ জন ছাত্র এবং ১০ লাখ ১০ হাজার ৫৩৮জন ছাত্রী। গতবছরের চেয়ে এবার প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ১২৩টি। তবে কমেছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা। ২০১৯ সালের এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৫ জন। শিক্ষার্থী কমে যাওয়ায় কমেছে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যাও। তবে আগের বছরের তুলনায় এবার বেড়েছে পাসের হার। চলতি বছর ১১টি বোর্ডে গড় পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ। যা গতবছরের তুলনায় দশমিক ৬৭ শতাংশ বেশি। পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৮১ দশমিক ৬৩ শতাংশ ছাত্র এবং ৮৪ দশমিক ১০ শতাংশ ছাত্রী। এদিকে এবার বেড়েছে শতভাগ পাস করার প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবং কমেছে শূণ্য পাসের প্রতিষ্ঠানও। এবার কোন শিক্ষার্থীই ফেল করেনি এমন প্রতিষ্ঠান ৩ হাজার ২৩টি। যা গতবছর ছিল ২ হাজার ৫৮৩টি। অন্যদিকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪০টি। যা আগের বছর ছিল ১০৭টি।

এর আগে প্রতিবছর ৬০ দিনের মধ্যে ফল ঘোষণা করা হলেও এবার করোনা পরিস্থিতির কারণে এটি প্রায় এক মাস পিছিয়ে গেছে। একই কারণে ফল প্রকাশ, শিক্ষার্থীদের ফল প্রাপ্তি এবং উৎসবের ধরণও বদলে গেছে। বিগত দিনগুলোতে শিক্ষামন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও শিক্ষা বোর্ডের চেয়াম্যানগণ গণভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল তুলে দিতেন। এবার সেটি করা হয় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, প্রতিমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলসহ বোর্ডের চেয়ারম্যানগণ সেগুনবাগিচার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে বসে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করেন।

এসময় দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে লেখাপড়া করে নিজেদের তৈরি করতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে লেখাপড়া শিখে মানুষের মতো মানুষ হয়ে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করবে। সেটাই আমি চাই।

তিনি বলেন, আমি ছাত্রছাত্রীদের অনুরোধ করবো তারা লেখাপড়া শিখে মানুষের মতো মানুষ হবে। শিক্ষকদের বলবো তাদের সেই শিক্ষাই দেবেন। এই শিক্ষাটা হচ্ছে শুধু নিজে ভালো থাকা না, দেশের কল্যাণে কাজ করা, মানষের কল্যাণে কাজ করা। এটা জাতির পিতা আমাদের বারবার শিখিয়েছেন।

পরে মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন। প্রকাশিত ফলাফলকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগ, সঠিক সময়ে শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যপুস্তক পৌঁছে দেওয়া, টেলিভিশনে দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞ শিক্ষকদের পাঠদান প্রচার, শিক্ষার উপকরণ হিসেবে তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার এবং নকল বিরোধী ব্যাপক প্রচারণার কারণে ফলাফল ভালো হয়েছে ।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, গত বছরের ন্যায় এ বছরও উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অবমূল্যায়ন বা অতিমূল্যায়ন রোধে বোর্ডসমূহ বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রধান পরীক্ষকগণকে উত্তরমালা প্রণয়নের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। প্রণীত নমুনা উত্তরমালার আলোকে উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য পরীক্ষকগণকে প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পরীক্ষকদের উত্তরপত্র মূল্যায়নের গুণগতমান যাচাইয়ের জন্য একটি প্রশ্নমালা সকল প্রধান পরীক্ষককে সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া, সারাবছর পরীক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অনলাইনে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

এদিকে পরীক্ষার ফল ঘোষণা মানেই শিক্ষার্থীদের কাছে বড় উৎসব। তারা নেচে গেয়ে এই আনন্দ প্রকাশ করতো। একে অন্যকে করাতো মিষ্টিমুখ। তবে এবার করোনাভাইরাসের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। ফলাফল শিক্ষার্থীদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জমায়েত হতে নিষেধ করা হয়েছে। ফলে শিক্ষা জীবনের বড় একটি অর্জন শিক্ষার্থীদের পালন করতে হচ্ছে ঘরবন্দি হয়েই। বিগত বছরগুলোর মতো তাই এবার স্কুলে স্কুলে শিক্ষার্থীদের উদযাপনের চিরাচরিত দৃশ্যও ছিল না। এবার কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই ফল পাঠানো হয়নি। ফল প্রকাশের দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অফিসও বন্ধ রাখতে বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

৯ বোর্ডের ফলাফল: বিগত বছরগুলোতে ৮টি বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। এবারই প্রথম ময়মনসিংহ বোর্ডের অধীনে এই পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৯টি বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এবারের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার বাড়লেও কমেছে পরীক্ষার্থী ও উত্তীর্ণের সংখ্যা। সাধারণ বোর্ডগুলোতে এবার ১৬ লাখ ৩১ হাজার ৩০৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। যা গতবছর ছিল ১৬ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫২ জন। অংশগ্রণকারী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৩ লাখ ৬৬ হাজার ২১৮ জন। আগের বছর উত্তীর্ণের সংখ্যা ছিল ১৪ লাখ ৩ হাজার ১৫৭ জন। এবার ৯ বোর্ডে গড় পাসের হার ৮৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। যা গত বছর ছিল ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ। আগের বছরের চেয়ে এবার পাসের হার বেড়েছে দশমিক ৯৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৪৯৭ জন। এর মধ্যে সর্বাধিক ঢাকা বোর্ডে ৩৬ হাজার ১৪৭ জন, রাজশাহীতে ২৬ হাজার ১৬৭, কুমিল্লায় ১০ হাজার ২৪৫, যশোরে ১৩ হাজার ৭৬৪, চট্টগ্রামে ৯ হাজার ৮, বারিশালে ৪ হাজার ৪৮৩, সিলেটে ৪ হাজার ২৩৬, দিনাজপুরে ১২ হাজার ৮৬ ও ময়মনসিংহ বোর্ডে ৭ হাজার ৪৩৪জন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৭ লাখ ৯০ হাজার ৩৩৫জন ছাত্র এবং ৮ লাখ ৪০ হাজার ৯৭৩জন ছাত্রী। ছাত্রদের পাসের হার ৮২ দশমিক ৯৫ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৮৪ দশমিক ৫০ শতাংশ।

মাদরাসা বোর্ড: মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় এবার সব সূচকেই অবনতি হয়েছে। কমেছে অংশগ্রহণকারী, উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং পাসের হার। এবার দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২ লাখ ৭৬ হাজার ৮১৫ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৪১০ জন। অন্যদিকে গতবছর এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ৩ লাখ ৬ হাজার ৭৮০জন এবং উত্তীর্ণ হয়েছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার ৭১০ জন। মাদরাসা বোর্ডে এবছর পাসের হার ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ। যা গতবছর ছিল ৮৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। মাদরাসা বোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ হাজার ৫১৬ জন।

কারিগরি বোর্ড: কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবারের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় সবসূচকেই ভালো করেছে। বেড়েছে পরীক্ষার্থী, উত্তীর্ণ ও পাসের হার। এই বোর্ডে এবার ১ লাখ ৩১ হাজার ৯০৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৯৫ হাজার ৮৯৫ জন। গতবছর ১ লাখ ২৬ হাজার ৩৮৩জন অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছিল ৯১ হাজার ২৯৮ জন। এবার কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ। গতবছর ছিল ৭২ দশমিক ২৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৮৮৫ জন।

বিষয়ভিত্তিক পাসের হার: এসএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা সাধারণত তিনটি বিভাগে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে থাকে। বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা এই তিনটি বিভাগের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের ফলাফল সবচেয়ে ভালো। এই বিভাগে পাসের হার ৯৪ দশমিক ৫৪ শতাংশ, মানবিকে ৭৬ দশমিক ৩৯ এবং ব্যবসায় শিক্ষায় ৮৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

শতভাগ পাস-ফেল: এবার শতভাগ পাস করেছে ৩ হাজার ২৩টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। যা গতবছর ছিল ২ হাজার ৫৮৩টি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শতাভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠান মাদরাসা বোর্ডে। এই বোর্ডের ১ হাজার ৭৫৬টি মাদরাসার সকলেই পাস করেছেন। এছাড়া কারিগরিতে ১০০টি, ঢাকা বোর্ডে ১৫৭টি, রাজশাহীর ৩০৮টি, কুমিল্লার ১৬২টি, যশোরের ২৫০টি, চট্টগ্রামের ৫০টি, বরিশাল ৫৪, সিলেট ৪৩, দিনাজপুর ১২২ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডের ২১টি প্রতিষ্ঠানের সকলে পাস করেছে। অন্যদিকে ১০৪টি প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করতে পারেনি। যা গতবছর ছিল ১০৭টি। এর মধ্যে কারিগরি বোর্ডে ৫০টি, মাদারাসা ৪৮, ঢাকা ১, যশোর ২, দিনাজপুর ১ ও ময়মনসিংহ বোর্ডেও ২টি প্রতিষ্ঠান। #



 

Show all comments
  • Md Jahid ১ জুন, ২০২০, ১২:৫৪ এএম says : 0
    সবাইকে মিষ্টি খাওয়ার দাওয়াত রইলো আমার পক্ষ থেকে
    Total Reply(0) Reply
  • সুফিয়া হানিফ ফাউন্ডেশন ১ জুন, ২০২০, ১২:৫৪ এএম says : 0
    অভিনন্দন ও শুভ কামনা সকল ছাত্র ছাত্রীকে
    Total Reply(0) Reply
  • Jibon Hosain ১ জুন, ২০২০, ১২:৫৫ এএম says : 0
    দোয়া করি সবাই জেনো ভবিসতে আরো ভালো রেজাল্ট করে
    Total Reply(0) Reply
  • Rahat Karim ১ জুন, ২০২০, ১২:৫৬ এএম says : 0
    A+ লাফালাফি কইরো না। ভালো একটা কলেজে ভর্তি হয়ে বইলো A+ পেয়েছি।
    Total Reply(0) Reply
  • রাজ্য বিহিন রাজা ১ জুন, ২০২০, ১২:৫৬ এএম says : 0
    দেশের শিক্ষামন্ত্রীর মুখে যদি মাস্ক না থাকে... তাহলে আমরা সচেতনা কার কাছ থেকে শিখবো!
    Total Reply(0) Reply
  • Khairul Bashar ১ জুন, ২০২০, ১২:৫৮ এএম says : 0
    বাংলাদেশে শিক্ষিত মানুষের অভাব নেই সত্যিকার মানুষের বড়োই অভাব,
    Total Reply(0) Reply
  • Rubaet Ahsan ১ জুন, ২০২০, ১২:৫৮ এএম says : 0
    রাজশাহী বোর্ডে এবার এসএসসি রেজাল্টের বাম্পার ফলন! পাশের হার ৯০.৩৪।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: এসএসসি


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ