Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ০৫ জুলাই ২০২০, ২১ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ যিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী

সময় কঠিন হলেও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে -দুদক চেয়ারম্যান

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৩ জুন, ২০২০, ১২:০০ এএম

সময় যতো কঠিনই হোক না কেন, দুর্নীতি সংঘটিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। গতকাল ত্রাণ বিতরণে দুর্নীতি, গুদামের খাদ্যপণ্য অবৈধভাবে বিক্রি ও আত্মসাতসহ বিভিন্ন অভিযোগে গৃহীত আইনি কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করার সময় তিনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এ কথা বলেন। এ সময় স্বাস্থ্য বিধি মেনে অফিস পরিচালনার জন্য দুদক গঠিত ভিজিল্যান্স কমিটির কার্যক্রম সম্পর্কে চেয়ারম্যানকে অবহিত করা হয়।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, ছুটি চলাকালে সরকারি ত্রাণ বিতরণে সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগে ঢাকা, বগুড়া, রংপুর, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, শেরপুর, বরগুনা, নড়াইল, শরীয়তপুর, মাদারীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশকিছু মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে আসামি গ্রেফতার হয়েছে। এসব নিয়ন্ত্রণমূলক কার্যক্রমে কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচরীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে দায়িত্ব পালন করায় তাদেরকে ধন্যবাদ জানান তিনি। দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, দুর্নীতির অভিযোগ জানানোর সকল চ্যানেল খোলা রয়েছে। গণমাধ্যম, সামাজিক মাধ্যম, দুদকের গোয়েন্দা তথ্যসহ সাধারণ মানুষের অভিযোগ নিয়মিত বিচার-বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। দুর্নীতি করে পার পাওয়ার সুযোগ কেউ পাবে না। প্রতিটি অভিযোগ বিচার-বিশ্লেষণ করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণ শুরুর পর সাধারণ ছুটির সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ বিতরণে অনিয়মসহ বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির ঘটনায় ১৯টি মামলা করেছে দুদক।

 



 

Show all comments
  • Abdur Rafi ৩ জুন, ২০২০, ২:১২ পিএম says : 0
    দুদককে শুধু ৩ উদ্দিনের যুগেই ভালো জেনেছি ইতিহাসে আর কবে তাদের নাম লেখা হবে কেউ জানে না।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Shah Alam Khan ৩ জুন, ২০২০, ১০:৫২ পিএম says : 0
    দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ সাহেব ত্রাণ বিতরণে দুর্নীতির উপর এসব কথা বলেছেন এই খবরে সেটাই ফুটে উঠেছে। একই সাথে তিনি বলেছেন, ‘সাধারণ মানুষের অভিযোগ নিয়মিত বিচার-বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। দুর্নীতি করে পার পাওয়ার সুযোগ কেউ পাবে না। প্রতিটি অভিযোগ বিচার-বিশ্লেষণ করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।‘ ইকবাল মাহমুদের এই কথাটা কি ত্রাণের উপর দুর্নীতি নাকি দেশের সার্বিক দুর্নীতি সেটা পরিষ্কার নয়। কারন আমি পূর্বে দেখেছি এধরনের বড় বড় কর্মকর্তারা বেকায়দায় পড়লে বিষয়গুলো সংকোচিত করে ফেলে। যেমন এখন যদি আমি বলি যে ওনার এই কথা সঠিক নয় আমি নিজেই ওনার বরাবরে জানুয়ারী মাসে অভিযোগ করেছি কিন্তু সেটার কোন পদক্ষেপ উনি নেন নি। তখনই উনি বলবেন তিনি এখানে এবারের ত্রাণ বিতরণের উপর অভিযোগের কথা বলেছেন। সেজন্যে আমি আমার সহযোদ্ধা (মুক্তিযোদ্ধা) ইকবাল সাহেবকে বলবো এখন আপনারা প্রচুর সময় পেয়েছেন কাজেই দয়া করে আপনাদের কাছে আমরা যেসব অভিযোগ করেছি সেসব অভিযোগ বিবেচনায় নিয়ে আমাদের দেয়া তথ্যের সত্যতা জাচাই করে ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। নয়ত আমাদেরকে জানান কেন আমাদের অভিযোগের উপর আপনারা পদক্ষেপ নিতে পারছেন না। আল্লাহ্‌ আমাদের দেশের সরকারি দপ্তরের কর্ণধারদের সত্য বলা ও সততার সাথে চলার ক্ষমতা প্রদান করুন। আমিন
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: দুদক চেয়ারম্যান


আরও
আরও পড়ুন