Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ০৫ জুলাই ২০২০, ২১ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ যিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী

ইনকিলাবের ৩৫ বছরে পদার্পণ

| প্রকাশের সময় : ৪ জুন, ২০২০, ১২:০১ এএম

আলহামদুলিল্লাহ। নানা প্রতিকূলতা ও বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে দেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রাণপ্রিয় পত্রিকা দৈনিক ইনকিলাব আজ ৪ জুন ৩৪ বছর পূর্ণ করে ৩৫ বছরে পদার্পণ করেছে। আমরা মহান আল্লাহতায়ালার দরবারে শোকরিয়া আদায় করছি। তাঁর প্রিয় হাবিব হযরত মুহম্মদ (স.)-এর প্রতি পেশ করছি দরুদ ও সালাম। ৩৪ বছর আগে দেশ ও জনগণের পক্ষে কথা বলার বলিষ্ঠ অঙ্গীকার নিয়ে দৈনিক ইনকিলাব প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মহান সংস্কারক, দার্শনিক ও রাজনীতিক হযরত মাওলানা এম এ মান্নান (রহ.)। এ উপলক্ষে তাঁকে আমরা গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতায় অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে স্মরণ করছি। বাংলাদেশের সংবাদপত্র জগতে ইনকিলাব ধ্রুবতারা হয়ে আবির্ভূত হয়। প্রথাগত সংবাদপত্রের ধ্যান-ধারণা ভেঙ্গে দিয়ে এক নতুন ধারার সৃষ্টি করে ইনকিলাব। ইনকিলাব তার জন্মলগ্ন থেকেই বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য, সভ্যতা-সংস্কৃতি এবং ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধকে ধারণ করে আধুনিক চিন্তা-চেতনার সংমিশ্রণে এক যুগান্তকারী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় এবং অদ্যাবধি দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে। এদেশের মানুষের আশা-আকাক্সক্ষা, আবেগ-অনুভ‚তিকে ধারণ করে তাদের পক্ষে দৃঢ় অবস্থানের একমাত্র প্ল্যাটফর্ম হয়ে আছে ইনকিলাব। স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের পক্ষে এবং যে কোনো আগ্রাসী শক্তির বিপক্ষে জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে আপোসহীন ভ‚মিকা পালন করে চলেছে। দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার, ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর স্বার্থে ইনকিলাব সব সময়ই অবিচল। গণতন্ত্রের চর্চা ও বিকাশে এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে অগ্রণী ভ‚মিকা পালন এবং এ ব্যাপারে দৃঢ় মনোভাব পোষণ করে আসছে। ইনকিলাবের ৩৪ বছরের পথচলা কখনোই মসৃণ ছিল না। হুমকি-ধমকি, বাধা-বিপত্তি হামলা-মামলা ও ঘরে-বাইরে ষড়যন্ত্রসহ নানা বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে ইনকিলাবকে। এমনকি একাধিকবার এর প্রকাশনা বন্ধেরও মুখোমুখি হয়েছে। তারপরও ইনকিলাব তার আদর্শ ও নীতি থেকে একচুল বিচ্যুত হয়নি। দেশ এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ইসলামী মূল্যবোধের ধারক ও বাহক হওয়ার কারণে দেশের মানুষ সব সময় ইনকিলাবের পাশে দাঁড়িয়েছে। তাদের অকুণ্ঠ সমর্থন ও সহযোগিতা ইনকিলাবের মূল শক্তি। দেশের প্রখ্যাত আলেম, ইসলামী চিন্তাবিদ, গবেষক ও পন্ডিত ইনকিলাবের সঙ্গে যুক্ত আছেন শুরু থেকে। তারা একই সঙ্গে তার শক্তি ও প্রেরণা। ইনকিলাব শুধু একটি দৈনিক পত্রিকা নয়, একটি আদর্শ ও দর্শন। দেশের সংবাদমাধ্যম জগতে ইনকিলাব ব্যাপক পরিবর্তনের সূচনা করেছে। সংবাদপত্র শিল্পে নতুন জোয়ার সৃষ্টি করেছে। পত্রিকার পাতায় পাতায় এনেছে নতুনত্ব। ইনকিলাব অন্যদের কাছ থেকে কিছু নেয়নি। নিজে উদ্ভাবন করেছে এবং করে চলেছে। ইনকিলাব এমন অনেক ট্রেন্ড সৃষ্টি করেছে, যা এখন অন্যরা অনুসরণ করছে। যেসব পত্রিকা দেশে ইসলামী সমাজ, ইসলামের প্রভাব বা এই রাষ্ট্রের মধ্যে মুসলিম সমাজের প্রভাব কমিয়ে ফেলতে চায়, যারা কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে টেলিভিশন-পত্রিকাসহ অনেক কিছু করে যাচ্ছে, ইনকিলাব সেই ধারায় গা ভাসায়নি। ইনকিলাব যে ধারার সূচনা করেছে, নামাজের সময়সূচি, রমজানকেন্দ্রিক ব্যাপক আলোচনা, বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নত্তোর, ইসলামী জীবন সম্পন্ধে আরও অনেক কিছু, তা বাংলাদেশের মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলোর জন্য এখন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। এই কাজটা ইনকিলাব অতীতে করেছে, এখনো করছে। ইনকিলাবের প্রভাবে সকলে এই ধারাটা বজায় রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। দেশের সার্বভৌমত্ব, জনগণের স্বার্থ ও গণতন্ত্রের বিকাশের ক্ষেত্রে ইনকিলাব যথাযথ দায়িত্ব পালন করে চলেছে। সুদীর্ঘ ৩৪ বছরের পথপরিক্রমায় দেশে ও বিদেশে নানা ক্ষেত্রে যে পরিবর্তন সাধিত হয়েছে, ইনকিলাব তা গভীর পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ করেছে এবং জনগণের সামনে নির্মোহভাবে তুলে ধরেছে। দেশের রাজনীতির পালাবদল, বিবর্তন ও পরিবর্তনে জনগণের পক্ষে ইনকিলাব রাডারের ভ‚মিকা রেখেছে। বর্তমান রাজনীতির ধারায়ও ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। এক ধরনের বিরাজনীতিকরণ ধারা পরিলক্ষিত হচ্ছে। বলা যায়, দেশের মানুষের জন্য এক নতুন অভিজ্ঞতা। রাজনীতিতে ক্ষমতাসীন দলের একচ্ছত্র আধিপত্য দৃশ্যমান। অন্যদিকে বিরোধী রাজনৈতিক দলের আন্দোলন-সংগ্রাম বলে কিছু নেই। নিস্তেজ ও স্তিমিত হয়ে পড়েছে। ফলে রাজনীতি হয়ে পড়েছে অনেকটা ভারসাম্যহীন ও একপাক্ষিক। সুস্থ ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির ধারা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে এই প্রেক্ষাপট কোনোভাবেই ইতিবাচক নয়। যে রাজনীতিতে চেক অ্যান্ড ব্যালান্স অনুপস্থিত, তা গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ। ইনকিলাব সব সময়ই গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার পক্ষে এবং তা এগিয়ে নিতে ভ‚মিকা পালন করে আসছে। যারাই দেশের মানুষ, দেশের স্বার্থ এবং গণতন্ত্রের ধারা এগিয়ে নিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে, তাদের পক্ষে ইনকিলাব দাঁড়িয়েছে। এ ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্বের কোনো আবেগকে প্রশ্রয় দেয়নি। কোন দল ক্ষমতায় এবং কোন দল ক্ষমতার বাইরে, এটা বিবেচনায় না নিয়ে ইনকিলাব তার নিরপেক্ষ ভূমিকা সব সময়ই স্পষ্ট রেখেছে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের জীবনমানের উন্নয়নে সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপকে ইনকিলাব যেমন স্বাগত জানিয়েছে, তেমনি দেশ ও জনস্বার্থবিরোধী এবং এ সংক্রান্ত দুর্নীতির গঠনমূলক সমালোচনা করতেও দ্বিধা করেনি। ইনকিলাবের কাছে দেশের মানুষের ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ অগ্রগণ্য। সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধকে ইনকিলাব ধারণ করে, তবে রাজনৈতিক ইসলামকে সমর্থন করে না। এদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি এবং ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের মধ্যে থেকে তরুণ প্রজন্ম ও যুবসমাজকে গড়ে তুলতে এবং সে অনুযায়ী দিক নির্দেশনা দিতে ইনকিলাব নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং করে যাবে। নিজস্ব সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং মূল্যবোধের মধ্যে থেকেই তরুণ প্রজন্মকে আধুনিক হয়ে উঠতে ইনকিলাব নিরবচ্ছিন্ন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিজাতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসন এবং তা প্রতিরোধে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে তোলার ক্ষেত্রে ইনকিলাব অঙ্গীকারাবদ্ধ। কারো সাথে শত্রুতা নয়, পার¯পরিক সমমর্যাদাপূর্ণ বন্ধুত্বের পররাষ্ট্রনীতিকে ইনকিলাব দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে। দুঃখজনক হলেও সত্য, এ পররাষ্ট্রনীতির প্রায়ই ব্যত্যয় ঘটতে দেখা যায়। অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি প্রভাবশালী দেশের পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ পরিলক্ষিত হয়। এটা যেমন অগ্রহণযোগ্য, তেমনি নিন্দনীয়। এ ব্যাপারে দেশের বেশিরভাগ প্রিন্টিং ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া নীরবতা পালন করলেও ইনকিলাব বরাবরই এই বৈষম্যমূলক ও আগ্রাসী নীতির প্রতিবাদ কঠোরভাবে করেছে এবং করে চলেছে। জাতীয় স্বার্থ ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে ইনকিলাব আপোসহীন। তার ইস্পাতকঠিন এ অবস্থান অটুট ও অবিচল থাকবে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যে কোনো আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে ইনকিলাব তার সূচনালগ্ন থেকেই সোচ্চার। মুসলমান নিধন ও ইসলামকে অপবাদ দেয়ার পশ্চিমা বিশ্বের হীন চক্রান্তের বিরুদ্ধে ইনকিলাবের প্রতিবাদী অবস্থান সব সময়ই অব্যাহত রয়েছে এবং থাকবে।
ইনকিলাব বরাবরই বাংলাদেশের অসীম সম্ভাবনার কথা বলে আসছে এবং এ ব্যাপারে দেশের মানুষকে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করে আসছে। গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ধারা অব্যাহত রেখে নিজস্ব জাতীয়তাবোধের মাধ্যমে একটি সুখী, সমৃদ্ধ এবং আত্মমর্যাদাশীল দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের ভাবমর্যাদা তুলে ধরাই ইনকিলাবের মিশন। দেশ ও জনগণের পক্ষে এবং তার মুখপাত্র হিসেবেই ইনকিলাবের এই মিশন অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। এই লক্ষ্যে পৌঁছতে আমরা সর্বস্তরের মানুষের সমর্থন পেয়েছি এবং তাদের এই অকুণ্ঠ সমর্থনই আমাদের প্রেরণা। আগামী দিনেও ইনকিলাব তার স্বকীয়তা বজায় রেখে সামনের দিকে আপন গতিতে এগিয়ে যাবে এবং আরো শক্তিশালী হবে। ইনকিলাব দেশের মানুষের আশা, আকাক্সক্ষা এবং স্বপ্নের সারথী হয়ে থাকবে। নীতি ও আদর্শের ক্ষেত্রে কখনো আপোস করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না। ইনকিলাব দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক মুক্তি, ইসলামী মূল্যবোধ, মুসলমান ও মুসলিম বিশ্বের স্বার্থ সংরক্ষণের সপক্ষে যেমন কাজ করবে, তেমনি সন্ত্রাস, অনিয়ম, দুর্নীতি, বৈষম্য ও অপশাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকবে। এমন এক সময় এবার ইনকিলাব ৩৫ বছরে পদার্পণ করলো, যখন মারাত্মক বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের তান্ডবে গোটা বিশ্ব দিশাহারা। বাংলাদেশও তার বাইরে নয়। প্রতিদিন বিশ্বের হাজার হাজার মানুষ এরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হচ্ছে। মানুষের মৃত্যুর ক্রমবর্ধমান সংখ্যা বৃদ্ধি যেমন উদ্বেগের কারণ, তেমনি উদ্বেগের কারণ বিশ্ব অর্থনীতির অচলাবস্থাজনিত বেহাল দশা। আমরা আজকের দিনে বিশ্বজগতের প্রভূ ও প্রতিপালক আল্লাহর কাছে এই প্রার্থনা জানাই, তিনি যেন বাংলাদেশসহ সকল দেশকে করোনার আগ্রাসন ও ক্ষতি থেকে সুরক্ষা করেন। পরিশেষে আমরা পাঠক, শুভানুধ্যায়ী, এজেন্ট, বিজ্ঞাপনদাতাসহ সর্বস্তরের জনগণকে শুভেচ্ছা এবং মোবারকবাদ জানাই। ইনকিলাবের চলার পথে আমরা সকলের সহায়তা পাব এবং মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হবেন, এ প্রত্যাশা করি। আল্লাহ ইনকিলাবকে কবুল করে নিন। আমীন।



 

Show all comments
  • তাসফিয়া আসিফা ৪ জুন, ২০২০, ২:২৯ এএম says : 0
    আলহামদুলিল্লাহ, খুশির খবর। তিন যুগ আগেও দেশের ইসলামী স্কলার ও আলেম-ওলামার কথা বলা এবং মত প্রকাশের মিডিয়া (প্লাটফর্ম) ছিল না। ইনকিলাবের জন্ম শুধু সেই অভাব পূরণই করেনি; সাথে দেশের মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় বিপ্লব ঘটিয়েছে। মাদরাসা শিক্ষা এখন ইংরেজি ও বাংলা মাধ্যমের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলছে। হাজারো গণমাধ্যমের ভিড়ে ইসলামী মূল্যবোধ তুলে ধরার চ্যালেঞ্জ নিয়েই ইনকিলাব পাঠকদের উদ্বুদ্ধ করেছে। এখন সাধারণ মানুষ তো বটেই; দেশের তরুণ-তরুণী, যুবক-যুবতীরাও ইসলামী চেতনায় নিজেদের গড়ে তুলতে প্রয়াস পাচ্ছেন।
    Total Reply(0) Reply
  • বারেক হোসাইন আপন ৪ জুন, ২০২০, ২:৩০ এএম says : 0
    ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান জন্মের ৬১ বছর পর ১৯৮৬ সালে উপমহাদেশের আরেক প্রখ্যাত আলেম ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা এম এ মান্নান (রহ.) প্রতিষ্ঠা করেন দৈনিক ইনকিলাব। এই পত্রিকা এ দেশের তৌহিদী জনতাকে নতুন আলোর দিশা দেখায়। ইনকিলাব একদিকে মুসলমান পাঠকদের ধর্মীয় চেতনাকে শানিত করেছে; অন্যদিকে ইসলাম বিদ্বেষীদের আস্ফালনের লাগাম ধরে টেনে। শুভ কামনা রইলো।
    Total Reply(0) Reply
  • বারেক হোসাইন আপন ৪ জুন, ২০২০, ২:৩১ এএম says : 0
    আমার সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীনের নিষ্ঠায় ইনকিলাব দেশের সংবাদপত্র শিল্পে স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখেই এগিয়ে চলছে। আলহামদুলিল্লাহ, বিভিন্ন সময় প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজস্ব গতি পথে অবিচল থেকে ‘দৈনিক ইনকিলাব’ এখন দেশ-বিদেশের লাখ লাখ পাঠকের হৃদয়ের কণ্ঠস্বর।
    Total Reply(0) Reply
  • দর্শন ই ইসলাম ৪ জুন, ২০২০, ২:৩১ এএম says : 0
    এদেশের ৯২ ভাগ মুসলমান তথা তৌহিদী জনতার ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিতি পেলেও ইনকিলাব সব ধর্ম-বর্ণ-গোত্রের মানুষের সব শ্রেণী-পেশার মানুষের পক্ষে থেকেছে অবিচল, খবর প্রচারে থেকেছে নিরপেক্ষ। যেটা আসলে গর্ব করার বিষয়। প্রতিবার্ষিকীতে অভিনন্দন।
    Total Reply(0) Reply
  • হাসান মুনাব্বেহ সাআদ ৪ জুন, ২০২০, ২:৩২ এএম says : 0
    হাজারো মিডিয়ার ভিড়ে দৈনিক ইনকিলাব শুধু একটি গণমাধ্যম নয়; আরো অন্যকিছু। ইনকিলাব হলো একটি চেতনার নাম; যে চেতনা পাঠকদের মানবিক, ধর্মীয় মূল্যবোধ, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে।
    Total Reply(0) Reply
  • কে এম শাকীর ৪ জুন, ২০২০, ২:৩৬ এএম says : 0
    অভিনন্দন ইনকিলাব পরিবারকে। সত্য সংবাদ প্রকাশে আরও সক্রিয়তা ও বলিষ্ঠতা কামনা করছি।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ইনকিলাব


আরও
আরও পড়ুন