Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২০, ১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ১১ যিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী

ত্রিপোলি বিমানবন্দর পুনর্দখল তুরস্ক সমর্থিত লিবিয়া সরকারের

মিডল ইস্ট মনিটর | প্রকাশের সময় : ৫ জুন, ২০২০, ১২:০১ এএম

লিবিয়ার বিদ্রোহী নেতা জেনারেল খলিফা হাফতারের অনুগত গেরিলাদের কাছ থেকে রাজধানী ত্রিপোলির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পুনর্দখলে নিয়েছে দেশটির তুরস্ক ও জাতিসংঘ স্বীকৃত গভর্নমেন্ট ন্যাশনাল একর্ড-জিএনএ সরকার।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, গেল বুধবার লিবিয়ার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার দেশটির প্রধান বিমানবন্দরটি পুনরায় দখল করে নিয়েছে। সরকারি বাহিনী রাজধানী থেকে হাফতারের লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি-এলএনএকে হটিয়ে দেয়াতে তারা যুদ্ধবিরতি আলোচনার দিকে অগ্রসর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জিএনএ’র মিলিটারি অপারেশন রুম জানিয়েছে, তারা বিমানবন্দরটি পুনরায় দখলে নিয়েছে এবং এলএনএকে সংলগ্ন কাসর বেন গশির জেলায় পিছু হটিয়ে দিয়েছে। এলএনএ’র এক সামরিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তার বাহিনীকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে এবং জিএনএ বিমানবন্দর নিয়ন্ত্রণ করছে।

রাজধানীর প্রায় সমস্ত স্থান থেকে এলএনকে হটিয়ে দেয়ার পর লড়াইয়ের পরবর্তী ধাপটি জিএনএ অধিকৃত গারিয়ানের আশেপাশে ত্রিপোলির দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে এবং এলএনএ’র দখলে থাকা তারহউনা অঞ্চলের দিকে সংঘটিত হবে বলে মনে হচ্ছে। তবে, গেল বুধবার দু’পক্ষের নেতারা লিবিয়ার অভ্যন্তরীণ এই বিরোধে জড়িত বিদেশী শক্তিগুলোর সাথে বৈঠকের জন্য বিদেশ সফর করেন। এ প্রসঙ্গে জাতিসংঘ গত সোমবার জানিয়েছিল যে, উভয় পক্ষই যুদ্ধবিরতি আলোচনা পুনরায় শুরু করতে সম্মত হয়েছে।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলিট কাভুসোলু একটি টিভি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘বৈধ সরকারের এখন সর্বাধিক ক্ষমতা রয়েছে, এটিতে রাজনৈতিক সমাধানের সুযোগ হিসাবে দেখা উচিত।’ ইতোমধ্যে, হাফতারের নিকটতম একটি সূত্র জানিয়েছে, তিনি তার প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাত করতে মিসরে পাড়ি জমিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সাল থেকে ত্রিপোলি বিমানবন্দর বন্ধ রয়েছে এবং গত বছর থেকে এ বিমানবন্দরের বিদ্রোহীদের দখলে ছিল। লিবিয়ার সাবেক একনায়ক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর গৃহযুদ্ধ কবলিত লিবিয়া দুইভাগে বিভক্ত হয়ে ২টি আলাদা সরকারের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। দেশটির পশ্চিমাঞ্চল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সেখানে শাসন চালাচ্ছে হাফতার বাহিনী। পশ্চিম ও দক্ষিণ লিবিয়ার তেলক্ষেত্র এবং ভ‚মধ্যসাগরীয় গুরুত্বপূর্ণ উপক‚লীয় শহর সিরতও তাদের দখলে রয়েছে।

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: তুরস্ক


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ