Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭, ২৪ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

দাবা ফেডারেশনের বিরুদ্ধে অর্থ না দেয়ার অভিযোগ!

স্পোর্টস রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১০ জুন, ২০২০, ৭:০০ পিএম

দেশি-বিদেশি দাবাড়–দের থাকা খাওয়ার জন্য ভাড়াকৃত হোটেলের অর্থ পরিশোধ না করায় এবং প্রায় ২২ লাখ টাকার তিনটি চেক ব্যাংক থেকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে রাজধানীর পল্টনস্থ ফার্স হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ। জানা যায়, গত বছরের ২৪ নভেম্বর ফার্স হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে অনুষ্ঠিত হয় সার্ক দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের খেলা। সার্কভুক্ত ৭ দেশের খেলোয়াড়রা অংশ নেন এই টুর্নামেন্টে। উন্মুক্ত বিভাগে ১১ হাজার ডলার, মহিলা বিভাগে ৭ হাজার এবং র‌্যাপিড দাবায় ২ হাজার ডলার অর্থ পুরস্কারের এ টুর্নামেন্ট শেষ হয় ৪ ডিসেম্বর। আন্তর্জাতিক এই টুর্নামেন্ট শেষ হয়েছে সাত মাস আগে। কিন্তু ভাড়ার অর্থ এখনো পায়নি টুর্নামেন্ট ভেন্যু ফার্স হোটেল। তাদের পাওনা ২২ লাখ টাকা। অর্থ পরিশোধের জন্য দাবা ফেডারেশনের দেয়া তিনটি চেকই ব্যাংক থেকে প্রত্যাখ্যান হয়েছে। শুধু তাই নয়, চেক প্রত্যাখ্যান হলেও হোটেলের সঙ্গে সব যোগাযোগ নাকি বন্ধ রেখেছেন দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দিন শামীম। এমন অভিযোগ হোটেল কর্তৃপক্ষের।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২২ লাখ টাকার বিপরীতে ফার্স হোটেলকে তিনটি পাঁচ লাখ টাকা সমমূল্যের চেক দিয়েছিল দাবা ফেডারেশন। তারা সর্বশেষ চেকটি ইস্যু করে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর। এই তিনটি চেক প্রাইম ব্যাংক বিজয়নগর শাখা থেকে প্রত্যাখ্যান হয়। প্রথম দুটি চেক প্রত্যাখান হয় গত ১৮ ফেব্রæয়ারি। ফার্স হোটেলের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, বারবার তাগাদা দেয়া সত্তে¡ও দাবা ফেডারেশন আমাদের টাকা দিচ্ছে না। এখন তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগই বন্ধ করে দিয়েছে। সাধারণ সম্পাদক আমাদের ফোনও রিসিভ করে না।’

বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি বলে জানান ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন শামীম। বুধবার তিনি বলেন, ‘এ বছরের মার্চ-এপ্রিলের দিকে পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের আমাদের অর্থ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির কারণে তা সংগ্রহ করতে পারিনি আমরা। তাই তাদেরকে দেয়া চেকগুলো ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখ্যান হয়েছে। আমরা ফার্স হোটেল কর্তৃপক্ষকে বলেছিলাম চেকগুলো ব্যাংকে জমা না দিতে। তারা আমাদের কথা না শুনে চেকগুলো ব্যাংকে জমা দিয়ে ফেডারেশনকে বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে ফেলেছে। তবে আমার চিন্তায় রয়েছে নিজের পকেট থেকে হলেও ওই অর্থ সহসাই পরিশোধ করে দেবো।’



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: দাবা


আরও
আরও পড়ুন