Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২০, ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৬ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

মায়া ক্যালেন্ডারের হিসাবে আগামী সপ্তাহেই ধ্বংস হতে পারে পৃথিবী

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৫ জুন, ২০২০, ৫:০২ পিএম

দাবি করা হয়েছিল, মায়া ক্যালেন্ডারের হিসাব অনুযায়ী ২০১২ সালে ২১ ডিসেম্বর ধ্বংস হয়ে যাবে পৃথিবী! এটি নিয়ে তোলপাড় হয়ে গিয়েছিল গোটা বিশ্ব। একটি নির্দিষ্ট হিসেবের ভিত্তিতে এই ধ্বংসের দিন নির্ধারণ করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু পরে দেখা যায়, সেই হিসাবটি ভুল ছিল। আর সেই ভুল সংশোধন করে জানা গেল, চলতি বছরেই পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার কথা, তাও আবার আগামী সপ্তাহে!

তবে ২০১২ সালের অন্তত এক দশক আগে থেকে এটি অত্যন্ত আলোচিত একটি বিষয় ছিল। বলা হয়, মধ্য আমেরিকার প্রাচীন মায়া সভ্যতা যে ক্যালেন্ডারটি ব্যবহার করতো, সেখানে উল্লেখিত ভবিষ্যদ্বাণী নাকি বিশ্বের অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাথে মিলে গিয়েছে। তাই সেই বছর নিয়ে সতর্ক ছিলেন প্রায় সবাই। মৃত্যুকে বরণ করে নেওয়ার আগে অনেকেই জীবনের সব স্বাদ পূরণের চেষ্টা করেছিলেন। এর প্রভাবে হলিউডে সিনেমার তৈরি হল যার নামও রাখা হল ‘২০১২’।

ইতিহাসবিদরা বলছেন, এই মায়া ক্যালেন্ডার শুরু হয়েছে আজ থেকে ৫ হাজার ১২৫ বছর আগে। হিসাব দেখাচ্ছিল, এই ক্যালেন্ডার শেষ হচ্ছে ২০১২ সালের ২১ ডিসেম্বর। তাই দেখেই ‘কনস্পিরেসি থিয়োরিস্ট’রা বলেছিলেন, সেই দিনেই পৃথিবী ধ্বংস হতে পারে। মায়া ক্যালেন্ডার ফুরিয়ে যাওয়া এই ধ্বংসেরই ইঙ্গিতবাহী। কিন্তু সেদিন কিছুই হয়নি। সবাই ভেবেছিল পুরো বিষয়টিই গুজব।

কিন্তু এতদিন পরে, মানে প্রায় ৮ বছর পরে গবেষকরা নিজেদের হিসাবের একটি ভুল খুঁজে বের করেছেন। আর সেই ভুল বলছে, মায়া ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আমরা এখন যে সালে আছি, সেটাই ২০১২। যেহেতু গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের ১১ দিনে মায়া ক্যালেন্ডারের এক দিন করে পরিবর্তন হয় এবং এই ক্যালেন্ডার ১৭৫২ থেকে শুরু, ফলে তার হিসাবটা দাঁড়ায় ২৬৮ বছর পেরিয়েছে, অর্থাৎ, আসলে ২৬৮ কে ১১ দিয়ে গুণ করলে হয় ২৯৪৮ দিন। ২৯৪৮ দিনকে ৩৬৫ দিয়ে ভাগ করলে হয়, ৮ বছর।

মধ্য আমেরিকার মেক্সিকো, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস এবং এল সালভাদর অঞ্চলগুলো জুড়ে প্রতিষ্ঠিত প্রাচীন মায়া সভ্যতা ছিল অত্যন্ত উন্নত একটি সভ্যতা, যারা গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, স্থাপত্যবিদ্যা সহ বিভিন্ন বিষয়ে তাদের জ্ঞানের স্বাক্ষর রেখে গেছে। তারা অত্যন্ত সুচারুভাবে দিন-তারিখের হিসেব লিপিবদ্ধ করত। তাদের ক্যালেন্ডার ছিল আমাদের বর্তমান ক্যালেন্ডার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। অক্ষর এবং সংখ্যার পরিবর্তে সেখানে ছিল হায়ারোগ্লিফিক চিত্রের সমাহার, যদিও গবেষকগণ সেগুলোর মর্ম উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। ধারণা করা হয়, অন্তত খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দী থেকেই মায়ানদের ক্যালেন্ডার প্রচলিত ছিল।

বিজ্ঞানী পাওলো তাগালোগিউনের মতে, হিসাব থেকে বাদ যাওয়া দিনগুলো যোগ করলে মায়া সভ্যতায় নির্ধারিত, পৃথিবীর শেষ দিন হল ২০২০ সালের ২১ জুন। তবে বিশেষজ্ঞদের সাম্প্রতিক হিসেবেও কোনও ভুল আছে কিনা তা এখনও জানা যায়নি। সূত্র: গালফ নিউজ।



 

Show all comments
  • Pradip Kalindi ১৬ জুন, ২০২০, ৩:১২ এএম says : 0
    পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার কারণ ১. উদ্ভিদ কাটা ২. জ্বালানি উত্তোলন ও ব্যবহারে বায়ু দূষণ ৩. প্লাস্টিকের ব্যাবহার ৪. ভূমিকম্প ইত্যাদি ইত্যাদি।।। মায়া ক্যালেন্ডার বিশ্বাস করতে পারছিনা।।। ধন্যবাদ।।।
    Total Reply(0) Reply
  • Soutam Banerjee ১৬ জুন, ২০২০, ১০:৪১ এএম says : 0
    No
    Total Reply(0) Reply
  • shamim Ridoy ১৬ জুন, ২০২০, ১০:৪৭ পিএম says : 0
    আল্লাহ তায়ালাই ভালো জানেন পৃথিবীর ধ্বংস করবে হবে
    Total Reply(0) Reply
  • shamim Ridoy ১৬ জুন, ২০২০, ১০:৪৭ পিএম says : 0
    আল্লাহ তায়ালাই ভালো জানেন পৃথিবীর ধ্বংস করবে হবে
    Total Reply(0) Reply
  • নিত্যগোপাল সরকার ১৬ জুন, ২০২০, ৯:৫৮ পিএম says : 0
    ভুল কথা
    Total Reply(0) Reply
  • Soma Das Gupta ১৬ জুন, ২০২০, ৭:৪২ পিএম says : 0
    Gobeshak ra goto 8 bochhor dhore ki korchhilen? Hothat ei covid er moddhe unader tonok norlo j calculation bhul chhilo? Jotto sob dhopbaji
    Total Reply(0) Reply
  • AbdulAwalmolla ১৬ জুন, ২০২০, ১০:২৮ পিএম says : 0
    পৃথিবী কবে ধ্বংস হবে তা একমাত্র সৃষ্টিকর্তাই জানেন অতএব এই মায়া সভ্যতার ক্যালেন্ডার যারা বিশ্লেষণ করে পৃথিবী ধ্বংসের দিনক্ষণ ঠিক করেছে তারা একটি গবেট।
    Total Reply(0) Reply
  • Sailen De ১৭ জুন, ২০২০, ৫:৩৬ পিএম says : 0
    আজ থেকে 465 বছর আগে একজন ফরাসী দার্শনিক,ভবিষ্যতদ্রষ্টা জ্যোতিষী মিচেল নষ্ট্রাদামু পৃথিবীর ভবিষ্যত নিয়ে 3500 টি ভবিষ্যতবাণী করেছিলেন,তারমধ্যে 800 টি ভবিষ্যতবাণী ফলেগেছে,বাকীগুলো সময়ের সাথে সাথে ফলবে একথা ও তিনি বলেছেন। ভবিষ্যতবাণী গুলো খুব দূর্বদ্ধ,চারলাইনে লেখা এক একটা ভবিষ্যতবাণী। 2020 সাল সম্বন্ধে তিনি মারাত্মক ভবিষ্যতবাণী করেছেন।তিনি বলেছেন যমজ 20 সালে অর্থাৎ 2020 সালে এশিয়ার পূর্বদিকে সাগরঘেরা (border line)একঠা দেশ থেকে এক অজানা রোগ উৎপত্তি হবে এবং সেইরোগ প্রথমে সপ্তপর্বতদ্বারা বেষ্টিত দেশে (ইটালি)ছড়িয়ে পড়বে।পরবর্তী Stageএ এই রোগ আমেরিকা তথা সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে যাবে এবং গোটা বিশ্বের তিনভাগের দুভাগ লোক এই রোগে মারা যাবে।এই বছর টা হবে চরম বিপর্যের বছর।ভুমিকম্প,জল্লোছ্বাস,মহামরী আকারে দেখা দেবে। এইবছর তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হবে। এশিয়া মহাদেশ ও ক্যালি্ফো্রনিয়া এলাকা ভুমিকম্পের কবলে পড়বে।It will be a great tragedy in human history.বুলগেড়িয়ার এক অন্ধ মহিলা দার্শনিক,বাবা ভাঙ্গা নাম,তিনি এই বছর টাকে ধ্বং সের বছর হিসাবে চিহ্নিত করেছেন।
    Total Reply(0) Reply
  • Ankhi das ১৭ জুন, ২০২০, ৭:০২ এএম says : 0
    ২২ তারিখ সকালের সূর্য উদয় দেখার আমন্ত্রণ রইলো সার পৃথিবীর জীব কুলের কাছে। আবার দেখা হবে ২২ জুন।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ