Inqilab Logo

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ১৩ কার্তিক ১৪২৭, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

আয়োজন ‘অবাস্তব’, মানছে অস্ট্রেলিয়াও

টি-২০ বিশ্বকাপ : স্ব-সম্মানে চাকরি ছাড়লেন রবার্টস

স্পোর্টস ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৭ জুন, ২০২০, ১২:০০ এএম

সময় যত গড়াচ্ছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের সম্ভাবনা ততই ক্ষীণ হয়ে আসছে। সেই বাস্তবতা মেনে নিচ্ছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াও। কিছুদিন আগে তারা বলেছিল, বিশ্বকাপ আয়োজন বড় ঝুঁকিতে আছে। এবার ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার চেয়ারম্যান বলছেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপ আয়োজন অবাস্তব।
আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় হওয়ার কথা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এবারের আসর। তবে বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস মহামারীতে এই আসরকে ঘিরে চলছে চরম অনিশ্চয়তা। সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আইসিসি সভা করছে নিয়মিতই। বিশ্বকাপ নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি এখনও। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী মাসে আসতে পারে সিদ্ধান্ত। তবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার চেয়ারম্যান আর্ল এডিংস গতকাল ভিডিও কনফারেন্সে সংবাদমাধ্যমকে যা বললেন, তাতে সম্ভাব্য চিত্র অনেকটাই স্পষ্ট, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে যদিও বিশ্বকাপ এখনও বাতিল হয়নি বা পিছিয়ে যায়নি, কিন্তু বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ১৬টি দলকে অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে আসা, বেশির ভাগ দেশেই যেখানে কোভিড এখনও বাড়ছে, আমার মতে, এটি (বিশ্বকাপ আয়োজন) অবাস্তব, কিংবা খুব, খুব কঠিন হবে।’
বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই বড় একটি রদবদল এসেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ পদগুলির একটিতে। চাকরি হারানোর গুঞ্জনের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন প্রধান নির্বাহী কেভিন রবার্টস। চেয়ারম্যান এডিংস গতকাল সকালে এই খবর দিয়েছেন। ২০২১ সাল পর্যন্ত সিএ প্রধান নির্বাহী পদে চুক্তির মেয়াদ ছিল তার। বাকি থাকা ১৮ মাসের পারিশ্রমিক রবাটর্স পাবেন কি না তা নিয়ে কিছু বলেননি এডিংস। অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বোর্ডের আর্থিক অবস্থা সামলাতে না পারায় রবার্টসের চাকরি ছিল ঝুঁকির মুখে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্থানীয় আয়োজক কমিটির প্রধান নির্বাহী নিক হকলি আপাতত ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী পদে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব নিয়ে হকলি জানিয়েছেন, অনিশ্চয়তা থাকলেও তারা বিশ্বকাপের প্রস্তুতি চালিয়ে যাবেন, ‘দারুণ একটি স্থানীয় আয়োজক কমিটি আছে আমাদের, যারা সম্ভাব্য সবকিছুর জন্যই প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছে। এরপর সিদ্ধান্ত যা হওয়ার হতে পারে।’
সংবাদমাধ্যম ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, করোনা মহামারির মধ্যেও বোর্ড আর্থিকভাবে একদম বাজে অবস্থায় ছিল না। কিন্তু রবার্টসের পদক্ষেপ বোর্ডের বাইরের ভাবমূর্তির পক্ষে ছিল না। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেও সমালোচিত হয়েছিলেন রবার্টস। মাত্র ২০ মাসের দায়িত্ব পালন শেষেই সরে দাঁড়াতে হলো তাকে। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক ও ক্রিকেট বিশ্লেষক ইয়ান চ্যাপেল মনে করেন, এর কিছু দায় নিতে হবে বোর্ডকেও। তার মতে ২০১৮ সালে রবার্টসকে দায়িত্ব দেওয়ার আগে পাওয়া ‘সতর্কবার্তা’ এড়িয়ে গেছে সিএ। অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যমে লেখা এক কলামে চ্যাপেলের ভাষ্য, ‘তারা নিয়োগ দিল। ২০ মাস পর ছাঁটাই করল। এর অর্থ হলো, শুরুর সিদ্ধান্তটাই ভুল ছিল।’



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: টি-২০ বিশ্বকাপ

১৪ মার্চ, ২০১৬

আরও
আরও পড়ুন