Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, ২০ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

চীনা পণ্যের বিজ্ঞাপন ছাড়া আইপিএল অসম্ভব : বিসিসিআই

স্পোর্টস ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২০ জুন, ২০২০, ৯:২২ এএম

চীনের পণ্য বর্জন ঘোষণা দিয়ে ভারত নিজেদের জন্য আরও বড় বিপদ ডেকে আনছে বলে মনে করছেন সে দেশের বিষেজ্ঞরা। তাদের দাবি চীনা পণ্যের বিজ্ঞাপনেই ভারতের ক্রীড়া অঙ্গন সচল রয়েছে। তাদের বিজ্ঞাপন ছাড়া অচল হয়ে পড়বে।
কয়েকদিন ধরে লাদাখে ভারত-চীন সংঘাত ঘিরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। তারই মধ্যে চীনের পণ্য বয়কট করার দাবি উঠেছে ভারতের বিভিন্ন মহল থেকে। সূত্র জানিয়েছে, রেলে চীনা সংস্থার টেন্ডার বাতিল করা হয়েছে। টেলিকম বিভাগকে বলা হয়েছে চীনা কোম্পানির সাহায়তা না নিতে। এই পরিস্থিতিতে সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থান নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। সংস্থার কোষাধ্যক্ষ জানিয়ে দিয়েছেন, চীনের স্পনসর ছাড়া আইপিএল হওয়া অসম্ভব।

করোনা পরিস্থিতির কারণে এ বছরের আইপিএল এখনও বিশ বাঁও জলে। কোনও কোনও মহলের ধারণা, এ বছরের শেষ দিকে ছোট করে হলেও আইপিএল হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
আইপিএলের অন্যতম স্পনসর চীনের মোবাইল কোম্পানি ভিভো। ২০২২ সাল পর্যন্ত বিসিসিআই তাদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বছর আইপিএল খাতে ভিভো বিসিসিআইকে ৪৪০ কোটি টাকা দেয়। বিসিসিআই কোষাধ্যক্ষ অরুণ ধুমালের বক্তব্য, ''চীনের পণ্য বয়কট করা একটি আবেগতাড়িত ভাবনা। ভাবনাটিকে আমি সম্মান করি। কিন্তু আমাদের বাস্তবতা ভাবতে হবে। যুক্তি দিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। ভিভোর সঙ্গে যে ভাবে আমরা চুক্তিবদ্ধ, তাতে এই মুহূর্তে তা বাতিল করা সম্ভব নয়।

তা ছাড়া চীনের কোম্পানি থেকে সাহায্য নিলে তা চীনের জন্য যতটা লাভের, তার চেয়ে ভারতের লাভ অনেক বেশি।'' ধুমালের যুক্তি, ভিভো ভারতে মোবাইল বিক্রির জন্য আইপিএলের বিজ্ঞাপনে টাকা ঢালছে। বিসিসিআই তার জন্য ভারত সরকারকে কর দিচ্ছে। যার থেকে ভারতের অর্থনীতিই লাভবান হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, ওই মোবাইল কোম্পানি ভারতে মোবাইল বিক্রি করেও ভারত সরকারের কোষাগারে কর দিচ্ছে। ফলে শেষ পর্যন্ত ভারতই এর থেকে লাভবান হচ্ছে।

ধুমালও একই কথা ঘুরিয়ে বলার চেষ্টা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, যতদিন পর্যন্ত ভিভো ভারতে ব্যবসা করতে পারবে, সরকার তাদের কোনও বাধা দেবে না, তত দিন পর্যন্ত তাদের বিজ্ঞাপন নেওয়াতেও কোনও সমস্যা থাকতে পারে না। উল্লেখ্য, এর আগে আরেকটি চীনা মোবাইল সংস্থা ওপো ভারতীয় ক্রিকেট দলের জার্সির স্পনসর ছিল। গত সেপ্টেম্বর মাসে সেই চুক্তি শেষ হয়েছে। এখন ভারতীয় ক্রিকেট দলের জার্সি স্পনসর দক্ষিণ ভারতের একটি শিক্ষা সংস্থা। সূত্র : ডয়চে ভেলে



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: আইপিএল

৩১ জুলাই, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ