Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭, ২৪ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

চিঠিপত্র

| প্রকাশের সময় : ২২ জুন, ২০২০, ১২:০১ এএম

অপ্রয়োজনীয় হর্ন বাজানো ক্ষতিকর 

রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের যে কোনো শহরে বের হলেই মনে হয়, গাড়িচালকরা হর্ন বাজানোর প্রতিযোগিতায় নেমেছে। অকারণেই তারা যত্রতত্র হর্ন বাজাচ্ছে। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবলিক লাইব্রেরি, স্কুল, মসজিদ, মন্দিরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানও এ আওয়াজ থেকে মুক্ত নয়। অথচ এ বিকট আওয়াজের হর্ন যে কাউকে বধির করে দিতে পারে। গাড়িতে হাইড্রোলিক হর্ন বাজানো নিষিদ্ধ। কিন্তু এ আইন মানার ধারেকাছেও নেই কোনো চালক। অতিমাত্রায় হর্ন বাজানোর ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিশুরা। এমতাবস্থায় আমাদের করণীয়, ড্রাইভারদের মাঝে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা ও অকারণে হর্ন বাজানোর ক্ষতির দিক তুলে ধরা। সর্বোপরি ট্রাফিক পুলিশের কাছে শব্দের মাত্রা পরিমাপ যন্ত্র সরবরাহ করে আইন প্রয়োগের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
আতিকুর রহমান
বিজয় একাত্তর হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।


দুর্ঘটনা এড়াতে ট্রাফিক আইন মানুন
রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের অন্যান্য শহরে যানবাহন বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও রয়েছে গাড়ির জন্য প্রযোজ্য বিশেষ আইন। গাড়ি চালাতে গিয়ে এগুলো অমান্য করলে জরিমানা কিংবা মামলা হতে পারে। ট্রাফিক আইন মানা আমাদের সবার প্রয়োজন। রাস্তা পারাপারে ফুট ওভারব্রিজ, আন্ডারপাস অথবা জেব্রা ক্রসিং ব্যবহার করতে হবে। যেখানে সেখানে রাস্তা পারাপার দন্ডনীয় অপরাধ। এ হেঁটে চলার সময় ফুটপাত ব্যবহার করতে হবে। চলন্ত গাড়িতে ওঠা-নামা করা যাবে না। চালকদেরও মেনে চলতে হবে ট্রাফিক আইন। গাড়ি চালানোর সময় অবশ্যই সিটবেল্ট ব্যবহার ও গতিসীমা মেনে চলতে হবে।
মো. ওসমান গনি শুভ
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।



 

Show all comments
  • Julfiker Hossain ২২ জুন, ২০২০, ৯:০৮ এএম says : 0
    রাজনীতি পিশাচ ঢুকে পড়েছে তখন এমন হওয়া স্বাভাবিক। জন্তুর নাম ”আঁই কিচ্ছি” অভাবের তাড়নায় ঝুঁকিপূর্ণ বাহনে দেশত্যাগ করতে গিয়ে এ ব্যক্তি গহীন জঙ্গলে আটক হয়ে যায়। বেশ কয়েক মাস পর বন বিভাগের গবেষক দল বনে প্রবেশ করে দেখে- ঝরা জীর্ণ শীর্ণ দেহের লোম ও চুলে ঢাকা এক জন্তু! দীর্ঘদিন না খেতে পেয়ে অনাহারে থেকে গোঁফ দাঁড়ি কাটতে না পেরে লোমে চুলে মুখ ঢেকে গেছে এ নোয়াখালাইল্যা ম্যানের! সুশীল সমাজের আস্তানায় নিয়ে যেতে লাঠি দিয়ে গুতা মেরে পরীক্ষা করলে শব্দ করে- ‍‌"আঁই কিচ্ছি?” শব্দের মানে অর্থ খুঁজতে বিশেষজ্ঞ দল ডাকা হলো। সে বিশেষজ্ঞ দলের মধ্যে একজন নোয়াখালীর লোক। সে বলে এ তো আমার দেশী জ্ঞাতি ভাই। দেশী বলছে সে কি করেছে, কেন তাকে গুতা মেরে আঘাত করছেন। সে তা জানতে চায়। পরে বিদেশীরা দেশীর সাথে দেশীকে রেখে দিতে বলেছে। একদিন সে দক্ষ হয়ে নিজ দেশে ফিরে এসে- এমপি, মন্ত্রী, রাষ্ট্রীয় পরামর্শক হওয়ার প্রতিযোগায় অংশ নেয়। এমপি পাপুল, ... অধ্যক্ষ সিরাজ দৌলারা, মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক- ডিআইডিজি মিজান, সহকারী জজ জাবেদ ইমাম, জি. কে শামীম, ইসমাইল হোসেন সম্রাট- ভয়ংকর সন্ত্রাসী এরশাদ শিকারের চেয়েও ভয়ংকর ওরা। লোভে পাপ পাপে মৃত্যু- এটা কেউ মনে রাখে না। যেমনটি ঢাকা মিরপুর থানার ওসি ছালাউদ্দিন আমার সাথে করেছিল। পাপিয়ার পাপের সাম্রাজ্য স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে বিলকিসের রাজত্ব। আরডিসি নাজিম উদ্দিনের নির্যাতন সাংবাদিক আরিফকে কলেমা পড়ে এনকাউন্টারের ভয় এবং উলঙ্গ করে ভিডিও ধারন। জামালপুরের ডিসির পর দিনাজপুরের ডিসি শিক্ষিকার সাথে অনৈতিক সম্পর্ক। জামালপুরের ডিসির অফিসে ক্যামেরা লাগিয়েছিল কে? এই মাষ্টার প্ল্যান কেন করেছিল? জানলে আপনি অবাক হবেন। বৃহস্পতিবার রাতে খন্দকার সোহেল আহমেদ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে জেলা প্রশাসকের আপত্তিকর ভিডিওটি পোস্ট কর হয়। জেলা প্রশাসকের এমন কর্মকাণ্ডে শুক্রবার ভোর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। তবে শুক্রবার সকাল থেকে ওই আইডিতে আর ভিডিওটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। আপনাদের কোন গঠনমূলক মন্তব্য থাকলে করতে পারেন। আমার তথ্যে ভুলও থাকতে পারে। ডাঃ জাফর উল্যার চৌধুরী গণস্বাস্থ্যে কম্পিউটারে কাজ করতেন খুলনার বাবু ভাই, পার্টটাইম করতেন বেলী রোডে আসাদুজ্জামান রিপনের গ্লোবাল মিডিয়াতে চাঁদপুরের হাসান মোস্তাফিজ (বর্তমানে ইত্তেফাকে সাহিত্য সম্পাদক) আমিও সেখানে কাজ করতাম। পরে সমকাল পত্রিকায় ছিলাম। তারপরে প্রথম আলো যুগান্তর পত্রিকায় মিজানুর রহমান খান সাহেবের সাথে কাজ করতাম। ধর্মের কল বাতাসে নড়ে!! সত্য গোপনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে গেল আজ। জুলফিকার মাইজদী, নোয়াখালী ...
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: চিঠিপত্র

১৫ আগস্ট, ২০২০
১৪ আগস্ট, ২০২০
১৩ আগস্ট, ২০২০
১১ আগস্ট, ২০২০
১০ আগস্ট, ২০২০
৯ আগস্ট, ২০২০
৭ আগস্ট, ২০২০
৩১ জুলাই, ২০২০
২৯ জুলাই, ২০২০
২৮ জুলাই, ২০২০
২৭ জুলাই, ২০২০
২৬ জুলাই, ২০২০
২৫ জুলাই, ২০২০
২৪ জুলাই, ২০২০
২৩ জুলাই, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন