Inqilab Logo

ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ৪ কার্তিক ১৪২৭, ০২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

প্রতি ৫ করোনা রোগীর ৩ জনই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৩ জুন, ২০২০, ১২:০২ এএম

আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি কিন্তু, মানুষকে নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা দিতে পারিনি। এক শ্রেণির অসাধু মানুষের কারণে দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা খুবই চ্যালেঞ্জ হয়ে পড়েছে। নিরাপদ খাদ্য পাওয়া নিয়ে মানুষ খুবই উদ্বিগ্ন।

কারণ এটি স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরসরি যুক্ত। সে জন্য সাধারণ মানুষ, উৎপাদনকারী, বাজারজাতকারীর মধ্যে উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও বিপণন নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি দক্ষ ব্যবস্থাপনার অভাবে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য যোগানে অনেক পিছিয়ে। এক্ষেত্রে এর সঙ্গে যুক্ত ১৭টি মন্ত্রণালয়কে একসঙ্গে পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে হবে বলে উল্লেখ করেন তারা। গতকাল ধ্রুব এ্যাডভার্টাইজিং মতিঝিলস্থ ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ে ‘ইনক্রিস অ্যায়ারনেস অন অকুপেশনাল এনভায়রমেন্টাল হেলথ থ্রু সেভ ফুড প্রাকটিস’ শীর্ষক ডিভিশনাল ওয়ার্কশপে বক্তারা এসব কথা বলেন। ঢাকা বিভাগীয় স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মো. আলমগীর ফকিরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিভাগের পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. শেখ মো. হাসান ইমাম, উপ-পরিচালক আবুল খায়ের মো. রফিকুল হায়দার, স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর সাবেক লাইন ডিরেক্টর খন্দকার মাহফুজুল হক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের খাদ্য পরিদর্শক মো. কামরুল হাসান প্রমুখ।

একই স্থানে পরবর্তীতে থার্ড আই কমিউনিকেশনের সহযোগিতায় ‘অ্যায়ারনেস অন প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল অব ডেঙ্গু অ্যান্ড চিকুনগুনিয়া অ্যাট আরবান অ্যান্ড সেমি আরবান এরিয়া’ শীর্ষক অপর এক ওয়ার্কশপে বক্তারা করোনা মহামারীর সময়ে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার ঝুঁকি তুলে ধরেন। তাদের মতে, পরীক্ষা করালে দেখা যাবে প্রতি ৫ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর ৩ জনই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। বর্তমান করোনার সময়ে রাজধানীর অনেক বাসা তালা দিয়ে অন্যত্র অবস্থান করছে মালিক। একই সঙ্গে অনেক নির্মাণাধীন ভবনে কাজ বন্ধ রেখেছে অনেক দিন। এসব বাসা ও ভবন এডিস মশার প্রজনন স্থল হয়ে উঠেছে। তাই এ থেকে উত্তরণে একমাত্র পথ সচেতনতা। সবাই সচেতন হলেই ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে সেমিনারে মত দেন বিশেষজ্ঞরা।



 

Show all comments
  • রিয়াদ হোসেন ২৩ জুন, ২০২০, ৭:০৮ এএম says : 0
    সচেতনতার পাশাপাশি সরকারকে করোনার-ডেঙ্গু মহামারি থেকে বাঁচার জন্য একটা বাজেট প্রস্তাব করে তা নির্মুলের প্রতিরোধের জন্য বিভিন্ন চত্রাক, ব্যাকটেরিয়া এবং মশার জন্মস্থান ধ্বংস করার ব্যাবস্থা করা দরকার।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ডেঙ্গু

৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
৩১ জুলাই, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন