Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, ২০ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

রাখাইনে সংঘর্ষে শিশুদের ওপর সহিংসতা বেড়েছে

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৫ জুন, ২০২০, ১২:০১ এএম

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও রাখাইনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যকার সংঘর্ষ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুদের ওপর সহিংসতার মাত্রাও বেড়েছে। সংঘাতের অংশ হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় পুঁতে রাখা স্থলমাইন ও বিস্ফোরক ডিভাইস শিশুদের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলছে। শিশুরা প্রাণ হারাচ্ছে, কারও কারও অঙ্গহানি হচ্ছে। মঙ্গলবার মানবিক সহায়তাবিষয়ক সংগঠন সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রতিবেদনে এমন উদ্বেগ জানানো হয়েছে। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী হলেও সংখ্যাগুরু বামারদের চেয়ে নৃতাত্তি¡ক পরিচয়ে ভিন্ন রাখাইনের আরাকানিরা। নিজেদের ইতিহাস আর সংস্কৃতিকে সামনে আনতে চাওয়া মিয়ানমারের সংখ্যালঘু নৃগোষ্ঠীটির সদস্যদের নিয়ে গঠিত আরাকান আর্মি। আত্মনিয়ন্ত্রণের দাবি তুলে প্রায় এক দশক আগে শুরু হয় তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম। রাখাইন ও শান রাজ্যে প্রায়ই আরাকান আর্মির সঙ্গে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সংঘর্ষ হয়ে থাকে। এর জেরে প্রাণ হারাতে হচ্ছে অনেককে। বাস্তুচ্যুত হয়েছে লাখো মানুষ। সংঘর্ষের শিকার হচ্ছে শিশুরাও। সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্য রাখাইনে হত্যা, অঙ্গহানি ও অন্যায়-অবিচারের শিকার হচ্ছে শিশুরা। এ বছরের জানুয়ারি ও মার্চের মাঝামাঝি সময়ে শুধু রাখাইন রাজ্যের মধ্যবর্তী অংশেই ১৮ শিশু নিহত ও ৭১ শিশু শারীরিকভাবে আহত কিংবা অঙ্গ হারিয়েছে। ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে নিহত শিশুর সংখ্যা ছিল তিন। আহত হয়েছিল ১২ জন। প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে, প্রকৃত প্রাণহানির সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। কারণ, ওই এলাকায় স্বতন্ত্র পর্যবেক্ষকদের প্রবেশের উপর বিধি-নিষেধ আরোপ করে রেখেছে সেনাবাহিনী। মিয়ানমারে নিয়োজিত সেভ দ্য চিলড্রেনের শীর্ষ কর্মকর্তা ডানকান হার্ভে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘মাইন ও ই¤েপ্রাভাইজড বিস্ফোরক ডিভাইসের ব্যাপক ব্যবহার শিশুদের জন্য সুনির্দিষ্ট হুমকি তৈরি করেছে। এ সংখ্যা সেখানকার পরিস্থিতির কঠিন এক চিত্র হাজির করেছে।’ ওয়েবসাইট।

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: রোহিঙ্গা


আরও
আরও পড়ুন