Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭, ২৪ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা প্রকাশ্যে অবমাননা করছে সিলেট বন বিভাগ : ক্ষুব্ধ স্থানীয় মোজাজিরররা

সিলেট ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ২৫ জুন, ২০২০, ১১:২৭ এএম

সিলেটে নৈসর্গিক সৌর্ন্দয্যের অপার বিস্ময় ছিল সিলেটের জাফলং। কিন্তু সেই স্মৃতি এখল কেবল অতীত। গল্প ও মুখে মুখেই স্মৃরণ করতে হয় জাফলং নিয়ে। এর নৈপথ্যে রয়েছে স্থানীয় এলাকায় দায়িত্বপাপ্ত বিভিন্ন সংস্থার নিরব লুটপাঠের মিশনই মুলত এ জন্য দায়ী। এর মধ্যে বনবিভাগ অন্যতম। জাফলং’র সোনাটিলা এলাকায় রয়েছে স্থানীয় মোহাজিরদের প্রায় ৩২৭২.৩৬একর ভূ সম্পত্তি। সেই সম্পত্তিতে রয়েছে প্রাকৃতিকভাবেই প্রকৃতির অফুরন্ত দান। তাদের জমিতে বনবিভাগের স্থানীয় কর্মকর্তাদের কু-নজর পড়ে। উজাড় করতে মরিয়া হয়ে উঠে বনের বিশাল বিশাল বৃক্ষ। সেই সাথে বনায়নের নামে হরিলুটের প্রজেক্ট গ্রহন করে বনবিভাগ। বৃক্ষ নিধন ও বনায়নের নামে এহেন তৎপরতায় মোহাজিররা প্রতিবাদী হয়ে উঠে। এক পর্যায়ে পশ্চাৎপদ মোহাজির জনগোষ্টি ছৈলাখাল ৩য় ্ও ৪র্থ খন্ডে জমি জবরদখল ও বনবিভাগের কার্যক্রম বন্ধের জন্য মহামান্য হাইকোর্টে রীট পিটিশন ২৯১৩/২০১৪ দায়ের করে মোহাজির প্রতিনিধি মো: রফিকুল ইসলাম। এরই প্রেক্ষিতে ২০১৭ইং ১৯ সেপ্টেম্বর আদালত বনবিভাগের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ প্রদান করেন আদালত। এরই প্রেক্ষিতে ২০১৮ সালের ৪ এপ্রিল ৫৯ নং স্মারকে দূযোর্গ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাজিরদের জমির হিসাব সংরক্ষণ ও রেকর্ড সংশোধনের জন্য জেলা ত্রান ও পূর্ণবাসন কর্মকর্তাকে অনুরোধ জানান। এরই ধারাবাহিকতায় সিলেট জেলা প্রশাসনের কার্যালয় এর ত্রান ্ও পুনর্বাসন শাখা ত্রান ্ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা ২৫ এপ্রিল ১৪৮ নং স্মারকে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা গোয়াইনঘাট, সিলেটকে মোহাজিরদেও পুনর্বাসনের জন্য অধিগ্রহনকৃত জমির সীমানা চিন্থিত করে নির্ধারিত স্থানে সাইনবোর্ড স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানান। পরবর্তীতে গোয়াইনঘাট উপজেলা অফিসার ২০১৮ইং ১১ অক্টোবর ১০০৮নং স্মারকপত্রে রেঞ্জ কর্মকর্তা সারীঘাট, জৈন্তাপুরকে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ করেন। এছাড়া ২০১৮ সালের ১৫ মার্চ মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের রীট পিটিশনের সর্বশেষ আদেশ মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সিলেট বনবিভাগকে নির্দেশনা প্রদান করেন খোদ বনবিভাগের লিগ্যাল ইউনিট এর উপ-বন সংরক্ষত ড: মো: জাহিদুর রহমান মিয়া। কিন্তু তারপরও স্থানীয় বিনবিভাগ বেপরোয়া। তারা প্রকাশ্যে অমান্য ্ও অবমাননা করছে উচ্চ আদালতের স্থহিতাদেশ। স্থানীয় একটি লুটেরা চক্র গড়ে তোলে লুটপাঠ অব্যাহত রাখছে। সেই মিশন নিরবে চালিয়ে যেতে ক্ষমতার অবব্যহার করে মামলার পর মামলা দিয়ে হয়রানীর মুখে ফেলে বিপর্যস্থ করে তোলেছে নিরীহ মোহাজিরদের।


করে যাচ্ছে। তাদের আইনবিরোধ্য তৎপরতায় চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে উঠছে আইনের প্রতিশ্রদ্ধাশীয় মোহাজিররা।

মোহাজিরদের বক্তব্য:

বক্তব্য: স্থানীয় জাফলং বিট কর্মকর্তা মো: জহিরুল ইসলাম: আদালতের নিষেধাজ্ঞা বা নির্দেশনা অমান্য করার এখতিয়ার কিভাবে রয়েছে তাদের। এছাড়া নিষেধাজ্ঞা অমান্য শুধু নয় বৃক্ষ নিধন নিজে করে আইনের আশ্রয়প্রাথীয় মোহাজিরদের উপর মামলার পর মামলার ঘটনা কি তাদের একই সাথে ক্ষমতার অপব্যবহার ্ও উচ্চ আদালদের প্রতি অবমাননা নয় ? এছাড়া নিষেধাজ্ঞা কবলিত জমিতে বনায়ন প্রকল্পের মানে কি লুটপাটের উদ্দেশ্য নয় ?

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ