Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২০, ২০ আষাঢ় ১৪২৭, ১২ যিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী

পরিবর্তিত বিশ্বে চীনই আমাদের প্রকৃত বন্ধু

কামরুল হাসান দর্পণ | প্রকাশের সময় : ২৬ জুন, ২০২০, ১২:০১ এএম

প্রতিবেশীর সাথে সংঘর্ষে জড়ালে বা দাদাগিরি করতে গেলে কী পরিণতি ভোগ করতে হয়, তা ভারত হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। এতদিন নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও বাংলাদেশে ছড়ি ঘোরালেও চীনের সাথে লাগতে গিয়ে বুঝতে পেরেছে, সব জায়গায় দাদাগিরি চলে না। তার ছোট্ট নমুনা হচ্ছে, গত ১৫ জুন রাতে ভারত-চীন সীমান্তের পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় দুই দেশের সেনাদের মুখোমুখি সংঘর্ষ। এ সংঘর্ষে ভারতের এক কর্ণেলসহ ২০ সেনা নিহত হয়েছে এবং আটক হয়েছে প্রায় ১০ জন। সংঘর্ষে গুলির পরিবর্তে কাঁটাযুক্ত ভারি রড, পাথর ব্যবহৃত হয়। বলা যায়, কমবেট ফাইট হয়েছে, যাতে ভারতের সেনারা পরাজিত হয়েছে। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো অবশ্য বলেছে, এ যুদ্ধে চীনের ৪৩ জন হয় নিহত হয়েছে, নতুবা আহত হয়েছে। তবে এ সংবাদের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিগত ৪৫ বছরের মধ্যে দুই দেশের মধ্যে এমন যুদ্ধের ঘটনা ঘটেনি। সর্বশেষ ১৯৭৫ সালে অরুণাচল প্রদেশের তুলুং লাতে এক যুদ্ধে ভারতের চার সেনা নিহত হয়েছিল। ১৫ জুনের যুদ্ধের সূত্রপাত হিসেবে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ভারতীয় সেনারা দুইবার সীমান্ত অতিক্রম করে এবং চীনা সেনাদের উসকানি দেয় ও আক্রমণ করে। এর ফলে যুদ্ধ বেঁধে যায়। বিষয়টি এমন যেন, ভারতের সেনারা চীনের সাথে কাবাডি খেলতে গিয়েছিল। সীমান্তরেখা পার হয়ে ‘কাবাডি কাবাডি’ বলতে বলতে চীন সেনাদের ছুঁয়ে পয়েন্ট আনতে চেয়েছিল। ফল যা হওয়ার তাই হয়েছে। পয়েন্ট ছিনিয়ে আনা দূরে থাক, উল্টো চরম ধোলাই খেয়ে জান খুইয়েছে। ভারত ভেবেছিল, তার অন্যান্য প্রতিবেশীর সীমান্ত যেভাবে পেরিয়ে ফিরে যেতে পারে বা ‘লে পাঙ্গা’ বলতে পারে, চীনের সাথেও এমন পাঙ্গা নিয়ে ফিরে আসতে পারবে। তা হয়নি। যেখানে চীন বিশ্বের শক্তিধর রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক এবং সামরিক শক্তি নিয়ে ‘শীতল যুদ্ধ’ চালিয়ে যাচ্ছে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে থোড়াই কেয়ার করছে, সেখানে তার সাথে লাগতে যাওয়া যে চরম বোকামি, ভারত তা বুঝতে অক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে। চীন বুঝিয়ে দিয়েছে, তার সাথে লাগতে যাওয়া মানে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারা। আর ভারতের মতো দুর্বল অর্থনীতির একটি দেশের পক্ষে চীনের সাথে ‘পাঙ্গা’ নেয়া চরম বোকামি ছাড়া কিছু নয়। চীনের কাছে মার খেয়ে এখন সে নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষা নিয়ে হায় হায় শুরু করে দিয়েছে। বলেছে, ভারতের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা ও আঞ্চলিক অখন্ডতা সুনিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। একেই বলে ‘ঠেলার নাম বাবাজি।’

দুই.
ভারতের বর্তমান অবস্থা কি? এ প্রশ্ন যদি করা হয়, তবে একবাক্যে সবাই স্বীকার করবেন, দেশটি কোন দিক দিয়েই ভাল নেই। না অর্থনৈতিকভাবে ভাল আছে, না প্রতিবেশীদের সাথে সুসম্পর্ক রয়েছে। এক করোনার ধাক্কায় দেশটির অর্থনীতি তলানীতে গিয়ে ঠেকেছে। প্রতিদিন করোনায় হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। মৃত্যুও হচ্ছে শত শত। এই বিপদ ঠেকাতে গিয়ে দেশটি একদিকে হিমশিম খাচ্ছে, অন্যদিকে অর্থনৈতিকভাবে চরম প্রতিকূলতার মধ্যে ডুবে গেছে। বিশ্বব্যাংক থেকে শুরু করে অন্যান্য সংস্থা বলেছে, ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বা জিডিপি শূন্যের নিচে নেমে যেতে পারে। এ থেকে বুঝতে অসুবিধা হয় না, দেশটি কত বড় বিপদে আছে। এর মধ্যেই সে প্রতিবেশীদের সাথে পাঙ্গা দিচ্ছে। বিষয়টি অনেকটা ‘ঢাল নেই তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দার’ এর মতো। এ সুযোগটা নেপাল বাপের বেটার মতো নিয়েছে। সে ভারত ও তার সীমান্তের কালাপানি এলাকা নিজেদের মানচিত্রে যুক্ত করে দিয়েছে। ভারত টুঁ শব্দটি পর্যন্ত করতে পারছে না। উল্টো নেপালের পুলিশের গুলিতে তার কয়েকজন নাগরিক নিহত হয়েছে। এমন সাহস দেখিয়ে মেরুদন্ড সোজা করে দাঁড়িয়েছে নেপাল। অবশ্য নেপাল প্রায় বছর খানেক আগে ভারতের আধিপত্যবাদ থেকে বের হয়ে আসা শুরু করে। বিশ্বের একমাত্র হিন্দু রাষ্ট্র থেকে বের হয়ে বহুজাতিক দেশে পরিণত হতে সংবিধান পরিবর্তন করে। তার আগে ভারত নেপালে খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে দিলে দেশটি পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ভারতের সব টিভি চ্যানেল বন্ধসহ অন্যান্য বিষয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। অবশেষে বাধ্য হয়ে ভারত তার খাদ্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। এখন ভারতের দাবীকৃত ভূখন্ড নিজের মানচিত্রে যুক্ত করে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে দিয়েছে। নেপালের এই শক্তির উৎস কি? এ প্রশ্নের জবাবে বলা যায়, দেশটি তার আত্মমর্যাদা অটুট রাখা এবং এককেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বা ভারত নির্ভরতা থেকে সরে উন্মুক্ত বিশ্বের দিকে দৃষ্টি দিয়েছে। সে তার সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিবেশী চীনের দিকে ঝুঁকেছে। ভারত যে ভূখন্ড নিয়ে নেপালের বিরুদ্ধে টুঁ শব্দ করতে পারল না, তার মূল কারণ চীন। চীনের সাথে নেপালের সীমান্ত রয়েছে। এ হিসাবে নেপাল চীনের দিকে ঝুঁকে পড়ায় চীনের শক্তি তার মধ্যে সঞ্চারিত হয়েছে। অর্থাৎ পরোক্ষভাবে হলেও চীন নেপালকে দিয়ে ভারতকে ঘিরে রেখেছে। অন্যদিকে চীন লাদাখে সরাসরি ভারতের ভূখন্ডের কাছে তার প্রতিরক্ষা বুহ্য স্থাপন থেকে শুরু করে তার দাবীকৃত অংশ সুরক্ষার ব্যবস্থা নিয়েছে এবং ভারত যুদ্ধ করতে এলে তাকে উচিৎ শিক্ষা দেয়া হবে, এমন প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। হচ্ছেও তাই। ভারত চীনের এই মনোভাব বুঝতে পেরে এখন অনেকটা মিউ মিউ করে চীনের সাথে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের দিকে ঝুঁকেছে। চীনও আলাপ-আলোচনা করতে রাজি। তবে সে ‘তালগাছ আমার’ এ মনোভাব বজায় রেখেছে। একদিকে আলোচনা, অন্যদিকে ভারতের যুদ্ধ বাঁধানোর মতো উস্কানির জবাবও সে দিয়ে দিচ্ছে। অর্থাৎ ভারত এখন ব্যাকফুটে থেকে চীনের সাথে সমঝোতা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আলোচনার ফল যে ভারতের পক্ষে যাবে না, তা নিশ্চিত করেই বলা যায়। কারণ, ভারতের দৌঁড় কতটুকু, চীন তা বুঝে গেছে। ভারত ভেবেছিল, এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র তার পাশে দাঁড়াবে। দেখা গেল, যুক্তরাষ্ট্র তার পাশে নেই। উল্টো মাস দেড়েক আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের সাথে ভারতের মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়ে নরেন্দ্র মোদীর সাথে তার কথা হয়েছে বলে বলেছিল। পরবর্তীতে জানা যায়, ট্রাম্পের সাথে এ নিয়ে মোদীর কোনো কথাই হয়নি। ট্রাম্পের এ ধরনের অসত্য ভাষণ থেকে বুঝতে অসুবিধা হয় না, ভারতের পাশে যুক্তরাষ্ট্র নেই। যেখানে হুমকি-ধমকি ও যুদ্ধ জাহাজের মহড়া দিয়েও যুক্তরাষ্ট্র চীনের মধ্যে এতটুকু বিচলন ঘটাতে পারছে না, বিশ্বরাজনীতিতে তার নেতৃত্ব হারানোর আশঙ্কার যন্ত্রণায় অস্থির হয়ে রয়েছে, ট্রাম্প নিজেই দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হতে চীনের সাহায্য চেয়েছেন, সেখানে ভারতের পাশে তার দাঁড়ানোর সময় কোথায়? এর ফলে তার আশায় যে গুঁড়ে বালি পড়েছে। ভারত এখন এক গভীর খাদের কিনারে এসে দাঁড়িয়েছে। এ নিয়ে ভারতের অভ্যন্তরের রাজনীতিও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। তারা এ পরিস্থিতির জন্য নরেন্দ্র মোদীর দুর্বল রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিকে তীব্রভাবে কটাক্ষ করছে। বলা বাহুল্য, চীন এমন এক শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে, যার সাথে পাঙ্গা নেয়ার মতো শক্তি ও সামর্থ্য ভারতের নেই। একজন সাধারণ মানুষও তা বোঝে। শুধু তাই নয়, এক সময় ভারতের আধিপত্যের মধ্যে থাকা ভুটান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপও তার কাছ থেকে দূরে সরে গেছে। কম-বেশি সবাই চীনের দিকে ঝুঁকেছে। তারা ভাল করেই জানে, যুদ্ধ ও আধিপত্য দিয়ে নয়, চীন সত্যিকারের বন্ধুত্ব নিয়ে তাদের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। তার সুফলও তারা পাচ্ছে। চীন দেশগুলোতে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। এতে দেশগুলো একদিকে যেমন অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হচ্ছে, তেমনি ভারতের দাদাগিরি থেকেও মুক্ত থাকতে পারছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের সাথে ভারত কখনোই দাদাগিরি দেখাতে পারেনি এবং পারছেও না। পাকিস্তানে ইট ছুঁড়লে, তার জবাবে পাকিস্তান পাথর ছোঁড়ে। বিগত এক বছরে ভারত-পাকিস্তানের সংঘাতচিত্র দেখলেই তা বোঝা যায়। ভারতের কারণেই প্রতিবেশীরা একে একে ছেড়ে গেছে। তারা তাকে আর তেমন তোয়াক্কা করছে না।

তিন.
ভারতের আধিপত্যবাদ বা দাদাগিরি উপেক্ষা করে যখন তার অধিকাংশ প্রতিবেশী চলে গেছে, তখন তার শেষ সঙ্গী হিসেবে কেবল আমরাই রয়ে গেছি। এখানে আমরা বলতে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ নয়, সরকার ও বিরোধী দলকেই বোঝানো হয়েছে। তারা এখনও বিশ্বাস করে, ক্ষমতায় থাকা ও যাওয়ার একমাত্র পথ ভারতের আশীর্বাদ। এ আশীর্বাদ না থাকলে ক্ষমতায় থাকা ও যাওয়া যায় না। ফলে সরকারি দল ও বিরোধী দল উভয়েই ভারতকে তুষ্ট ও সন্তুষ্ট রাখা নিয়ে এক ধরনের অদৃশ্য প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। ক্ষমতাসীন দল কেবল ভারতের চাহিদা পূরণ করে যাচ্ছে, আর বিরোধী দল তার দিকে টানার জন্য নানা লবিং করছে। এই দুইয়ের মাঝে ভারত গোঁফে তা দিয়ে মজা নিচ্ছে। আমরা সবাই জানি, আমাদের দেশের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে ভারতের কী ধরনের প্রভাব থাকে। অনেকে বলেন, ২০১৪ ও ২০১৯-এর নির্বাচন ভারতের পরামর্শের কারণেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসতে পেরেছে এবং এই দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকতে পারছে। অন্যদিকে, নির্বাচনের আগে বিরোধী দল ভারতকে কনভিন্স করার জন্য নানাভাবে চেষ্টা চালিয়েও তার সমর্থন আদায় করতে ব্যর্থ হয়েছে। ভারত দলটির ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে পারেনি এবং পারছে না। তার একমাত্র আস্থাভাজন দল আওয়ামী লীগ। কারণ, দলটি ভারতের কোনো চাহিদা অপূর্ণ রাখে না এবং রাখবেও না। যখন যেভাবে যা চেয়েছে, বিনাবাক্যে তা দিয়ে দিয়েছে। বিনিময়ে ভারত আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে কী ভূমিকা রেখেছে, তার স্মৃতিচারণ করেই সান্ত¦না পাচ্ছে। কাজেই ভারতের প্রতি বিশ্বস্ত এমন একটি দল থাকতে, আরেকটি দলকে কেন সে সমর্থন দেবে? এই সরল হিসাবটি আমাদের বৃহৎ বিরোধী দল বুঝতে পারেনি বা বুঝতে চায়নি। তারা কেবল আশায় আছে, ভারত কোনো না কোনো সময় তাদের সমর্থন দেবে। এজন্য ভারতের চাহিদা পূরণ করতেও দ্বিধা করবে না। আমরা দেখেছি, দেশের স্বার্থ পরিপন্থী অনেক চুক্তি এবং আমাদের ন্যায্য দাবী ভারতের পূরণ না করা ও তার চাহিদা অনুযায়ী সব দিয়ে দেয়া নিয়ে দলটি কার্যকর কোনো প্রতিবাদ করেনি, করছেও না। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, যেখানে নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কার মতো দেশ ভারতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তার প্রভাব বলয় থেকে বের হয়ে গেছে, সেখানে আমাদের ক্ষমতাসীন ও বৃহৎ বিরোধী দল দেশের মর্যাদার কথা বিবেচনা না করে কেবল দলীয় স্বার্থের কথা ভেবে ভারতকে তোয়াজ করে যাচ্ছে। ক্ষমতাসীন দল সবসময়ই বলছে, ভারতের সাথে আমাদের বন্ধুত্ব সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। এ কথার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, এ বন্ধুত্ব সরকারি দলের সাথে সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকলেও দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের সাথে নেই। কারণ সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ ভালভাবেই দেখছে এবং বুঝছে, ভারত আমাদের সাথে কী অমানবিক আচরণ করছে! আমাদের কোনো চাহিদা পূরণ না করে, সে তার সব চাহিদা আদায় করে নিয়েছে। সীমান্তে পাখির মতো গুলি করে বাংলাদেশীদের মারছে। বিএসএফ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে হুটহাট ঢুকে মানুষ ধরে নিয়ে যাচ্ছে। তাদের নির্যাতন করে মারছে। এ নিয়ে ক্ষমতাসীন দল তো বটেই, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের প্রতিবাদ করা হচ্ছে না। এমনকি ভারতের রাজনীতিকরা আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে আপত্তিকর কথা বললেও, তা নিয়ে কোনো ধরনের টুঁ শব্দ করেনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সৌজন্য বশতঃ কোনো বিবৃতিও দেয়া হয়নি। এমন নতজানু পররাষ্ট্রনীতি এবং প্রতিবাদহীন রাজনীতির কারণে ভারত আমাদের সাথে যা খুশি তা করে বেড়াতে পারছে। অথচ নেপাল ভারতের নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে বিশ্বে নিজের অবস্থান সুসংহত করেছে। এ নিয়ে ভারতেরও কিছু বলার থাকছে না। অর্থাৎ সাহস করে ঘুরে দাঁড়ালে যে বাঘও পালিয়ে যায়, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটান তা দেখিয়ে দিয়েছে। তাহলে আমরা কিসের আশায় বসে আছি? ক্ষমতা? এ ক্ষমতা দেয়ার মালিক তো জনগণ। দেশের জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারলে কি কেউ তা থেকে বিচ্যুত করতে পারে?

যার ক্ষমতা ও শক্তি আছে, তার কাছেই মানুষ যায়। এই যে নেপাল ভারতকে দেখিয়ে দিল, তা শুধু চীনের সঙ্গে সুষম বন্ধুত্বের কারণেই সম্ভব হয়েছে। এমন বন্ধুত্বইতো দরকার। আমাদের সঙ্গেও তো চীনের ভাল বন্ধুত্ব এবং চীন দেশের বিনিয়োগ থেকে শুরু করে করোনা মোকাবেলায় সহযোগিতা করে যাচ্ছে। করোনাকালীন অর্থনীতির মহাসংকটে চীন শর্তহীনভাবে শূন্য শুল্কে ৯৭ শতাংশ বা ৮ হাজার ২৫৬টি বাংলাদেশী পণ্য তার দেশে রপ্তানির অপূর্ব সুযোগ দিয়েছে। এছাড়া করোনা মোকাবিলায় বিভিন্ন সুরক্ষা সামগ্রী দেয়া এবং চিকিৎসক দল পাঠিয়ে সহযোগিতা করেছে। করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারে দেশটি অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে। দ্রুতই এই ভ্যাকসিন আসবে। তখন দেশটি সবার আগে আমাদের দেবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। কই, ভারত তো এভাবে বাংলাদেশের দিকে হাত বাড়িয়ে দেয়নি। বরং আরও কী সুবিধা নেয়া যায়, এ হিসাব কষছে। সে কেবল নিতে জানে, দিতে জানে না। এ প্রেক্ষিতে, আমাদের উচিত চীনের সাথে সম্পর্ক আরো গভীর করা। এ সময়টিকে কাজে লাগানো কর্তব্য। চীনের সাথে বন্ধুত্ব সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো জরুরি। এ সুযোগ হেলায় হারালে আমরাই ক্ষতিগ্রস্ত হব। বর্তমান এবং আগামীর একমাত্র অর্থনৈতিক পরাশক্তি চীনের সাথেই বন্ধুত্ব গভীর করা সময়ের দাবী।

চার.
বিশ্ব রাজনীতি এখন পুরোপুরি বদলে গেছে। করোনা পরবর্তী বিশ্ব হবে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের যুদ্ধ ক্ষেত্র। এ যুদ্ধ ক্ষেত্রে যে চীন নেতৃত্ব দেবে, তাতে সন্দেহ নেই। উপমহাদেশের দেশগুলো যেহেতু অর্থনীতির পরাশক্তি চীনের দিকে ঝুঁকেছে, আমাদেরও সেদিকে এগিয়ে যাওয়া উচিৎ। এটা প্রমাণিত সত্য, চীন আমাদের অনেক ভালবন্ধু এবং ভারতের মতো খবরদারি বা দাদাগিরি করে না। তাকেই আমাদের কাছে টানতে হবে। চীনও আন্তরিকতার সাথে পারস্পরিক বন্ধুত্বকে যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে চায়, তার নজির ইতোমধ্যে আমরা দেখেছি। বলার অপেক্ষা রাখে না, চীন পাশে থাকলে ভারতও আমাদের প্রতি বিরূপ আচরণ করতে সাহাস পাবে না। ভারত ভাল করেই জানে, তার পাশে বাংলাদেশ ছাড়া আর কোনো প্রতিবেশী নেই। পরিবর্তিত বিশ্বে আমাদেরকে এই সুযোগ নিতে হবে। এজন্য সরকার ও বিরোধী দলের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে।
darpan.iournalist@gmail.com



 

Show all comments
  • Mohammed Kowaj Ali khan ২৫ জুন, ২০২০, ৭:৪৪ পিএম says : 1
    ভারত বাংলাদেশের সম্মুখে দাঁড়াতেই পারবে না। ইনশাআল্লাহ। ....
    Total Reply(0) Reply
  • শহিদুলইসলাম ২৬ জুন, ২০২০, ১০:৩১ এএম says : 1
    খুবই অসাধারন লিখেছেন এ পর্যন্ত এমন লেখা কোনো নিউজে দেখিনি যা দেখেছি সব ভারতের পা চাটা দালালিতে ভরপুর। আজ মনে হলো দেশের জন্য এখনও অনেক নীতিবান মানুষ ভাবে। আমাদের এখনি সময় ঘুরে দাঁড়ানোর না হয় সারা জীবন ভারতের পায়ের তলায় থাকতে হবে। এখনি সময় সরকারে ভারতের পা চাটা বন্ধ করা। ভারত চিন নেপালের মার খেয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে এসে সাধারন বাংলাদেশের মানুষকে পাখীর মতো গুলি করে মেরে তারা চীন নেপালের জীদ মজায় আর আমাদের দেশের সরকার হাসি মুখে সেই লাশ নিয়ে আসে জী হুজুর জী হুজুর করতে করতে।
    Total Reply(0) Reply
  • মোঃ মকবুল হোসেন ২৬ জুন, ২০২০, ৯:৩০ এএম says : 2
    খুবই সুন্দর উপস্থাপন করলেন। একজন প্রকৃতি দেশ প্রেমিক।
    Total Reply(0) Reply
  • asif ২৬ জুন, ২০২০, ১০:১০ এএম says : 2
    কোন বিচার বিশ্লেষণ ছাড়া আবেগি পোলাপানের লিখা। ক্ষোভে ভরা আর পক্ষপাত দুষ্ট। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চায়নারও কিন্তু পরীক্ষিত ভাল কোন বন্ধু নাই। চায়নার সাথে হাফ ডজন দেশের সীমানা নিয়ে সমস্যা চলছে। হংকং, তাইওয়ান নিয়ে ওরা এমনিতেই ঝামেলায় আছে। তার উপর করোনার উতপত্তি নিয়ে ওরা চাপে আছে... যুদ্ধ ওদের জন্যও ভাল হবে না। ভারত তো কখনোই নয়, চায়নাও আমাদের বন্ধু নয় কোনভাবেই। এরা সবাই স্বার্থ নিয়ে ভাবে। সাম্প্রতিক কোন ঘটনাই আমাদের পক্ষে নাই। চায়না বার বার ভেটো দিয়ে মায়ানমার এর বিরুদ্ধে কিছুর করা থেকে বাঁধা দিচ্ছে, ভারত ও মায়ানমার নিয়ে আমাদের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে। ভারতের প্রভাব আমরা কিছুতেই এড়াতে পারব না কিন্তু আমাদের উচিত হবে ২ পক্ষ থেকেই সর্বোচ্চ আদায় করা। কোন দয়া মায়া না রেখে। আর ভারতকে নেপালের মত উঠতে বসতে চড় মারা। কিন্তু আমাদের পা চাটা শাসকরা তো ভারতকে স্বামী ভাবে। এটাই যা সমস্যা। নইলে খেলা জেত অনেক মজা করে ভারতকে নিয়ে।
    Total Reply(2) Reply
    • Badrul Alam ২৯ জুন, ২০২০, ৯:৫২ পিএম says : 0
      This is a good example of being a MUSLIM MALAUUN. Malauun is an Arabic word. It means cursed. This man is a person who is cursed.Any body supporting India is Malauun.This man said we can not avoid India's influence. I believe that as long as Muslim Malauuns are in our country, we can not avoid India's influence.
    • elu mia ২ জুলাই, ২০২০, ৭:৩৮ পিএম says : 0
      You are right china and india both our enemy,but we have to play carefully.
  • Gopal Krishna Mishra ২৬ জুন, ২০২০, ২:৫৩ এএম says : 16
    China te 40 jon mara geche..r Bharater 20 jon..china ekhon hare hare ter pache..Bharater sathe panga neya ,eto soja noy..
    Total Reply(0) Reply
  • হাদিউর রহমান ২৬ জুন, ২০২০, ৩:০৬ এএম says : 3
    অত্যান্ত প্রয়োজনীয় ও সচেতন মূলক পোস্ট যা সরকার ও জনগণের জানা থাকা দরকার।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Mojnu ২৬ জুন, ২০২০, ১:১০ এএম says : 0
    Olpo pirit oti vala, beshi pirit beshi jala. Dudher dhwa keu nai.
    Total Reply(0) Reply
  • রংহীন রঙিন জীবন ২৬ জুন, ২০২০, ১:১১ এএম says : 2
    এই নিউজ টা মুদি'র চোখে পড়লে আমাদের ওপর চড়াও হবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Md. Mahbubur Rahman ২৬ জুন, ২০২০, ১:১১ এএম says : 0
    আচ্ছা রোহিংগা দের মায়ানমারে পাঠানোর ব্যবস্থা করুক, বন্ধুত্যের পরিচয় দিক...
    Total Reply(0) Reply
  • HM Helal ২৬ জুন, ২০২০, ১:১১ এএম says : 0
    ভারত- চিন কোনোটিই আমাদের প্রকৃতো বন্দু নয়, জার সবচেয়ে বড়ো প্রোমান, রহিঙা ইসু।
    Total Reply(0) Reply
  • Sany Khan ২৬ জুন, ২০২০, ১:১২ এএম says : 0
    China our good friend. China kay amader vlo frnd banalay bangladesh kay confirm Singapore banay dibay inshallah
    Total Reply(0) Reply
  • Halim Shahriar Molla ২৬ জুন, ২০২০, ১:১২ এএম says : 2
    চীন এবং জাপান অতীতে বাংলাদেশের খুব ভালো বন্ধু ছিলো।
    Total Reply(0) Reply
  • Shourav Hasan ২৬ জুন, ২০২০, ১:১৩ এএম says : 3
    সময়োপযোগী বিশ্লেষণ। ভালো লাগছে
    Total Reply(0) Reply
  • Aminul Islam ২৬ জুন, ২০২০, ১:১৩ এএম says : 2
    চীনকে বন্ধু রাষ্ট্র হিসাবে গ্রহন করলে,,, বন্ধুর প্রতিদান তার কাছ থেকে পাওয়া যাবে।
    Total Reply(0) Reply
  • salim ২৬ জুন, ২০২০, ১:১৫ এএম says : 0
    বাহ! খুব সুন্দর ভাবে বুঝতে পারছি
    Total Reply(0) Reply
  • ইব্রাহিম খলিল। ২৬ জুন, ২০২০, ১:৪৮ এএম says : 3
    খুবই অসাধারন লিখেছেন এ পর্যন্ত এমন লেখা কোনো নিউজে দেখিনি যা দেখেছি সব ভারতের পা চাটা দালালিতে ভরপুর। আজ মনে হলো দেশের জন্য এখনও অনেক নীতিবান মানুষ ভাবে। আমাদের এখনি সময় ঘুরে দাঁড়ানোর না হয় সারা জীবন ভারতের পায়ের তলায় থাকতে হবে। এখনি সময় সরকারে ভারতের পা চাটা বন্ধ করা। ভারত চিন নেপালের মার খেয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে এসে সাধারন বাংলাদেশের মানুষকে পাখীর মতো গুলি করে মেরে তারা চীন নেপালের জীদ মজায় আর আমাদের দেশের সরকার হাসি মুখে সেই লাশ নিয়ে আসে জী হুজুর জী হুজুর করতে করতে।
    Total Reply(0) Reply
  • Munna ali ২৬ জুন, ২০২০, ১:২৪ এএম says : 3
    Amader India k refuse kora dorkar. Or moto bondhu thaker chay na thaka oneyk valo.
    Total Reply(0) Reply
  • Munna ali ২৬ জুন, ২০২০, ১:২৫ এএম says : 1
    Amader India k refuse kora dorkar. Or moto bondhu thaker chay na thaka oneyk valo.
    Total Reply(0) Reply
  • ইব্রাহিম খলিল। ২৬ জুন, ২০২০, ১:৪৮ এএম says : 1
    খুবই অসাধারন লিখেছেন এ পর্যন্ত এমন লেখা কোনো নিউজে দেখিনি যা দেখেছি সব ভারতের পা চাটা দালালিতে ভরপুর। আজ মনে হলো দেশের জন্য এখনও অনেক নীতিবান মানুষ ভাবে। আমাদের এখনি সময় ঘুরে দাঁড়ানোর না হয় সারা জীবন ভারতের পায়ের তলায় থাকতে হবে। এখনি সময় সরকারে ভারতের পা চাটা বন্ধ করা। ভারত চিন নেপালের মার খেয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে এসে সাধারন বাংলাদেশের মানুষকে পাখীর মতো গুলি করে মেরে তারা চীন নেপালের জীদ মজায় আর আমাদের দেশের সরকার হাসি মুখে সেই লাশ নিয়ে আসে জী হুজুর জী হুজুর করতে করতে।
    Total Reply(0) Reply
  • TOHA ২৬ জুন, ২০২০, ১১:৩১ এএম says : 0
    apni akta serak korasan komotar malik jonogon na ALLAHA.
    Total Reply(0) Reply
  • Nazmul ২৬ জুন, ২০২০, ১১:১৫ এএম says : 0
    Time being fact.we should be updated.
    Total Reply(0) Reply
  • শফিক ২৬ জুন, ২০২০, ১১:২৯ এএম says : 1
    আপনার বিশ্লেষণ যথাযথ।
    Total Reply(0) Reply
  • মুহাম্মদ সালাহ উদ্দিন ২৬ জুন, ২০২০, ১১:২১ এএম says : 1
    পড়ে অনেক শান্তি পেলাম।
    Total Reply(0) Reply
  • ইব্রাহিম খলিল। ২৬ জুন, ২০২০, ১:৪৯ এএম says : 1
    খুবই অসাধারন লিখেছেন এ পর্যন্ত এমন লেখা কোনো নিউজে দেখিনি যা দেখেছি সব ভারতের পা চাটা দালালিতে ভরপুর। আজ মনে হলো দেশের জন্য এখনও অনেক নীতিবান মানুষ ভাবে। আমাদের এখনি সময় ঘুরে দাঁড়ানোর না হয় সারা জীবন ভারতের পায়ের তলায় থাকতে হবে। এখনি সময় সরকারে ভারতের পা চাটা বন্ধ করা। ভারত চিন নেপালের মার খেয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে এসে সাধারন বাংলাদেশের মানুষকে পাখীর মতো গুলি করে মেরে তারা চীন নেপালের জীদ মজায় আর আমাদের দেশের সরকার হাসি মুখে সেই লাশ নিয়ে আসে জী হুজুর জী হুজুর করতে করতে।
    Total Reply(0) Reply
  • Md didar ২৬ জুন, ২০২০, ৪:০৮ এএম says : 1
    Right boos
    Total Reply(0) Reply
  • Ashit Kumar Sarker ২৬ জুন, ২০২০, ১২:২৫ পিএম says : 3
    Childish writing. Having a little knowledge in international politics.
    Total Reply(0) Reply
  • Akbar Ali ২৬ জুন, ২০২০, ১২:২৮ পিএম says : 2
    পোস্টটা খুব সুন্দর লিখেছেন এরকম পোস্ট দেখাই যায় না যে যত পারে তেল মেরে লেখেন এখানে যা লিখেছে দেশের স্বার্থে দেশের জনগণের স্বার্থে তবে এই ভাবেই দেশের জন্য নির্ভীকভাবে লেখা হু অল্পসংখ্যক লেখক আছে যা দেখা যায় না ধন্যবাদ ভাই আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এই সুন্দর পোস্ট দেওয়ার জন্য এবং সত্য কথা লেখার জন্য আবারো অনেক অনেক ধন্যবাদ
    Total Reply(0) Reply
  • Akbar Ali ২৬ জুন, ২০২০, ১২:৩১ পিএম says : 2
    ভারত যেভাবে আমাদের বাংলাদেশের সাথে জনগণের সাথে প্রতারণা করে আসছে এখনই সুযোগ তাদেরকে সময়সূচী জবাব দেওয়া তারা নিজের স্বার্থ ছাড়া আর কাউর দুঃখ ভরা বেদনার কথা তারা শোনে না তাই এখনই আমাদের বাংলাদেশ সরকারের উচিত হবে তার একগুঁয়েমি ভাবের জবাব দিয়া
    Total Reply(0) Reply
  • Ashad ২৬ জুন, ২০২০, ১১:৫৭ এএম says : 3
    মনটাই ভালো হয়ে গেল.....দারুণ .জনগণ কে আর বোকা বানাতে পারবেনা কেউ...
    Total Reply(0) Reply
  • Md Islam Chowdhury ২৬ জুন, ২০২০, ১১:৪২ এএম says : 2
    সাংবাদিক মহাশয় কি সুন্দর চীনের হয়ে গেয়ে গেলেন! সরকার ভালো করেই জানে মা'র চেয়ে মাসীর দরদ কখনো বেশি হয়না, কখনো হবেও না। তাছাড়া কূটনীতি বলেও একটা কথা আছে, সাংবাদিক মহাশয়ের সে ব্যাপারে যথেষ্ট জ্ঞানের অভাব আছে। তিনি ভারতের সাথে সম্পর্ক অবনতির পরামর্শ দিলেন অথচ তিনি বলত পারতেন বাংলাদেশ কিভাবে ভারতের এ দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে ফায়দা লুটবে! চীন তার প্রভাব বৃদ্ধির জন্যই চেকবুক কূটনীতির আশ্রয় নিয়েছে, সেটা কিন্তু ভুলে গেলে চলবেনা। পাকিস্তানপন্থী বিএনপি-জামাত সরকার দেশকে কোথায় নিয়ে গিয়েছিল তা কিন্তু আমরা ভুলিনি, এখানে বোমা, ওখানে বোমা! ভুলিনি আমরা! সীমান্তে ভারত যাদের মারছে তাদের রাখাল/কৃষক বলে আপনারা চালালেও সরকার ভালো করে জানে এরা আসলে অস্ত্র, গরু, মাদক ইত্যাদি চোরাচালানকারী (দু-একজন ব্যতিক্রমবাদে)। তাই এরা দেশেরও শত্রু। বিস্তারিত বললাম না। আমাদের পররাষ্ট্র নীতিটা আরেকবার মনে করিয়ে দেই 'Friendship to all, malice to none' সুতরাং দিনশেষে ভারতের সাথে সম্পর্কের কারনে দেশ স্থিতিশীল রয়েছে, অর্থনীতিও বিশ্বমন্দার সময় এবং এ করোনার সময়েও ভালো আছে, রিজার্ভ উর্দ্ধমুখী যা বিএনপি-জামাতের পাকিস্তান তোষামদি সরকারের সময় ছিল তো না ই বরং পাঁচ ৫ বার টানা চ্যাম্পিয়ন বিশ্ব দুর্নীতিতে। সুতরাং দেশের মানুষ জানে এ সরকারের সিদ্ধান্তগুলো দেশ ও দশের সুদূরপ্রসারী কল্যাণের জন্যই। এখানে পাকিস্তানী প্রেতাত্মাদের কোন স্থান নেই।
    Total Reply(2) Reply
    • Badrul Alam ২৯ জুন, ২০২০, ১০:০৩ পিএম says : 0
      here is an another asshole, India supporter.
    • elu mia ২ জুলাই, ২০২০, ৭:৪৭ পিএম says : 0
      তদের মতো ... জন্যই আজকে বাংলা দেশের এত খারাপ অবস্থা।তুই দুর্নীতির কথা বলিস অথচ এই সরকার গত দুই নিরবাচনে ক্ষমতায় আরসে ভোট চুরি করে।সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা রুখতে আইন করে।দুর্নীতির কথা বলতে তর লজ্জা লাগেনা?দল পুজা বন্ধ কর।
  • Dhoomkatue ২৬ জুন, ২০২০, ১২:৩৬ পিএম says : 0
    আমাদের সরকার এবং বিরোধী দল কেউই জনগনের প্রতিনিধিত্ব করে না তারা শুধু দল,দলীয় কর্মী,অনুসারী দের প্রতিনিধিত্ব করে, এ জন্য জনগনের পাল্ছ বুঝবেনা,তাই ক্ষমতা হারানোর ভয় পায়।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammad kamrul Hassan ২৬ জুন, ২০২০, ৬:০৯ এএম says : 1
    ধন্যবাদ এমন একটা নিউজ করার জন্য আমরা আপনারা বুঝলে তো হবেনা দেশের আবাল দুইটা রাজনৈতিক দলের বুঝতে হবে খমতার জন্য এরা নিজের সব কিছু বিলিয়ে দেয় প্রতি বেশির কাছে হায় রে আমার খমতা সিমানতে পাখির মতো আমাদের কে মারতেছে ভারোত তার পরেও ভারোত আমাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছি ছি নুন্যতম লজ্জা টুকুও নাই খমতাসিন দলের
    Total Reply(0) Reply
  • Jayanta ২৭ জুন, ২০২০, ৬:০২ পিএম says : 0
    Ki boli? Eta ki public centiment paowar janna lekha. Besi Besi comments pabar janna lekha protibedan? Bastab borjito Bharat bid-des. Mone holo Pakistan ponthi. Bes Pakistani der sathe Bangla desider eak matro mil religion ba Dhamo. Ar khadyabhas, culture, language, emonki physical structure eak noi. Tahole oder sathe milbe ki kore? Ar sunun jadi Bangladesh economy Chin nirbhar hoi tahle a ar Ei desta Pakistaner kabjai jete pare. Karon Chin Pakistan partnership. Achcha Bharat Bangladesh er simanto kato bristito jana ache nischai. Emon Abhijog aache je Bharat, Bangladesh er elkai dakhal dari chaliyeche. Simanto bristito koreche? Na.. Bharat democratic country. Tai govt. Ke samos to kichu open up korte hoi. Janate hoi 20 jan mara gelo. 10 jan bandi chilo. Na hole ei reference apni janen ki vane? Chine ei byaper nei. Ugro communist govt. Puro jinish ta chepe ache. Media kono news indipendly korte pare na. Apni India- China r bartoman Simana sanghorso niye jato janen China citizen er half o jane na.
    Total Reply(0) Reply
  • Arbing abir ২৬ জুন, ২০২০, ১:০৫ পিএম says : 0
    এই নিউজ টা সম্পন্ন সত্য.. কিন্তু বাংলাদেশ সরকার এটা বুঝতে পারছেনা.. আমরা যে ইন্ডিয়ার কাছ থেকে এখন চাইলেই মুক্ত হতে পাড়ি..
    Total Reply(0) Reply
  • আলিফ ২৬ জুন, ২০২০, ১:০৭ পিএম says : 0
    অনেক ভালো লেখা। চালিয়ে যান
    Total Reply(0) Reply
  • Rajib ২৬ জুন, ২০২০, ১:২৫ পিএম says : 0
    Sadaron jonogon ar akdom mon ar vitorer kota tule dorar jonno lakok ke onek onek dhonno bad.
    Total Reply(0) Reply
  • Rajib ২৬ জুন, ২০২০, ১:২৭ পিএম says : 0
    Sadaron jonogon ar akdom mon ar vitorer kota tule dorar jonno lakok ke onek onek dhonno bad.
    Total Reply(0) Reply
  • Shuvo ২৬ জুন, ২০২০, ৩:০৩ পিএম says : 0
    A fool like u will have to understand again that how wrong think tank u have.within one months Nepal govt will fall.china know......u the people are purchaseable like Nepal president oli.ciyntry are purchable like Pakistan,north korea.already african country have understand and srilanka,maldeives are in Indian belt,also Nepal,mayanmar will be.through the whole world except neighbour,India has no enemy
    Total Reply(1) Reply
    • elu mia ২ জুলাই, ২০২০, ৮:০৩ পিএম says : 0
      stop drinking cow-piss,you are talking crazy.
  • Zahangir ২৬ জুন, ২০২০, ১:১৬ পিএম says : 1
    বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সত্যিকার অর্থে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণে গণচীনের সাথে বন্ধুত্বের বিকল্প নেই। ভারত তার ছোট ছোট প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহকে অর্থনৈতিক, সামাজিক বা সামরিক দিক থেকে কখনোই শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসাবে দেখতে চায় না। তারা চায় তাবেদার প্রতিবেশী। কথার ভোঁজভাজি ও পরোক্ষে শক্তির আস্ফালন দেখিয়ে তারা প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোকে দাবিয়া রাখছে। তবে বাংলাদেশ ছাড়া অন্য দেশগুলো এখন জেগে উঠেছে। বাংলাদেশের কবে হুঁশ হবে কে জান? কেননা লেখকের সাথে একমত যে বাংলাদেশের প্রায় সব বড় দলগুলো( জামাত ছাড়) ভারতের তাবেঁদারীতে নিয়োজিত। এমনকি যে বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে এককালে শ্রদ্ধা করতাম, তিনিও দেখছি জীবন সায়াহ্নে ভারতের তাবেদারীতে ব্যস্ত। কর্ণেল অলি সাহেবের জন্মদিনে নাকি মোদিজি wish করেন। হায় সেলুকাস কি বিচিত্র এই দেশ!
    Total Reply(0) Reply
  • নাহিদ ২৬ জুন, ২০২০, ৪:৫৭ পিএম says : 0
    সঠিক মন্ত্যব কি করবো জানি না। দুই দেশেই কাফের আছে। তবে হা ভারতের চেয়ে চীন ভালো।
    Total Reply(0) Reply
  • Humayun kabir ২৬ জুন, ২০২০, ৪:২০ পিএম says : 0
    একটা বহুল পরিচিত সংবাদ মাধ্যম ভুল বানান সহ সংবাদ উপস্থাপন করলে সেটা খুবই দৃষ্টিকটু দেখায়। "সাহাস"*
    Total Reply(0) Reply
  • এনায়েত রাব্বি ২৬ জুন, ২০২০, ৮:০৭ এএম says : 0
    আমার ধারনা বিরোধী দল চেয়েছিলো ভারত নিরপেক্ষ থাকুক।
    Total Reply(0) Reply
  • parvez khan ২৬ জুন, ২০২০, ৩:৫০ পিএম says : 0
    একজন দেশ প্রেমিক এর লেখা এমন ই হওয়া উচিত ❤
    Total Reply(0) Reply
  • সফিকুল ইসলাম ২৬ জুন, ২০২০, ৮:১৭ এএম says : 0
    ভারতের চেয়ে আমাদের জন্য লক্ষ হাজার গুন ভালো চায়না
    Total Reply(0) Reply
  • ইমরান নাজির ২৬ জুন, ২০২০, ৩:৩৪ পিএম says : 0
    এইখানে যা বলা হয়েছে আমার মনে হয় ৮০%ই সত্যি। চীনের ব্যাপারে একটু চোখ কান খোলা রেখে সিদ্ধান্ত নিলেই হবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Nayeemfh ২৬ জুন, ২০২০, ৩:১৫ পিএম says : 0
    আমি নিজেকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতেই পছন্দ করি। কিন্তু একটা কথা বলতে হল, বিরোধী দলকে তো সর্বদা ভারত বিদ্বেষী মনোভাব ই দেখাতে দেখলাম । তাহলে আপনি কোন দলের কথা লিখেছেন তা বললে ভালো হতো
    Total Reply(0) Reply
  • কাটানোটে। ২৬ জুন, ২০২০, ৪:৪৮ পিএম says : 7
    ...আর সর্মাথনকারি গুলো ওর বংষধর।যা না চিনের সাথে বুঝতে পারবি,উইঘুররা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে।যখন‌ই চিনের মানুষের শরিরের কোনো অঙ্গের দরকার হয় তখন উইঘুরদের একটাকে ধরে নিয়ে কিডনি থেকে শুরু করে যা যা দরকার কেটে নেয়। বেইমান গুলো আর আসবিনা ভারতে চিকৎসার জন‍্য,এবার থেকে চিনে বা পাকিস্থানে যাবি।...... একটা কথা মনে রাখবি ভারত যদি খাদ‍্য সামগ্র বন্ধ করে দেয় তবে না খেয়ে মরবি।নেপালকে দেখ এখন নুন খাচ্ছে ১০০টাকা কেজি সঃ তেল ৭০০ টাকা কেজি,পাকিস্থানের ও এক‌ই হাল টমেটো ২৫০/৩০০ টাকায় খাচ্ছে।আর তোরা তো পুরো না খেয়ে মরবি।
    Total Reply(1) Reply
    • elu mia ২ জুলাই, ২০২০, ৮:০৬ পিএম says : 0
      Kire .... ha ha ha?
  • Zahangir ২৬ জুন, ২০২০, ২:২৩ পিএম says : 2
    আসিফ সাহেবকে বলছি, এটা সত্য যে চীনের সাথেও তার ছোট প্রতিবেশীদের কিছু বিরোধ আছে। তবে, তা আমেরিকার কারণে। যাই হোক আমাদের ভোগলিক কারণে, সসর্বোপরি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ভারতের দাদাগিরি থেকে নিষ্কৃতি পেতে এবং আমাদের অর্থনৈতিক উউন্নয়নের সার্থে গনচীনকেই আমাদের দরকার, ভারতকে নয়। তাছাড়া, চীন যদি কখনও একটু খারাপও হয়ে থাকে, একটা প্রবাদ বাক্য মনে রাখতে হবে, " One should choose the lesser of the two evils." তবে, ভারতের সাথে কখনো বন্ধুত্বের জন্য উকালতি করা ঠিক হবে না।
    Total Reply(0) Reply
  • fedous oahid ২৬ জুন, ২০২০, ২:২৮ পিএম says : 0
    খুবই অসাধারন লিখেছেন,সময়োপযোগী বিশ্লেষণ। ভালো লাগছে।
    Total Reply(0) Reply
  • fedous oahid ২৬ জুন, ২০২০, ২:২৮ পিএম says : 0
    খুবই অসাধারন লিখেছেন,সময়োপযোগী বিশ্লেষণ। ভালো লাগছে।
    Total Reply(0) Reply
  • Buster Roy ২৬ জুন, ২০২০, ৬:০৬ পিএম says : 2
    ...ভারত নাহলে আজ অব্দি পূর্ব পাকিস্তান থেকে যেতো আর উর্দু ভাষা য় গালি দিতো,, যেই ভারতের খেয়ে পড়ে বেঁচে আছিস সেই ভারতের এখন পেছন মারা হচ্ছে,, তোরা তো দেখি nemokharam রে,, কিছু অসুখ হলেই সোজা india দৌড় dis কই China তে যাস না,, .......নেপালের অবস্হা এখন দেখিস গিয়ে কি হাল হয়েছে,, আমরা ato সহজে কিছু করি না কিন্তু একবার যদি করতে থাকি না কারো saddha থাকবে না আটকাতে আর বলিস আমাদের দেশের অর্থনীতি ভালো না,, একবার দেখে nis to কত নম্বর এ আছি, এই নাম্বার এ আসতে আসতে to সমুদ্রে র জল বেড়ে গিয়ে বাংলাদেশে dubei যাবে
    Total Reply(0) Reply
  • নমশের আলম ২৬ জুন, ২০২০, ৭:৪৯ পিএম says : 2
    একেবারে কাঁচা হাতের লেখা যা একপাক্ষিক সমালোচনা নির্ভর। এখানে আপনার ভারতবিরোধী ক্ষোভ লক্ষনীয়। আর তাই আন্তর্জাতিক রাজনীতির বিশ্লেষণ চিন্তায় উল্টোপথে হাঁটতে পরামর্শ দেয়া। আমেরিকা চীনকে মোকাবেলা করার জন্য এই অঞ্চলে ভারতকে শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় এর প্রমাণ তারা বার বার দিয়েছে এবং এবারেও দিবে এটাই সত্য। দ্বিতীয়ত চীন ভারতের মত শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার ঝুঁকি কখনো নিবে না। ভারতের সাথে এই দন্ধের মূলে আছে চীন সাগরে তাদের প্রভাব বৃদ্ধির কৌশল,আর এজন্য তাদের প্রয়োজন মায়ানমারকে,বাংলাদেশকে নয়‌ মিত্র তাঁকেই বলে যে সংকটের সময় পাশে দাঁড়ায়, কিন্তু রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের পথে বড় বাধা হয়ে আছে চীন। যুদ্ধ যদি বেঁধেই যায় তবে আমেরিকা, জাপান,অষ্ট্রেলিয়া ভারতের সাথে যুক্ত হবে। সাময়িক সুবিধা পেতে স্বাধীনতা যুদ্ধের শত্রুর পক্ষে গিয়ে প্রধান মিত্র ভারতের বিরুদ্ধে যাওয়ার অর্থ হল অকৃতজ্ঞ বেইমান জাতি হিসেবে পরিচিত অর্জন করা। নেপাল ভূটান মায়ানমার চীনের সীমান্ত রাষ্ট্র, কিন্তু আমাদের নয়। সংকট সৃষ্টি হলে সেখানে হুট করে চীনা সৈন্য প্রবেশ করবে। আমাদের এখন প্রধান শত্রু রাষ্ট্র মায়ানমার। আর সেখানে দেখুন মায়ানমার কোন কথা বলছে না। এভাবে ভারতবিরোধী মনোভাব পোষণ না করে সত্যিকারে শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করতে পরামর্শ দিন।
    Total Reply(1) Reply
    • elu mia ২ জুলাই, ২০২০, ৮:১১ পিএম says : 0
      ভারত চিন দুটাই আমাদের সত্রু।এখানে চিন বা ভারত কোণটারই চামচামি করা জাবেনা।আফসস এই বাংলায় তোমাদের মতো কিছু ভারত প্রেমি আসে যারা ভারতের কাসে হাজারবার ...মারা খাইলেও ভারতের সাপোর্টে কথা বলবা।
  • Abul Hasnat ২৬ জুন, ২০২০, ৬:৩৬ পিএম says : 2
    দাদাগিরি বেশ জনপ্রিয় জি বাংলায়। ভারত বাংলাদেশের মতো সব প্রতিবেশী দেশকে জি বাংলার স্টুডিও ভাবা শুরু করেছে।
    Total Reply(0) Reply
  • Jahangir alam ২৬ জুন, ২০২০, ৬:৩৮ পিএম says : 0
    আমাদের দেশের গণতন্ত্রের গান গাওয়া সরকার গুরু মেরুদণ্ডহীন হয়ে গেছে তাদেরকে অতি দ্রুত .... না করতে পারলে আমাদের বিপদ আছে অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাদের নিউজটি সময়োপযোগী ছিল
    Total Reply(0) Reply
  • কাইসার ২৬ জুন, ২০২০, ৭:৪৯ পিএম says : 0
    অসাধারন লিখেছেন আমাদের দেশের সকল মানুষ ভারত বিরুধী সরকার এর উচিত এই সুজুগটা গ্রহন করা
    Total Reply(0) Reply
  • Mohinul ২৬ জুন, ২০২০, ৭:৫৫ পিএম says : 0
    লেখাটা পড়ে খুবই ভালো লাগলো....ভারতের দালাল দেশের প্রতিটা জায়গায় প্রভাব বলয় নিয়ে বসে আছে .....সেইখানে এইরকম একটা লেখা সত্যিই প্রসংসার দাবি রাখে...
    Total Reply(0) Reply
  • Bikram ২৬ জুন, ২০২০, ৮:০৬ পিএম says : 0
    খুব ই ভালো লিখেছেন তবে নেপাল এর মতো জায়গা যখন চীনা আর্মি দখল করবে তখন যেন মুক্তি যুদ্ধের মতো সাহায্য না চান, আসলে আপনাদের মতো লোকের কাছে শিখতে হবে কি ভাবে যেই পাতে খায় সেই পাতে পেশাপ করা, তবে চিন এর সাথে বন্ধুত্ব করে ভারতের সাথে লাগবেন, তারপর দেখবেন আমাদের সেনা পাঠাতে লাগবে হাওড়া র গেট খুলে দিলেই হবে। আজ মনে হচ্ছে আপনাদের স্বাধীনতা এনে দেওয়া ভারত এর একদমই ভালো হয় নি,
    Total Reply(1) Reply
    • elu mia ২ জুলাই, ২০২০, ৮:২০ পিএম says : 1
      তোমাদের সৈন্যরা যে কি... সৈন্য তা তো দেখতাসি।বাংলাদেস তোগরে একবার .... দিসিল মুক্তিযুদ্ধের আগে অই্টা ভুলিস না।
  • আ ম কলম ২৬ জুন, ২০২০, ৯:০৪ পিএম says : 0
    নেতারা শুধু নিজেদের স্বার্থ নিয়ে বেশি ভাবে। আর এ জন্য প্রয়োজনে দেশকে ধ্বংস করতে তাদের একটু বাঁধে না ।ক্ষমতায় গেলে বিদেশে বাড়ি নিশ্চিত!!!
    Total Reply(0) Reply
  • প্রভাকর ২৬ জুন, ২০২০, ১১:৩৭ পিএম says : 0
    যিনি আপনাদের স্বাধীনতা আনতে সাহায্য করেছিলেন সেই ইন্দিরা গান্ধী 1984 পর্যন্ত ছিলেন। তার মৃত্যুর পর ইউ পি এ সরকার 2014।ভারত বিরোধী মনোভাব ই কিন্ত দায়ী, ভারত কোনদিন আপনাদের শত্রু ভাবেনি আর এখনো ভাবে না। সেই স্বাধীনতার সময় থেকে আপনাদের মতো কিছু মানুষ চায় নি যে, বাংলাদেশ স্বাধীন হোক, সেই তারাই আজও পাকিস্থানি এজেন্ডা চালিয়ে যাচ্ছেন এই লেখাটি তার ই প্রমান। আপনারা রাজাকার তাই হাসিনা সরকারের পররাষ্ট্র নীতি কে ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন। উঁইঘুর পরিস্থিতি বিচার করে সাবধানে পা ফেলুন আপনারা। আপনাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক।
    Total Reply(1) Reply
    • elu mia ২ জুলাই, ২০২০, ৮:১৬ পিএম says : 0
      বাংলাদেস সাধিন হইসে নিজেদের মুক্তি-যোদ্ধাদের মাদ্ধমে।ভারত সামান্য সাহায্য করসে তাদের নিজেদের সারথে।এরপর এই দেশ থেকে যত রকমের সুবিধা আসে সবি নিসে।ফালতু কথা বন্ধ কর।ভারতের মতো নোংরা দেশ যাদের বাথরুম এর অভাভ তাদের সাথে বন্ধুত্তের দরকার নাই।
  • Md Touhidul ২৬ জুন, ২০২০, ৯:৪৩ পিএম says : 0
    আমেরিকা তো এখন সেনা পাঠাবে।আমেরিকা ভারতের বন্দু নয়
    Total Reply(0) Reply
  • Bulet khan ২৬ জুন, ২০২০, ৯:৫৮ পিএম says : 0
    আমরা যদি ভারতের বলয় থেকে বেরিয়ে আসি তাহলে ভারতের জিডিপি 20/ persent কমবে সরকার না বুঝলে কি করার
    Total Reply(0) Reply
  • Rk Ismile ২৬ জুন, ২০২০, ৯:২৬ পিএম says : 0
    একজন সংবাদ মাধ্যমের সম্পাদকের চিন্তা ভাবনা এক জাতির উপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়া কোনো সম্পাদকের কাজ না । পরিস্থিতি বিচার করতে পারেন। সংবাদ পরিবেশন করতে পারেন। কিন্তু বন্ধু দেশের ঠিক বেঠিক নির্ণয় করা আপনার কাজ না । একজন সম্পাদক হিসেবে আপনি যা করছেন তাতে আপনি গ্রেফতার হতে পারেন ।
    Total Reply(0) Reply
  • MozammelHaqueSarker ২৬ জুন, ২০২০, ৯:৩০ পিএম says : 1
    Thanks for valuablecomments
    Total Reply(0) Reply
  • Surajit ২৬ জুন, ২০২০, ১০:০৫ পিএম says : 0
    খুব ভালো লিখেছেন, ভারত থেকে আলাদা হয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে গিয়েছিলেন, আবার তাদের অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে ভারতের শরনাপন্ন হয়েছিলেন এবং সম্মিলিত চেষ্টায় স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র হলেন, বাংলাদেশী হলেন, এখন আবার ভারতের বিরুদ্ধে জিগির তুলে চীনের সাহায্যে ধনী রাষ্ট্র হতে চাইছেন, দেখা যাক চীন নামক চক্রব্যুহ এবং অদ্রিষ্টের পরিহাস আবার ভারতের কাছেই হাত পাততে বাধ্য করে কিনা, তখন বুঝতে পারবেন প্রকৃত বন্ধু এবং নাড়ীর টান, আবার বিপদ কেটে গেলে আবার নয় ভারত বিরোধী জিগির তুলবেন , আবার আমরা মেনে নেব, কারন ঐ যে নাড়ীর টান, হায় বাঙালি , সত্যিই বাঙালির এত করূন অবস্থায়, কষ্ট হয়, ঘুঘুই দেখলেন চিরকাল, ঘুঘুর ফা৺দ দেখলেন না, তখন হোক আর এখন
    Total Reply(0) Reply
  • রুহুল আমিন ২৬ জুন, ২০২০, ১০:১০ পিএম says : 0
    লেখক কামরুল হাসান দর্পন যে লেখা লিখলেন,তা গ্রহনযোগ্য না।কারন ভারতের সংগে আমাদের অর্থনৈতিক,শিক্ষা,সেবা,সাংস্কৃতিক সহ বিভিন্ন সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। তাই ভারত ও বাংলাদেশ নিয়ে কোন কিছু লিখতে গভীর ভাবে চিন্তা করে তার পর লিখবেন। আর মূল ধারার সংবাদপএ ইনকিলাব পএিকা এমন সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য আহবান জানাচ্ছিি।
    Total Reply(0) Reply
  • Nir ২৬ জুন, ২০২০, ১১:০৭ পিএম says : 0
    খুবই খারাপ লাগল আর্টিকেলটা পড়ে। সুবিধাবাদী ই মনে হল লেখকের চিন্তাধারার প্রকৃতিকে। আমরা বাংলাদেশকে খুবই ভালবাসি।
    Total Reply(0) Reply
  • Aaa ২৬ জুন, ২০২০, ১১:১১ পিএম says : 0
    .... keep in mind 1971. This is story not fact. You will see.
    Total Reply(0) Reply
  • অনুপ হ‍্যান্ডেল ২৬ জুন, ২০২০, ১১:১৬ পিএম says : 1
    চিনের কাছ থেকে কত টাকা খেয়ে....
    Total Reply(0) Reply
  • Subrata ২৬ জুন, ২০২০, ১১:৩২ পিএম says : 0
    Ki je abol tabol likche, sudu Bangladeshi der mukhe hashi futanor lekha,
    Total Reply(0) Reply
  • Sultan Nuri ২৭ জুন, ২০২০, ১২:২০ এএম says : 0
    Good writing
    Total Reply(0) Reply
  • মাসুদ পারভেজ ২৬ জুন, ২০২০, ১০:৩৩ পিএম says : 0
    চীন ও ভারত আমাদের উন্নয়নের অংশিদার, একথা আমাদের সবাই কে মনে রাখতে হবে। ভারত আমাদের সাধীনতা যুদ্ধে সহায়তা করেছিল, এক কোটি মানুষ কে শরনার্থী হিসেবে যায়গা দিয়েছিল। চীন আমাদের উন্নয়নের অংশিদার হলেও 1971 সালের যুদ্ধে পরাজিত পাকিস্তানের পক্ষে ছিল। এমনকি যুদ্ধ শেষ হবার পরেও বাংলাদেশ কে সাধীন রাষ্ট্র হিসেবে সীকৃতি দেয় নি। 1975 সালের 15 আগষ্ঠ ট্রাজেডি তিন মাস পর সাধীন বাংলাদেশ হিসেবে মেনে নেয়। আমরা সবাই যতই ভারত বিরোধী মনোভাব তৈরি করি না কেন, আমাদের তিন দিক হচ্ছে ভারত। ভারত আমাদের উন্নয়ন অংশিদারও। ভারত একবার একটা পন্য রপ্তানি বন্দ করলে সেটা বাংলাদেশে কয়েকগুন বেড়ে যায়। সুতরাং ভারতকে বাদ দিয়ে চীন সঙ্গে গভীর করলে সরকার ও জনগণ বেকায়দায় পরবে এটাও মনে রাখতে হবে। নেপাল,ভুটান মালদীপ ও পাকিস্তান কি করল সেটা আমাদের উচিৎ হবে না।
    Total Reply(0) Reply
  • মনির ২৬ জুন, ২০২০, ১০:৩৪ পিএম says : 0
    পক্ষপাতী লেখা ছাড়া কিছুই নয় এটা লেখকের মনে স্পষ্ট ভারত বিরোধী মোনভাব লক্ষনীয়। যেখানে চীনের সরকারি নিউজ চ্যানেল লিখেছিল যে চীনের আর্মিরাও হতাহত হয়েছে কিন্ত কতজন হয়েছে সেটার সংখ্যা তারা প্রকাশ করবেনা কারণ চীন যদি এমন করে আর তাদের মারা যাওয়া আর্মির সংখ্যা ভারতের চেয়ে কম হয় তাহলে ভারতীয়রা তাদের সরকারের উপরে প্রেশার দেবে এবং ফলে উভয় দেশের মাঝে ঝামেলা আরো বেশী হবে। কিন্ত লেখক এসব খবরের থোড়াই কেয়ার করেন উনি তো মনগড়া লিখতেই ব্যাস্ত।
    Total Reply(0) Reply
  • Anand ২৬ জুন, ২০২০, ১০:৩৬ পিএম says : 0
    Ekei bole sangbadikota, boli eto jakhon bojhen, janen deser unnotite kaje lagan. Proti desher vetore ki hochhe apnar to sab jana dekhchi
    Total Reply(0) Reply
  • মুনাওয়ারুল ইসলাম অলি ২৬ জুন, ২০২০, ১১:৪৭ পিএম says : 0
    আবেগি লেখা,বাস্তবতার লেশমাত্র নাই। জনগনকে বিভ্রান্ত করার জন্য লেখা। রাজনীতিতে প্রকৃত বন্ধু বলে কিছু নাই। প্রকৃত বন্ধু শব্দটা কুটনৈতিক। সবাই তার নিজ নিজ স্বার্থ নিয়ে বন্ধুত্ব করে। রোহিঙ্গা নিয়ে চীন কি খেলা খেলছে তা দেশবাসী জানেন আর ভারত এক দিন ডাল পিয়াজ ইত্যাদি রপ্তানি বন্ধ করলে আমাদের কি অবস্থা হয় তাও দেশবাসী জানেন। বিস্তারিত ভাবে এ লেখার উত্তর দিতে রুচিতে বাধছে। দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করা উচিৎ নয়। আমাদের দেশের জনগন বোকা নয়।
    Total Reply(0) Reply
  • Faruk Hassan ২৬ জুন, ২০২০, ১১:৪১ পিএম says : 0
    খুব ই ভালো লিখেছেন তবে নেপাল এর মতো জায়গা যখন চীনা আর্মি দখল করবে তখন যেন মুক্তি যুদ্ধের মতো সাহায্য না চান, আসলে আপনাদের মতো লোকের কাছে শিখতে হবে কি ভাবে যেই পাতে খায় সেই পাতে পেশাপ করা, তবে চিন এর সাথে বন্ধুত্ব করে ভারতের সাথে লাগবেন, তারপর দেখবেন আমাদের সেনা পাঠাতে লাগবে হাওড়া র গেট খুলে দিলেই হবে। আজ মনে হচ্ছে আপনাদের স্বাধীনতা এনে দেওয়া ভারত এর একদমই ভালো হয় নি । ...
    Total Reply(0) Reply
  • Subhra Prakash Mondal ২৭ জুন, ২০২০, ১:১২ এএম says : 0
    এটাই হলো বাংলাদেশ কে স্বাধীন করার প্রতিদান। তবে ভারত আর চীনের পার্থক্য বুঝবে কয়েক বছর পরে যখন তিব্বতের মতো হাল হবে। আসলে তোমরা অরিজিনাল মুসলীম নাও , তোমরা বেশীর ভাগই রেডিক্যাল মুসলমান বা মোল্লা মনে তোমাদের নেগেটিভ ব্রেইন ওয়াশ কন্টিনিউ করা। ....
    Total Reply(0) Reply
  • G.Naskar ২৭ জুন, ২০২০, ১:১৩ এএম says : 0
    ভারত 20 লাখ কোটি টাকার প‍্যাকেজ ঘোষনা করেছে। আর চিন
    Total Reply(0) Reply
  • Pratap Singh ২৭ জুন, ২০২০, ৯:১২ পিএম says : 0
    Bangladesh is indebted to India for their freedom. If India seal its border with Bangladesh, the people of Bangladesh will have to starve. So don't cross limit.
    Total Reply(0) Reply
  • PALASH BISWAS ২৭ জুন, ২০২০, ১:৪৫ এএম says : 2
    Bharat toder ar ki debe re..! Puro desh tai to diye diyechhe.chhili Bharat, holi pakistan,ekhon Bangladesh ar emon monobhab thakle hobi Chin.
    Total Reply(1) Reply
    • elu mia ২ জুলাই, ২০২০, ৮:২৪ পিএম says : 1
      ঐ ... আমরা ছিলাম এবং আসি একটা মুসলিম দেস।নবাব সিরাজুদ্দুল্লার নাম সুনস নাই।বাংলা বিহার আর উরিসসা আমদের ছিল।
  • Suman das ২৭ জুন, ২০২০, ১১:৪১ এএম says : 4
    ভাই এই লোক কে রে?? বেশির ভাগ ভুল
    Total Reply(0) Reply
  • Mohd Ikbal ২৭ জুন, ২০২০, ১০:৫৩ এএম says : 1
    Apnar iñternational juornalism somporke kono idea nei...
    Total Reply(0) Reply
  • Kumar Uttam ২৭ জুন, ২০২০, ১২:২১ পিএম says : 1
    .............. চিন তার প্রতিবেশীদের প্রতি কুকুর ছাগলের মতো ব‍্যবহার করে। তীব্বত, ভিয়েতনামের প্রতি চীনের আগ্ৰাসি নীতি সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারনা ছাড়াই অন্ধভক্তের মতো লেখা।
    Total Reply(0) Reply
  • subhendu ghosh ২৭ জুন, ২০২০, ১১:৪৫ এএম says : 0
    আমি খবরটা পড়ে হাসবো না মজা করবো ভাবছি...আগে ঠিক করে খবর নিন..তার পর প্রকাশ করুন.. ভারতের 20জন শহীদ হয়েছেন এটা যেমন ঠিক, তেমনি চীনের ও সেনা ভারতের থেকে বেশি মারা গিয়েছে..
    Total Reply(1) Reply
    • elu mia ২ জুলাই, ২০২০, ৮:২৫ পিএম says : 1
      হিন্দু ... সহিদ হয়না সাগল।
  • Amit ২৭ জুন, ২০২০, ৮:৪৬ পিএম says : 1
    India theke bangladeser bordar bandho kore dite habe jate indiar kono khabar bangladese na jai Tahole hare hare ter paben
    Total Reply(0) Reply
  • আহমেদ হাসান ২৭ জুন, ২০২০, ৯:৩৯ এএম says : 0
    ইন্টারনাশনাল নিউজ দেখুন। চীন ব্যাকফুটে আছে। চীনের সঙ্গে কোন বড়ো দেশ নেই। .................
    Total Reply(0) Reply
  • Faruq mia ২৭ জুন, ২০২০, ৮:০৯ এএম says : 0
    Khub valo likhesen
    Total Reply(0) Reply
  • Sohel babla ২৭ জুন, ২০২০, ৯:১২ এএম says : 0
    India best than china,tomra China somporke ki jano kokono ki tader sate kaj koreso tahole bujte,aj sobai indier biporit sudu modir karone seta sobai jane tai india valo bassena,tobe ata truej india economic vabe durbol hoitece
    Total Reply(0) Reply
  • Goutamchowdhury ২৭ জুন, ২০২০, ৮:১৫ এএম says : 0
    Akta kancha mather India birodhi lekhkhok
    Total Reply(0) Reply
  • S C Sarkar ২৭ জুন, ২০২০, ৯:০৫ পিএম says : 0
    Bangladesh Bharater Dan eta puro bhule Galen ki kore. Chin Wieghuru Muslimder ki korechhe ta akbaro mathay aseni. Chiner bandhu Kim Jong Un, Pakistan Banladesh ki sei dale dhukbe. Pakistaner sange Bharat Judhhe na jitle Banladesher janmo hoto ki bhabe.Nimak haramir ekta sima thaka darkar. Apnar li jana achhe Pakistaner 90000 sainya Bharater hate bandi hoechhilo Bharat taderke daya kore diyachhe. Bharat Bangladeshke sadhin kore diyechhe sudhumatra akta bhalo pratibeshi poar janya. Apnader mato kichhu Pakistan panthir janya seta jeno nasto na hoi.
    Total Reply(0) Reply
  • তপন মুখার্জি ২৭ জুন, ২০২০, ৭:১২ পিএম says : 0
    সমস্ত কিছু ই পড়ে মনে হল যিনি লিখেছেন তিনি আন্তর্জাতিক রাজনীতি সম্বন্ধে গভীর জ্ঞান অর্জন করেছেন ! চীনের রাজনীতি ও ভাল বোঝেন! ভারতের ভাবমূর্তি কে এক সাম্রাজ্যবাদী দেশ কল্পনা করে চীনের জয়গান করতে গিয়ে এমন তালগোল করে ফেলেছেন যে বাংলাদেশের কিসে ভাল হবে সেটা ই ভুলে গেছেন । সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায় যদি বাংলাদেশ চীনের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যায় । না কি বলেন ? আর তা হলে সোনায় সোহাগা হবে । তিব্বতী বৌদ্ধ ও উরঘুই মুসলমানদের মত সুখে থাকবেন !
    Total Reply(0) Reply
  • Anymous ২৭ জুন, ২০২০, ৭:৫০ পিএম says : 0
    ....bap bap hoi seta proman kore dilo varot....tai to voye chin har manlo...r bangladesh o to varoter....varot gurutto na dile hoito bangladesh name kono desh map ei thakto na
    Total Reply(0) Reply
  • Ashis ২৭ জুন, ২০২০, ৫:৫৮ পিএম says : 0
    লেখক কি উদ্দেশ্যে লেখা টি লিখেছেন? আদৌ কি তার বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসা আছে? চীনের নিজেদের দেশবাসীর প্রতি ব্যবহারের খবর কি উনি রাখেন? ব্রিটিশ উপনিবেশ সম্পর্কে কি উনার কোন ধারনা আছে? বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আবার উপনিবেশ তৈরীর পথ চীন পরিষ্কার করছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু দেশ চীনের পাতা ফাঁদে পা দিয়েছে। আশার কথা বাংলা দেশের সরকার ঐ ফাঁদে পা দেয়নি। কিছু লোক মরীচিকা দেখছে আর আমরা হাসছি।
    Total Reply(1) Reply
    • elu mia ২ জুলাই, ২০২০, ৮:২৭ পিএম says : 0
      ভারত কি করতাসে সবার সঙ্গে এইটা সবাই জানে।নেপাল,শ্রীলঙ্কা এর জন্যই ভারতরে ত্যাগ করসে।
  • Debasis Chakraborty ২৭ জুন, ২০২০, ৯:২৭ এএম says : 0
    চিন্তিত হবেন না। চীন এবার এমন শিক্ষা পাবে সেটা সারাজীবন মনে রাখবে। আপনাদের কষ্টটা আমরা বুঝি। ...........................
    Total Reply(0) Reply
  • Mahadeb Mantri ২৭ জুন, ২০২০, ৮:৪৭ এএম says : 0
    ভারত ভারতই থাকবে। পেছন থেকে সবাই নুনের ছিটা মারবে। কিন্তু কিছু করতে পারবে না। দেখবে আর জ্বলবে।
    Total Reply(0) Reply
  • পরিতোষ ২৭ জুন, ২০২০, ১২:৫৬ পিএম says : 1
    আপনার জ্ঞান এর ভাণ্ডার দেখে ভালো লাগলো। এরকম জ্ঞান নিয়ে যে কোনো সংবাদপত্রে লেখা যায় তা জানা ছিলো না।নূন্যতম একটা যোগ্যতা থাকা দরকার।
    Total Reply(0) Reply
  • Nushrat Jahan ২৭ জুন, ২০২০, ২:১৭ পিএম says : 1
    Alhumdullallah..onak shundor lekachen
    Total Reply(0) Reply
  • Ah khan ২৭ জুন, ২০২০, ৮:১৯ পিএম says : 1
    অ‌নেক দিন পর খুব ভা‌লো একটা সংবাদ শুনলাম, আনন্দ‌ে বুকটা ভ‌রে গেল।
    Total Reply(0) Reply
  • MD.FARHAD ২৭ জুন, ২০২০, ১১:৫৭ এএম says : 0
    Indiar sathe sababik somporko reke,chainar sathe somporko haranor maddome desh k military and economic powerful korte hobe.
    Total Reply(0) Reply
  • Animesh ghosh ২৭ জুন, ২০২০, ১:৩২ পিএম says : 0
    আসল কথা হলো যারা অকৃতজ্ঞ,অক্ষম, অপদার্থ তাদের কাছে এর থেকে ভালো কিছু আশা করা যায় না
    Total Reply(0) Reply
  • safiqurrahaman ২৭ জুন, ২০২০, ৭:৩৭ পিএম says : 0
    বিখ্যাত এক
    Total Reply(0) Reply
  • টাইগার ২৭ জুন, ২০২০, ৮:৩২ পিএম says : 2
    বাংলাদেশের বারো হাত কাপরের তেরো হাত বিচি। ...চিন্তা করোনা ডিয়ার তোমাদের অবস্থাও পাকিস্তানের মত হবে না ঘরকা না ঘাটকা....
    Total Reply(0) Reply
  • M s uddin ২৭ জুন, ২০২০, ৬:০৯ পিএম says : 1
    Excellent I hope our politicians and so called nagarik samaj will read the full writing and wake up
    Total Reply(0) Reply
  • অশোক ২৭ জুন, ২০২০, ৯:৩৫ পিএম says : 0
    লেখাটা পড়ে লেখকের খুব একটা বিচক্ষণতার পরিচয় দেখতে পেলাম না । চিনের সাথে ভারতের সংঘাতে বাংলাদেশ কি শক্তিশালী হয়ে উঠবে , আজ নেপাল যেটা করছে সেটা চিন নেপালকে দিয়ে করাচ্ছে অথবা নেপাল সেটা করতে বাধ্য হচ্ছে । যেটা চিন পাকিস্তানকে দিয়ে শুরু করেছিল এবং পাকিস্তান এখন চিনের কলোনি এটা আর কিছুদিনের মধ্যে সারা পৃথিবী দেখতে পাবে । নেপালি নাগরিকের একটা বড় অংশ ভারতে বসবাস করে স্থায়ী এবং অস্হায়ী দু ভাবেই,তাঁরাও চায়না কোনরকম সংঘাত, তেমন ভাবে অনেক ভারতীয় ব্যবসায়ী নেপালে থেকে ব্যবসা করছে । ১২৫ কোটির ভারতে পৃথিবীর সমস্ত দেশ চায় ব্যবসায়ীক লেনদেন করতে , চিনা অর্থনীতির একটা বড়সড় অংশ লেনদেন হয় ভারতের সাথে এখন ভারতে চিনা জিনিস পত্র বর্জনের হাওয়া চলছে যদি একবার সেই হাওয়া লেগে যায় তাহলে চিনের কাছে সেটা একটা বড় ধাক্কা হয়ে দাড়াতে পারে । বর্তমানে করোনা আবহাওয়ায় পৃথিবীর অনেক কর্পোরেট হাউস ভারতে ঢোকার অপেক্ষায় । আজ যারা ভারতের অর্থনীতি নিয়ে হাসছেন তারা ভারতের ভৌগলিক অবস্থানটা দেখলে বুঝতে পারবেন এক ভারতের মধ্যে অনেক গুলো ভারত যেমন কৃষি নির্ভর ভারতের একটা অংশে অনাবৃষ্টি আর এক অংশে বৃষ্টি স্বাভাবিক ভাবে থাকায় কৃষিনির্ভর ভারতের অর্থনীতি সামলে যায় । এক ইওরোপের কয়েকটা দেশ মেলালে যত জন ধনী ব্যক্তিআছে এক ভারতে তারচেয়ে ও বেশি সংখ্যক ধনী পরিবারের বাস । আমি এখানে দুটো জিনিসের কথা বলবো চিকিত্সায় বাংলাদেশ অনেক বেশী ভারতের উপর নির্ভর । বিশেষ করে হার্ট এবং ক্যানসার এই দুটো রোগের চিকিত্সার জন্য ভারতীয় ডাক্তারদের অবদান অকল্পনীয় । আজ যারা চিনকে স্বাগতম করছে চিনের প্রেমের মাশুল অনেক ভারী হয়ে যাবে । রোহিঙ্গা সমস্যা বাংলা দেশের মত ভারতেও আছে তারা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ছরিয়ে ছিটিয়ে আছে । যে ভারত, বাংলাদেশকে একদিন স্বাধীনতা এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে নিজেকে উজার করে দিয়েছিল সেই ভারত বাংলাদেশের ভালো বইকি খারাপ চাইবে না ।
    Total Reply(0) Reply
  • হান্দুরাই ২৭ জুন, ২০২০, ১০:০০ পিএম says : 0
    ....নিজের পায়ে কুরুল মেরোনা।
    Total Reply(0) Reply
  • নুরুল আবছার ২৭ জুন, ২০২০, ১০:১৭ পিএম says : 0
    আসলে একটা কথা ক্ষমতা দেয়ার মালিক আল্লাহ এবং নেওয়ার মালিকও আল্লাহ এই কথাটার মাঝে আমি কাউকে বসাতে চাই না তবে ভারত আমাদের সাতে যে গুলা করতেছে এগুলা মোটোও শোভনীয় নয় অত্যাচার নির্যাতন বুক বাংলাদেশের মানুষ ইন্ডিয়া থেকে আমরা কখনো এগুলো আশা করি না সরকার ক্ষমতার জন্য পাগল হয়ে গেছে কিন্তু একটা প্রতিবাদ টু শব্দ পর্যন্ত করতেছে না ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে কিন্তু সাধারণ জনগণ 99 পার্সেন্ট ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে চলে গেছে কারণ টা বুঝতেছেন সব তো বলতে হচ্ছে না আর খুব ভালো লেখছেন ধন্যবাদ
    Total Reply(0) Reply
  • সুব্রত ২৭ জুন, ২০২০, ১০:৩১ পিএম says : 1
    এই সব নির্বুদ্ধিতাড় কথা শুনে হাসি পাচ্ছে । ভারত আছে বলে তোমরা ভালো আছো । চীনের বিশ্ব ইতিহাসটা ঘেঁটে দেখো ।একবার ঘাড়ে চাপলে পরে বুঝতে পারবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Moazzem Hossain Hridoy. ২৮ জুন, ২০২০, ২:২৯ এএম says : 1
    Bangladesh needs Chinese strong co-operation to limit Indian Influence. India is much more HAWKISH on Bangladesh than be a good Neighbor .
    Total Reply(0) Reply
  • মোহাম্মদ মোসাদ্দেক পুর রহমান ২৭ জুন, ২০২০, ১১:৪৪ পিএম says : 2
    No comments
    Total Reply(0) Reply
  • swapan sarkar ২৭ জুন, ২০২০, ১১:৪৪ পিএম says : 0
    পাটিলের মধ্যে ঢুকে থেকে লেখালেখি করলে প্রকৃত অবস্থা বোঝা যায়না।
    Total Reply(0) Reply
  • Debayan ২৮ জুন, ২০২০, ২:৩৪ পিএম says : 0
    I am an Indian. I understand your view. But tell me one thing, do you know what is going on inside China. I am sure you may get some doubt
    Total Reply(0) Reply
  • habib ২৮ জুন, ২০২০, ১০:৩৮ এএম says : 0
    India is a hypocrisy country specially N Modi BJP and RSS. India never become a good friend of Bangladesh an history said....India is a country that they dont have any good relation between neighbor....
    Total Reply(0) Reply
  • BAIDYA NATH MONDAL ২৮ জুন, ২০২০, ৩:১১ পিএম says : 0
    Purani diner kata bhule Gela bandhura
    Total Reply(0) Reply
  • Swapan Paria ২৮ জুন, ২০২০, ৭:০৮ পিএম says : 2
    ওরকম মনে হয়। ভারতের অবস্থা যথেষ্ট ভালো তোদের কাংলাদেশ এর মতো নয়। আসল খবর গুলো দেখ ভারত কতটা শতিশালী
    Total Reply(0) Reply
  • সৌরভ ২৮ জুন, ২০২০, ৬:৩৫ পিএম says : 1
    আবালের মতো লেখা,যার বাস্তব কোন ভিত্তি নেই। ভুল তথ্যে ভর্তি পুরো লেখাটা। লেখার আগে আরো ভালো করে পড়াশোনা করা উচিত ছিল,পুরো অশিক্ষিতের মতো লেখা।। এটা পড়ে বুঝলাম বাংলাদেশের প্রকৃত বন্ধু চীন আর পাকিস্তান।। আসলে বাংলাদেশী কিছু মানুষ আছে ওরা যাদের খায় তাদেরই নিন্দা করে।
    Total Reply(0) Reply
  • MD Tamim ২৮ জুন, ২০২০, ৮:৩৫ পিএম says : 1
    ধন্যবাদ ইনকিলাব, বেশির ভাগ পত্রিকা ভারতের পাচাটা,তাই আসল কথা গুলি লিখেনা।
    Total Reply(0) Reply
  • আবদুল্লাহ ২৮ জুন, ২০২০, ১০:৫৫ পিএম says : 0
    ক্ষমতা দেয়ার মালিক মহান আল্লাহ ।
    Total Reply(0) Reply
  • md omor ২৮ জুন, ২০২০, ৭:৪৩ এএম says : 1
    এখানে যত কমেন্ট করেছে এরা ৮০% বাংলাদেশ সাধারণ মানুষ নয় তারা ভারতের পক্ষ নিয়ে সব সময় কাজ করে আর এরকরম পোস্ট তারা সব সময় নজর দারিতে রাখে তাই ভারতের আগ্রাসী পক্ষে কমেন্ট লাইক বেশি হয়ে থাকে আপনাকে স্যালুট বাস্তবিক কথা গুলো তুলে ধরার জন্ন্য মনে রাখবেন এখানে যারা আপনার পোস্টটা কে ডিনাই কররেচে এর সারা বাংলা দেশে এ কজন কারন এরা সব সময় ভারতের বিপক্ষে যায় এমন পোস্ট নজর দারিতে রাখে তাই ডিজে লাইক নেগেটিভ কমেন্ট বেশি হয়ে থাকে বাস্তব ১৮ কুটি মানুষের মাজে এরা এ কজন
    Total Reply(0) Reply
  • Pradip Chandra Saha ২৮ জুন, ২০২০, ৮:১৪ এএম says : 1
    Manuske ulta pàlta bole bharat er bippokhe gore tula hosce ai news kaaj. Aage bharat somporke valo kore janun tarpor news prochar korben.
    Total Reply(0) Reply
  • Iftekharul islam ২৮ জুন, ২০২০, ১১:৩৪ পিএম says : 0
    Bangladeshe onek lok indiar pokkahe kotha bole kintu indiate bangladesher pokkahe kotha bolar akte lok o nai
    Total Reply(1) Reply
    • elu mia ২ জুলাই, ২০২০, ৮:৩১ পিএম says : 0
      এই দেশে ভারতের গোলাম বেশি তাই ভারতের পক্ষে কথা বলে।
  • Iftekharul islam ২৮ জুন, ২০২০, ১১:৩৪ পিএম says : 1
    Bangladeshe onek lok indiar pokkahe kotha bole kintu indiate bangladesher pokkahe kotha bolar akte lok o nai
    Total Reply(0) Reply
  • নাঈম ২৯ জুন, ২০২০, ১১:১২ এএম says : 0
    ভারতের আধিপত্যবাদ বা দাদাগিরি উপেক্ষা করে যখন তার অধিকাংশ প্রতিবেশী চলে গেছে, তখন তার শেষ সঙ্গী হিসেবে কেবল আমরাই রয়ে গেছি। এখানে আমরা বলতে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ নয়, সরকার ও বিরোধী দলকেই বোঝানো হয়েছে। তারা এখনও বিশ্বাস করে, ক্ষমতায় থাকা ও যাওয়ার একমাত্র পথ ভারতের আশীর্বাদ। এ আশীর্বাদ না থাকলে ক্ষমতায় থাকা ও যাওয়া যায় না। ফলে সরকারি দল ও বিরোধী দল উভয়েই ভারতকে তুষ্ট ও সন্তুষ্ট রাখা নিয়ে এক ধরনের অদৃশ্য প্রতিযোগিতায় লিপ্ত।
    Total Reply(0) Reply
  • Adhi ২৯ জুন, ২০২০, ৯:০৬ পিএম says : 0
    Baje lekha..
    Total Reply(0) Reply
  • Md.Nazrul Islam ৩০ জুন, ২০২০, ৯:১২ এএম says : 1
    story is true
    Total Reply(0) Reply
  • Md.Nazrul Islam ৩০ জুন, ২০২০, ৯:১১ এএম says : 1
    True
    Total Reply(0) Reply
  • lok ১ জুলাই, ২০২০, ৮:১৭ পিএম says : 0
    china jibon bor bangladesher birodita korche ar amra china kei valo bolchi amra asole na bogei montobbo kori.je riport ia korche se sangbadik noi sangdatik,
    Total Reply(0) Reply
  • elu mia ২ জুলাই, ২০২০, ৮:৩৬ পিএম says : 0
    এই খবরে ভারতের বেহায়া দালাল আর হিন্দুদের মাথা খারাপ হইয়া গেসে।অদের গায়ের চুল্কানি দেখে খুব মজা লাগতাসে।আপনের লেখাটা ভাল হইসে কিন্তু মনে রাখতে হবে চিন আর ভারত কোনোটাই এই দেশের বন্ধু নআ।তাই আমাদের হিসাব করে খেলতে হবে।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: চীন


আরও
আরও পড়ুন