Inqilab Logo

ঢাকা, রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২০, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৮ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

অপ্রয়োজনীয় মামলায় ব্যস্ত আদালত

রেকর্ডে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ উপেক্ষিত ৩৭ লাখের বেশি বিচারাধীন ন্যায়বিচার নয়, প্রতিপক্ষ ঘায়েলই উদ্দেশ্য : গুরুত্বহীন মামলায় কর্মদিবস পার : বাড়ছে মানুষের ব্যয়-ভো

সাঈদ আহমেদ | প্রকাশের সময় : ২৯ জুন, ২০২০, ১২:০১ এএম

মামলাবাজ চক্রের দায়ের করা অপ্রয়োজনীয় মামলায় ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে আদালতকে। এই চক্র বিশেষ উদ্দেশে বছরের পর বছর মামলা টেনে নেয়। অন্যদিকে যাদেরকে আসামি করা হয় যুগ যুগ ধরে তারা টানেন মামলার ঘানি। আদালতের বারান্দায় ছুটোছুটিতে বিক্রি করেন সহায়সম্বল। মাঝখান থেকে পকেট ভারী হয় আইনজীবী এবং সহায়ক কর্মচারীর। ন্যায় বিচার লাভ কিংবা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই যেন মামলার মূল উদ্দেশ্য নয়।

প্রতিপক্ষকে ঘায়েল, জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলা, সামাজিক এবং অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দেয়াই যেন মূল লক্ষ্য। আইনের শাসনের প্রতি বুড়ো আঙুল প্রদর্শনকারী মানুষের ব্যক্তিগত রেষারেষি, বৈরিতা, শত্রুভাবাপন্ন প্রবণতার মাঝখানে পড়ে বিচার বিভাগের এখন ত্রিশঙ্কু অবস্থা। বিচারকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে মামলা নিয়ে। বিচারক, জনবল ও আদালত বাড়িয়েও কমছে না এমন অপ্রযোজনীয় মামলাজট। এক মামলা থেকে সৃষ্টি হচ্ছে একাধিক মামলা। এসব মামলা নিয়েই বছরের পর বছর ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে আদালতকে।

অপ্রয়োজনীয়, গুরুত্বহীন মামলার কারণে বিঘ্নিত হচ্ছে প্রকৃত মামলার বিচার। অনিয়ন্ত্রিত মামলা-প্রবাহের তোড়ে ভেসে যাচ্ছে প্রয়োজনীয় মামলার বিচারের দাবি। সরকারকে বহন করতে হচ্ছে অতিরিক্ত ব্যয় ভার। বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বিচার বিভাগ, মামলা সংস্কৃতি, দুর্ভোগ ও বিচারপ্রাপ্তি নিয়ে কোনো গবেষণা নেই। মানুষের মধ্যে মামলা করা বেড়ে যাওয়ায় বেড়েছে জট। কেন মানুষ মামলা প্রবণ হয়ে উঠছে, কারণটির গভীরে সরকারকে হাত দিতে হবে। বিষয়টি মনস্তাত্তি¡ক নাকি বাস্তবিক কোনো সঙ্কট থেকে ভেবে দেখা দরকার।

আইনজ্ঞদের মতে, সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনের আশ্রয় নিতে পারেন যেকোনো নাগরিক। আর এই অনুচ্ছেদটির দায়িত্বহীন চর্চাই বাড়িয়ে তুলছে ‘অপ্রয়োজনীয়’, ‘উদ্দেশ্যমূলক’ ও ‘মিথ্যা মামলা’র সংখ্যা। ফৌজদারি কার্যবিধিতে এক সময় মামলা রেকর্ডের আগে যাচাই-বাছাইয়ের বিধান ছিলো। পরে তা বাতিল করে দেয়া হয়। এখন যেকোনো ব্যক্তি যে কারো বিরুদ্ধে ঠুকে দিচ্ছে মামলা।

এ ক্ষেত্রে মামলাকারীকে মামলা নিবন্ধনকারীর অধিকার রয়েছে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে প্রশ্ন করার। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে মামলা রেকর্ড করার। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণও রয়েছে এ বিষয়ে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেটি প্রতিপালিত হয় না। পুলিশ প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং স্থানীয় প্রভাবশালীদের প্রভাবের কারণে মামলা রেকর্ডকারী পুলিশ কর্মকর্তা মামলাকারীকে সেই প্রশ্ন করেন না। প্রাথমিক অনুসন্ধান ছাড়াই দায়ের হচ্ছে মামলা।

মিথ্যা ও দুর্বল প্রেক্ষাপটে দায়ের করা এসব মামলার পেছনেই ছুটতে হচ্ছে পুলিশ প্রশাসনকে। পুলিশি হয়রানি ও গ্রেফতারের ভয়ে ঘরে থাকতে পারেন না আসামি। জামিনের জন্য আসামিকে রাতদিন পড়ে থাকতে হচ্ছে আদালতের বারান্দায়। গুরত্বপূর্ণ সব মামলা রেখে বিচারককে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে মিথ্যা, ভুয়া এবং গুরুত্বহীন ব্যক্তিগত মামলার আসামির জামিন শুনানি নিয়ে। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন সূত্র জানায়, দেশের আদালতে এখন ৩৭ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন। ক্রমবর্ধিষ্ণু এ সংখ্যার লাগাম টেনে ধরা না গেলে ২০২২ সালে এ সংখ্যা দাঁড়াবে ৫০ লাখে। মামলাকে উপজীব্য করে যারা জীবিকা নির্বাহ করেন, সেই বিশেষ পেশাদার জনগোষ্ঠির জন্য এ সংখ্যা হয়তো পোয়াবারো।

ভুক্তভোগীরা ঘটি-বাটি-ভিটি বিক্রি করে মামলার অর্থের যোগান দেন, যারা মামলার বিচার ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছেন কিংবা সরকার যে মানুষকে আইনের শাসন ও ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার শপথ নিয়েছে তাদের জন্য এটি দুশ্চিন্তারই কারণ! পুলিশ সদর দফতর সূত্র জানায়, ২০১১ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সারাদেশে নারী নির্যাতনের মামলা দায়ের হয় এক রাখ ২৮ হাজার ১১৭টি। কিন্তু পুলিশি তদন্তে মামলাগুলোর ৯০ শতাংশই ভুয়া প্রমাণিত হয়।

সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেন, নারী নির্যাতন মামলার ৮০ শতাংশই মিথ্যা মামলা। সাবেক আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, যৌতুক নিয়ে যেসব মামলা হয়, তার ৯০ শতাংশই মিথ্যা। অথচ বিশে^র বিভিন্ন দেশে সহজে এ ধরণের মামলা হয় না। যদি মামলা দায়ের হয়ই তাহলে সেগুলোর সাজার হার শতভাগ। অথচ আমাদের দেশে ৮০ ভাগ মামলায় আসামি খালাস পায়। মূল কারণ হচ্ছে, মামলাগুলো অধিকাংশই মিথ্যা।

শুধু নারী নির্যাতন দমন আইনে দায়েরকৃত মামলাই নয় প্রাতিষ্ঠানিকভাবেও অনেক মামলা পরবর্তীতে ‘মিথ্যা’ প্রমাণিত হয়। বিদ্যমান সরকারের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন, পরিস্থিতি সামাল দিতে জনমত প্রশমনে, পরিস্থিতি বুঝে কখনো বিভিন্ন রকম উদ্দেশ্য হাসিলে প্রতিষ্ঠানগুলো দায়ের করে মামলা। এ তালিকায় রয়েছে থানা পুলিশ, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মতো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানও।

দুদক ওয়ান-ইলেভেনের সময় প্রায় আড়াইশ’ মামলা দায়ের করে। যা পরে উচ্চ আদালতে ‘মিথ্যা’ এবং ‘উদ্দেশ্যমূলক’ হিসেবে বাতিল হয়ে যায়। পাটকল শ্রমিক নিরাপরাধ জাহালমের বিরুদ্ধে গত বছর ৩৬টি ভুয়া চার্জশিট দাখিল করে দুদক। পরে তা মিথ্যা প্রতিপন্ন হয় এবং জাহালমকে খালাস দেয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। অথচ এই ভুয়া চার্জশিটের ভিত্তিতে জাহালমকে আড়াই বছর কারাভোগ করতে হয়। আদালতের বিচারককে দিনের পর দিন শুনানি গ্রহণ করতে হয় মামলাগুলোর ওপর।

এনবিআর দায়েরকৃত বহু মামলাই উচ্চ আদালতে বাতিল হয়ে যায়। ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় প্রচলিত আইনে দায়েরকৃত ‘রাজনৈতিক হয়রানিমূলক’ বিবেচনায় অন্তত ১০ হাজারের বেশি মামলা প্রত্যাহার করে নেয় পরবর্তী সরকার। তবে পরবর্তী বছরগুলোতে শত শত মামলা দায়ের করা হয়। যা ‘গায়েবি মামলা’ হিসেবে পরিচিত। এসব মামলায় আসামির সংখ্যা ৭ লাখেরও বেশি। এসব মামলায় লাখ লাখ আসামি আদালতে এখনো হাজিরা দিচ্ছেন। আদালত তাদের জামিন শুনানিতে ব্যস্ত থাকছেন তারিখের পর তারিখ। ব্যক্তিগত পর্যায়ের রেষারেষি, ভিন্ন মতের প্রতি অশ্রদ্ধা, অসহিষ্ণুতার কারণে গত দুই বছরে ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট’ এ মামলা দায়েরের সংখ্যা বেড়েছে অনেক।

জনস্বার্থে, আদালত অবমাননা, মানহানি, রাষ্ট্রদ্রোহিতা, ধর্মীয় অনুভ‚তিতে আঘাত হানার মামলাও দায়ের হচ্ছে অহরহ। এসব মামলা আইনজীবী এবং আদালত সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারিদের আয়-রোজগার বৃদ্ধি করলেও প্রয়োজনীয় মামলায় সাধারণ বিচারপ্রার্থীদের ওঠছে নাভিশ্বাস। দৃষ্টি আকর্ষণ, সরকারের সুনজরে পড়া, চাঞ্চল্য সৃষ্টি, পরিচিতি লাভ, বিখ্যাত হওয়া, আলোচনায় আসা, সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হওয়ার লোভ থেকেও অনেক মামলা হয়। অথচ এসব মামলায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য সুদূর পরাহত। কিন্তু সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণেই এসব মামলা নিয়ে আদালতকে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে দিনের পর দিন।

অপরাধের শাস্তি কিংবা সমস্যার প্রতিকার নয় ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করতেই দায়ের হয় মামলা। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রতিটি নাগরিকের আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার রয়েছে। তাই কাউকে মামলা থেকে নিবৃত রাখার অধিকার কারও নেই। এ ‘অধিকার’র দায়িত্বহীন প্রয়োগের মাধ্যমে হরণ করা হচ্ছে অন্যের অধিকার। নামমাত্র খরছে একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে দায়ের করছে মামলা। একটি ঘটনায় আসামি করা হচ্ছে একাধিক মানুষকে। ফাঁসিয়ে দেয়া হচ্ছে পরিবার, পাড়া, মহল্লা এমনকি গ্রামের পর গ্রাম। মামলা দিয়ে গ্রামকে ‘পুরুষ শূন্য’ করে দেয়ার ঘটনা অহরহই ঘটছে।

মামলা জট প্রসঙ্গে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট ‘ব্লাস্ট’র এর উপ-পরিচালক (্আইন) অ্যাডভোকেট বরকত আলী বলেন, মামলা থেকে বিরত রাখতে গণসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। এ লক্ষ্যে ব্লাস্ট বহু ঘটনার নিষ্পত্তি করেছে সালিশের মাধ্যমে। বছরে গড়ে ৪ হাজার ঘটনার নিষ্পত্তি করছি সালিশ করে। এগুলো মামলায় পরিণত হলে আদালতের ওপর চাপ বাড়ত। সরকার মামলার চাপ কমাতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতি চালু করলেও অধিকাংশ আইনজীবী এ পদ্ধতি কার্যকরে আগ্রহী নন।

তাদের ধারণা, এডিআর কার্যকর হলে মামলার সংখ্যা হ্রাস পাবে। পেশায় ধস নামবে। এ ধারণা সঠিক নয়। মামলার চাপ কমাতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতি চালু হলেও সুফল এখনো পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতি যথাযথভাবে প্রয়োগ হচ্ছে না।

হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদের মতে, দন্ডবিধির ২১১ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা মামলা করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কেউ যদি তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা আদালতে মিথ্যা প্রমাণ করতে পারেন, তাহলে বাদীর বিরুদ্ধেও একই ধারায় পাল্টা মামলা করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধি ২৫০ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা মামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারেন আদালত।



 

Show all comments
  • তোফাজ্জল হোসেন ২৮ জুন, ২০২০, ১২:৪৯ এএম says : 0
    বর্তমান পরিস্থিতিতে বিচারপ্রার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত ও বঞ্চিত হচ্ছে, এটা সত্য। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে মামলা নিষ্পত্তিই হবে বিরাট চ্যালেঞ্জ। এজন্য মামলাজট কমাতে উচ্চ এবং অধস্তন আদালতের অবকাশ কমিয়ে ও কর্মঘণ্টা বাড়ানো যেতে পারে।
    Total Reply(0) Reply
  • তোফাজ্জল হোসেন ২৮ জুন, ২০২০, ১২:৪৯ এএম says : 0
    বর্তমান পরিস্থিতিতে বিচারপ্রার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত ও বঞ্চিত হচ্ছে, এটা সত্য। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে মামলা নিষ্পত্তিই হবে বিরাট চ্যালেঞ্জ। এজন্য মামলাজট কমাতে উচ্চ এবং অধস্তন আদালতের অবকাশ কমিয়ে ও কর্মঘণ্টা বাড়ানো যেতে পারে।
    Total Reply(0) Reply
  • তরুন সাকা চৌধুরী ২৮ জুন, ২০২০, ১২:৫০ এএম says : 0
    বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি একান্ত প্রয়োজন। এতে তাড়াতাড়ি মামলা নিষ্পত্তি হবে। সমাজে শান্তি ফিরে আসবে। মামলা ফাইল হলে এটা মীমাংসা করা যায়। পক্ষদ্বয়ের মধ্যে আলাপ আলোচনা করে। ক্রিমিনাল মামলাও এডিআরের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যায়। এ ব্যবস্থা না হলে বিচার ব্যবস্থা ধস নামবে। জনগণ দীর্ঘসূত্রতার কারণে বিচার পাচ্ছে না। এডিআরের ফলে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে মামলা করার প্রবণতা দূর হবে।
    Total Reply(0) Reply
  • তরুন সাকা চৌধুরী ২৮ জুন, ২০২০, ১২:৫০ এএম says : 0
    বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি একান্ত প্রয়োজন। এতে তাড়াতাড়ি মামলা নিষ্পত্তি হবে। সমাজে শান্তি ফিরে আসবে। মামলা ফাইল হলে এটা মীমাংসা করা যায়। পক্ষদ্বয়ের মধ্যে আলাপ আলোচনা করে। ক্রিমিনাল মামলাও এডিআরের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যায়। এ ব্যবস্থা না হলে বিচার ব্যবস্থা ধস নামবে। জনগণ দীর্ঘসূত্রতার কারণে বিচার পাচ্ছে না। এডিআরের ফলে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে মামলা করার প্রবণতা দূর হবে।
    Total Reply(0) Reply
  • তাসফিয়া আসিফা ২৮ জুন, ২০২০, ১২:৫০ এএম says : 0
    অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের উচ্চ আদালতে বিচারপতির সংখ্যা অনেক কম। ফলে মামলাজট বাড়ছে, বিচার নিষ্পত্তিতে বিলম্ব হচ্ছে, পাশাপাশি বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে দুর্ভোগ কমছে না।
    Total Reply(1) Reply
    • Mohammed Shah Alam Khan ২৮ জুন, ২০২০, ৮:৩৩ পিএম says : 0
      দঃখিত আমি আপনার সাথে একমত নই। আমার মতে দেশে এখন উকিলের সংখ্যা হয়েছে প্রয়োজনের চেয়ে দ্বিগুণ সেজন্যে উকিল সাহেবরা সুযোগ পাওয়া মাত্রই তাদের মক্কেলদেরকে একের পর এক মামলায় জড়িত করেন আর তারিখের পর তারিখ নিয়ে পকেট মোটা করেন। এখেনে বিচারকদের বাড়ালেও কোন ফল হয়নি বা হবে না। সরকারকে অবশ্যই উকিলদের লাগাম টেনে ধরতে হবে তাহলেই মামলার জট খুলে যাবে আর মামলা নিষ্পত্তি হতে থাকবে ইনশ'আল্লাহ।
  • তাসফিয়া আসিফা ২৮ জুন, ২০২০, ১২:৫০ এএম says : 0
    অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের উচ্চ আদালতে বিচারপতির সংখ্যা অনেক কম। ফলে মামলাজট বাড়ছে, বিচার নিষ্পত্তিতে বিলম্ব হচ্ছে, পাশাপাশি বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে দুর্ভোগ কমছে না।
    Total Reply(0) Reply
  • কাজী হাফিজ ২৮ জুন, ২০২০, ১২:৫১ এএম says : 0
    যেহেতু অপরাধ থেমে নেই আর মামলাও থেমে নেই। শুধু বিচারকাজ থেমে আছে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে করোনা পরিস্থিতি যদি স্বাভাবিক না হয় তাহলে বর্তমান ৩৭ লাখের সাথে আরো ১৩ লাখ যোগ হতে সময় লাগবে না। এতে প্রায় ৫০ লাখ মামলার জট সৃস্টি হবে এটা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।
    Total Reply(0) Reply
  • জোহেব শাহরিয়ার ২৮ জুন, ২০২০, ১২:৫২ এএম says : 0
    করোনাভাইরাস পরিস্থিতি কবে নাগাত স্বাভাবিক হবে সেটারও নেই কোনো নিশ্চয়তা। ফলে মামলাজট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে
    Total Reply(0) Reply
  • কামাল রাহী ২৮ জুন, ২০২০, ১২:৫৩ এএম says : 0
    বিচারবিভাগের এই বেহাল দশার মধ্যেই আবার জেকে বসেছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। বৈশ্বিক মহামারিতে পরিণত হওয়া কোভিড-১৯ ভাইরাসটি মোকাবেলায় প্রায় এক মাসের বেশি সময় বন্ধ রয়েছে আদালত পাড়া। কিন্তু বিচারঙ্গন বন্ধ থাকলেও থেমে নেই অপরাধ। প্রতিনিয়তই দেশের বিভিন্নস্থানে ঘটছে নানা ধরনের ফৌজদারি অপরাধ। মামলাও হচ্ছে নিয়মিতভাবেই। দিনদিন ভারি হচ্ছে মামলার পাল্লা। কিন্তু আদালত বন্ধ থাকায় ধমকে আছে বিচারকাজ। করোনায় মামলা জট কমাতে অনলাইনে আদালত পরিচালনার দাবি উঠলেও আপাতত সে দিকেও হাটছে না সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন।
    Total Reply(0) Reply
  • কামাল রাহী ২৮ জুন, ২০২০, ১২:৫৩ এএম says : 0
    বিচারবিভাগের এই বেহাল দশার মধ্যেই আবার জেকে বসেছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। বৈশ্বিক মহামারিতে পরিণত হওয়া কোভিড-১৯ ভাইরাসটি মোকাবেলায় প্রায় এক মাসের বেশি সময় বন্ধ রয়েছে আদালত পাড়া। কিন্তু বিচারঙ্গন বন্ধ থাকলেও থেমে নেই অপরাধ। প্রতিনিয়তই দেশের বিভিন্নস্থানে ঘটছে নানা ধরনের ফৌজদারি অপরাধ। মামলাও হচ্ছে নিয়মিতভাবেই। দিনদিন ভারি হচ্ছে মামলার পাল্লা। কিন্তু আদালত বন্ধ থাকায় ধমকে আছে বিচারকাজ। করোনায় মামলা জট কমাতে অনলাইনে আদালত পরিচালনার দাবি উঠলেও আপাতত সে দিকেও হাটছে না সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন।
    Total Reply(0) Reply
  • সজল মোল্লা ২৮ জুন, ২০২০, ১২:৫৪ এএম says : 0
    উকিলগুলা ঠিক হলেই মামলা নিস্পত্তির রেট অনেক বেড়ে যাবে। ইচ্ছে করে সাক্ষী উপস্থাপন না করে তারা মাসের পর মাস মামলা চালিয়ে নেয়। মামলা না চললে তো তাদের পেটে ভাত জমবে না। সাথে দুর্নিতি পরায়ন জনগনতো আসেই। হয়রানিমূলক বা মিথ্যা দেওয়ানী মামলার বাদীদের শাস্তির বিধান আনা যেতে পারে, কিছু প্রভাবশালী জনগন থাকা যারা অন্যের সমত্তি জবর দখল করে মামলার অযুহাতে তা ভোগ করে। এদের জন্য শাস্তির বিধান করা যায় কিনা দেখা উচিৎ, এদের কারনে মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়
    Total Reply(0) Reply
  • Md Hassan ২৮ জুন, ২০২০, ১২:৫৫ এএম says : 0
    ভাই ৩৫ বছর একটা মামলা জজকোর্ট রায়ের পর আজ ২বছর হাইকোটে কোন শুনানি ডেট ছাড়া কেবল এসটে করে। ভাই কি করবো একটু বলুন এই মামলাটা নিমনকোট সহ ৪০ বছর হলো। একটা জালদলিলে কবলে পড়ে আমি সহ মোট ১৪ জনে জীবন জীবিকা ধংস করে দিল। নিমনকোট ও জজকোর্ট জালদলিল বলার পর আবার হাইকোট।
    Total Reply(0) Reply
  • Md Hassan ২৮ জুন, ২০২০, ১২:৫৫ এএম says : 0
    ভাই ৩৫ বছর একটা মামলা জজকোর্ট রায়ের পর আজ ২বছর হাইকোটে কোন শুনানি ডেট ছাড়া কেবল এসটে করে। ভাই কি করবো একটু বলুন এই মামলাটা নিমনকোট সহ ৪০ বছর হলো। একটা জালদলিলে কবলে পড়ে আমি সহ মোট ১৪ জনে জীবন জীবিকা ধংস করে দিল। নিমনকোট ও জজকোর্ট জালদলিল বলার পর আবার হাইকোট।
    Total Reply(0) Reply
  • মেহেদী ২৮ জুন, ২০২০, ১২:৫৫ এএম says : 0
    বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে সহনশীলতা ও দৈর্য্য দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। যার প্রভাব পড়ছে আইন আদালতের ওপর। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
    Total Reply(0) Reply
  • মেহেদী ২৮ জুন, ২০২০, ১২:৫৫ এএম says : 0
    বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে সহনশীলতা ও দৈর্য্য দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। যার প্রভাব পড়ছে আইন আদালতের ওপর। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
    Total Reply(1) Reply
    • twocents ২৮ জুন, ২০২০, ৩:২২ এএম says : 0
      Sorry brother, can't agree with you. Which professionals make lot of money? Doctors and lawyers. So, we need more sickness and more lawsuits!!!!!
  • Jack Ali ২৮ জুন, ২০২০, ১২:৩৫ পিএম says : 0
    ইসলামে বিচার ন্যায়বিচার আক্ষরিক অর্থ জিনিসগুলিকে তাদের যথাযথ স্থানে রাখা এবং অন্যের সাথে সমান আচরণ করা. অন্য কথায়, ন্যায়বিচারের সমাজের জন্য ইসলামের দুটি সহজ প্রস্তাব রয়েছে: (i) জিনিসগুলিকে তাদের ন্যায়সঙ্গত অবস্থানে রাখুন এবং (ii) প্রত্যেককে তার ন্যায়সঙ্গত অধিকার প্রদান করুন যদি আমাদের দেশটি স্রষ্টা আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ দ্বারা শাসিত হয় তবে কোনও একক মামলা বিচারাধীন থাকবে না। আমাদের দেশে মানবসৃষ্ট আইন দ্বারা শাসিত হয় কারণ এই জাতীয় লোকেরা খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে, ন্যায়বিচার পেতে ইসলামে আপনার এক টাকারও দরকার নেই। Our beloved country is ruled by the enemy of Allah not friend of Allah as such every where we are facing tremendous problem.
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Shah Alam Khan ২৮ জুন, ২০২০, ৮:৪২ পিএম says : 0
    Brother Jack Ali, সাহেবের করা মন্তব্যের উপর আমার জবাবঃ এখানে মন্তব্যের পাতায় Brother Jack Ali, একটি মন্তব্য করেছেন আমি ওনার মন্তব্যের নিচেই আমার জবাবটা দেয়ার চেষ্টা করে না পেরে আমি এভাবে একটি কলামে ভাই Jack Ali, সাহেবের মন্তব্যের জবাব দিলাম। আশাকরি উনি এখান থেকে ওনার মন্তব্যের জবাবটা পড়ে নিবেন। আল্লাহ্ ভরসা। @ Brother Jack Ali, আপনি বলেছেন "Our beloved country is ruled by the enemy of Allah not friend of Allah as such every where we are facing tremendous problem." আপনার এইকথাগুলো সত্য নয়। দেশ অবশ্যই আংশিক হলেও ইমানদার মুসলমান দ্বারা শাসিত। এখন একটি দেশ যেটা ধর্ম নিরপেক্ষ দেশ সেখানে পুরোটাই ইসলামিক পন্থায় আশা করা অন্যায়। আমার বিশ্বাস আপনি একজন আলেম পর্যায়ের লোক সেজন্যেই ধর্মকে টেনেছেন। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা ইসলামিক রাষ্ট্রের (পাকিস্তান) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র বাংলাদেশ বানিয়েছি। আপনি আপনার দিক থেকে ঠিকই বলেছেন, কিন্তু আপনাকে বুঝতে হবে এই দেশ ইসলামিক দেশ থেকে ধর্মনিরপেক্ষ দেশ হিসাবে জন্ম নিয়েছে। কাজেই এখানে সকল মুসলমানদেরকেই আল্লাহ্‌র নির্দেশ মতোবেক দেশের আইন মেনে চলতে হবে। আল্লাহ্‌ আরো বলেছেন কোন মুসলমান যদি তার দেশের আইনের কারনে ধর্মীয় কাজ করতে না পারে তাহলে তাঁকে হিজরত করত হবে। কিন্তু আল্লাহ্‌ বলেননি সেইদেশের আইনের বিরুদ্ধে গিয়ে হাঙ্গামা করতে। আল্লাহ্‌ মহান তিনি সবই জানেন তবে আমাদের কোন কাজে তিনি বাধাদেন না সেটা ভাল কাজই হউক বা খারাপ কাজই হউক। আমিন
    Total Reply(1) Reply
    • twocents ২৮ জুন, ২০২০, ৯:৫২ পিএম says : 0
      "আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা ইসলামিক রাষ্ট্রের (পাকিস্তান) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র বাংলাদেশ বানিয়েছি।" - Are you saying that's an achievement for a Muslim according to Holy Quran and Suunah? Among my friends and relatives, there are at least half a dozen of "muktijjoddha"; all of them fought against the Pakistani Army who were killing innocent people; none of them have any intention to establish a secular country; these 'muktijoddhas' will be more than happy to a see Bangladesh ruled according to Quran and Sunnah; the only sources of "True Justice".
  • Mohammed Shah Alam Khan ২৮ জুন, ২০২০, ৮:১৪ এএম says : 0
    দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সাঈদ আহমেদ এখানে প্রচুর তথ্য সহকারে আদলতে মামলার জটের কারনের উপর প্রতিবেদনটি লিখেছেন যেখানে আদালতের প্রকৃত দৃশ্য ফুটে উঠেছে। প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে এসব জটের কারন হচ্ছে দেশের আইনজীবী এবং সহায়ক কর্মচারীরদের পকেট ভারী করার জন্যে। অন্য দিকে মামলায় যাদেরকে মিথ্যাভাবে জড়িত করা হচ্ছে তারা আদালতের বারান্দায় ছুটোছুটিতে বিক্রি করেন সহায়সম্বল। আর সেই টাকা গিয়ে স্থান পায় আইনজীবী এবং সহায়ক কর্মচারীরদের পকেটে। এতে প্রতিয়মান হয় যে, ন্যায় বিচার লাভ কিংবা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা মামলার মূল উদ্দেশ্য নয়। এটাও এখানে পরিষ্কার করা হয়েছে যে, সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনের আশ্রয় নিতে পারেন যেকোনো নাগরিক। আর এই অনুচ্ছেদটির দায়িত্বহীন চর্চাই বাড়িয়ে তুলছে বিতর্কিত মামলা। ফৌজদারি কার্যবিধিতে এক সময় মামলা রেকর্ডের আগে যাচাই-বাছাইয়ের বিধান ছিলো কেন সেটা এখন নেই এটা সরকার প্রধান শেখ হাসিনার নিকট জনগণের পক্ষ থেকে একটা বিরাট প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছ। প্রতিবেদকের প্রতিটি ব্যাখ্যা এটাই প্রামণ করেছে যে, এসব মামলার বেশীর ভাগই মিথ্যা মামলা এবং এর কারনে লাভবান হচ্ছে আইনজীবীরা এবং সহায়ক কর্মচারীরা এতে কোন সন্দেহের কারন নেই। কাজেই এখন সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এদিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে এবং আইনজীবী এবং সহায়ক কর্মচারীদেরকে এসব অপকর্ম করা থেকে বেরত রাখতে হবে। সেজন্যে প্রধানমন্ত্রীকে আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রনে আনার জন্যে নতুন আইন প্রণয়ন করতে হবে। যেমন, আইজীবিরা মিথ্যা মামলা করার জন্যে পরামর্শ দিলে সেটা প্রমাণ হলে আইনজীবীদের সাজা হবে। আবার আইনকে পাশকাটানোর জন্যে মিথ্যা শাক্ষ্য তৈয়ার করে দিলে আইজীবিদেরকে সাজা পেতে হবে। মিথ্যা অজুহাত দেখিয়ে মামলা দীর্ঘায়িত করার জন্যে তারিখে পর তারিখ নিলেই আইনজীবীদেরকে সাজা পেতে হবে। এভাবে আইনজীবীরা যত কটু কৌশল করবে ততই তাদের সাজার পরিমাণ বাড়বে। এককথায় বলা যায় প্রতি ক্ষেত্রে আইনজীবীকে সত্যের উপর কাজ করতে হবে, আইনজীবীরা মিথ্যার আশ্রয় নিলেই তাদের সাজা হবে। এভাবে আইন প্রণয়ন করতে পারলেই দেশে আইনের শাসন কায়েম হবে ইনশ’আল্লাহ। এখনও মিথ্যা বলার জন্যে বাদী বা বিবাদীকে সাজা পেতে হয় কিন্তু এই মিথ্যা কথা বলতে আইনজীবী শিখিয়ে দিলেন এজন্যে তার কোন সাজা হয়না। আর এটাই হচ্ছে মামলা জটের আসোল কারন। আল্লাহ্‌র একটা আইন “সত্য বলা সত্য পথে থাকা” আল্লাহ্‌ যেন এটা আমাকে সহ সবাইকে মেনে চলার ক্ষমতা দান করেন। আমিন
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Shah Alam Khan ২৯ জুন, ২০২০, ৮:৪৩ পিএম says : 0
    Mr./Ms. twocents, করা মন্তব্যের উপর আমার জবাবঃ এখানে মন্তব্যের পাতায় একটি মন্তব্যের জবাবে twocents, কিছু কথা বলেছেন আমি ওনার মন্তব্যের নিচেই আমার জবাবটা দেয়ার চেষ্টা করে না পেরে আমি এভাবে একটি কলামে twocents, সাহেব/বেগমের মন্তব্যের জবাব দিলাম। আশাকরি উনি এখান থেকে ওনার মন্তব্যের জবাবটা পড়ে নিবেন। আল্লাহ্ ভরসা। Mr./Ms. twocents, First of all I like to say Islam does not allow fake words used by Muslims. I mean you are using your fake name hear. Any way I am proud to say that I am a Muslim Bangali or you can say Bangali Musolman living in Canada. আপনার কথার জবাবে বলা প্রয়োজন আপনার আত্মীয়স্বজন এবং বন্ধুদের মধ্যে যারা মুক্তিযোদ্ধা তারাকি লেখাপড়া জান ছিলেন নাকি ৯০% অশিক্ষিত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ছিলেন এটা আমার জানা দরকার। কারন মুক্তি যুদ্ধের প্রথম শর্ত ছিল ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র বানানো। এখন যদি ওনারা ৯০% এর মধ্যে হয়ে থাকেন তাহলে আমার বলার কিছু নেই নয়ত ওনারা অবশ্যই ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র বানানোর জন্যেই যুদ্ধ করেছেন। আমি আবারো বলছি আমি একজন মুসলমান তারপরও আমি জেনে শুনে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র বানাতেই যুদ্ধ করেছিলাম কারন পাকিরা আমাদেরকে মুসলমান মনে করতো না সেটা মনে হয় আপনি জানেন না বা আপনার আত্মীয়স্বজন পাকিদের সমর্থ তাই আপানাদের কাছে পাকিদের দোষ তুলে ধরেন নাই। এখন আমার শেষ বয়স আমি যেকোন দিন আল্লাহ্র ডাকে চলে যাব মানে আমার যাবার সময় এসেগেছে। তাই আমাদের চিরাচরিত প্রথা শেষ বয়সে আল্লাহ্কে বেশী বেশী ডাকা তাইনা…… যেজন্য আমি চাই আমাদের দেশ ইসলামিক দেশ হয়ে যাক। কিন্তু আল্লাহ্ বলেছেন তিনি একবার কোন সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলে সেটা পরিবর্তন করেন না। এখন আপনাকেই বুঝে নিতে হবে কারন আল্লাহ্ আপানাকে জ্ঞান দিয়েছেন। সেজন্যে যেহেতু আমি আল্লাহ্র কাছে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র চেয়েছি সেহেতু এখন আমার ইসলামিক রাষ্ট্রের জন্যে দাবী তোলা উচিৎ নয়। আপনি বলেছেন none of them have any intention to establish a secular country; আমি বিশ্বাস করি এটা ওনারা বলতেই পারেন না কারন ওনারা শিক্ষিত কাজেই ওনারা জেনে শুনেই যুদ্ধে গিয়েছিলেন। তবে এখন ওনারাও আমার মতই ৭০ বছর বা অধিক তাই ওনারা এখন আমারই মত আশা করেন যদি দেশটা ইসলামিক রাষ্ট্র হতো তাহলে ভাল হতো। আল্লাহ্‌ '৭১ সালে আমাদের চাহিদা অনুযায়ী ইসলামি দেশকে ধর্মনিরপেক্ষ দেশ বানিয়েছিলেন আবার আল্লাহ্‌ আমাদের কান্না কাটির জন্যেই ইসলামকে জাতীয় ধর্ম করে দিয়েছেন মানে ঘুড়িয়ে ইসলামিক দেশ। দেখছেন না আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটা বুঝতে পেরে ইসলামকে প্রধান্য দিয়েই এখন দেশের কাজ কর্মকরছেন...... দেশকে নিয়ে ভাবুন এবং কোরানের নির্দেশ অবস্থা এবং পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে চল। আল্লাহ্‌ আমাকে সহ সবাইকে আল্লাহ্‌র হেকমত জানার, বুঝার‌ এবং সেইভাবে চলার ক্ষমতা দান করুন। আমিন
    Total Reply(1) Reply
    • twocents ৩০ জুন, ২০২০, ৯:৫৩ এএম says : 0
      Gentleman, you're a proud muslim living in Canada, Let Allah give you appropriate return for your pride. I don't need to waste my time for this kind of Muslim. Allah is the final judge of all of us.

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মামলা

১৯ জুলাই, ২০২০
১৯ জুলাই, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ