Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, ২১ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

যমুনার পানি বিপদসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার ওপরে

বগুড়ার চরাঞ্চলের মানুষ ছুটছে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধে

মহসিন রাজু,বগুড়া থেকে | প্রকাশের সময় : ৩০ জুন, ২০২০, ৫:৩৯ পিএম

লাগাতার বর্ষন ও উজান থেকে নেমে আসা ভারতীয় ঢলে বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সারিয়কান্দি ও ধুনট উপজেলার নতুন নতুন চর এবং নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে । মঙ্গলবার চরের বহু মানুষ আগাম সতর্কতা হিসেবে বাড়িঘর ছেড়ে যমুনার বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে বলে সরেজমীনে দেকা গেছে।
বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসের তথ্যমতে সারিযাকান্দিতে ৭৯ টি ছোট চড় চরের মধ্যে ৭ টি ইউনিয়নের ২৫ টি চরের ১২ হাজার পরিবার পানিবন্দী অবস্থায় আছে। পানিউন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, চরাঞ্চলের মানুষ গৃহপালিত পশুসহ নৌকায় করে বাড়ির আসবাবপত্র নিয়ে ছুটছে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের দিকে । ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নে ১২ টি গ্রামের বহু ঘরবাড়ি বন্যার পানিতে ডুবে গেছে। এই ইউনিয়নের আউস ধান, পাট, আখসহ বিভিন্ন ফসলে ক্ষতি হয়েছে বলে জানান, জেলা কৃষি সম্্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবুল কাসেম আজাদ।
সারিয়াকান্দি চরগুলোর ৫০২০ হেক্টর পাট, ২৩৭৭ হেক্টর আউশ, ৫৬ হেক্টর আউশ বীজতলা, ১৫ হেক্টর জমির ভূট্টা , ২ হেক্টর জমির মরিচ বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৗশলী মোঃ, মাহবুবুর রহমান জানান, মঙ্গলবার বিকাল ৩ টা পর্যন্ত যমুনা নদীর পানি বিপদ সীমার ৬৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
সারিয়াকান্দি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সারওয়ার আলম জানান, সারিয়াকান্দি সদরের নি¤œাঞ্চলও বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। উপজেলারর চন্দনবাইশা, কাজলা , কামালপুর, চালুয়াবাড়ী, কর্নিবাড়ী, কুতুবপুরসহ বেশ কয়েকটি চরের পরিবার চর ছেড়ে সহায সম্বল নিয়ে সারিয়াকান্দি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। বনায় এ পর্যন্ত ১৩ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বন্যা পরিস্থিতি


আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ