Inqilab Logo

ঢাকা সোমবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২১, ০৪ মাঘ ১৪২৭, ০৪ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

নবী করিম সা. কোন খাদ্য বেশি পছন্দ করতেন এবং কোন খাদ্যের গুণ, প্রাণশক্তি ও নিরাময় ক্ষমতা বেশি? এব্যাপারে ইসলাম কোনো দির্দেশনা দিয়েছে কি?

আহসানউল্লাহ
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ২ জুলাই, ২০২০, ৬:৪৬ পিএম

উত্তর : হযরত নবী করিম সা. এর সর্বাপেক্ষা পছন্দনীয় খাদ্যের মধ্যে ছারীদ উল্লেখযোগ্য। ছারীদ বলা হয় গোশতের তরকারীতে টুকরো রুটি মিলিয়ে যে খাদ্য তৈরি করা হয়। গোশতের মধ্যে হুযুর সা. বেশি পছন্দ করতেন খাসীর সামনের রানের গোশত। তরি তরকারীর মধ্যে সর্বাধিক পছন্দের ছিল লাউ। তাছাড়া তিনি দুধ, মধু, খেজুর, সিরকা, পনির ইত্যাদি সবই আগ্রহভরে খেয়েছেন। শ্রেষ্ঠ খাদ্য হিসেবে দুধের উল্লেখই বেশি পাওয়া যায়। যা একই সাথে খাদ্য এবং পানীয়। প্রিয়নবী সা. খাদ্য সম্পর্কে যেসব আদর্শ রেখে গিয়েছেন তন্মধ্যে মৌলিক কিছু এ ক্ষেত্রে উল্লেখ করা যেতে পারে। হুযুর সা. বলেছেন তোমরা ততক্ষণ খাদ্যগ্রহণ করবে না, যতক্ষণ না তোমরা ভালো রকম ক্ষুধিত হও। যখন খানা খাবে তখন পেটকে তিনভাগে বিভক্ত করে নিও। একটি অংশ খাদ্যের, একটি পানীয়ের, অপর একটি শূন্য রেখো আল্লাহর জিকরের জন্যে, স্বচ্ছন্দে শ্বাস প্রশ্বাসের জন্যে। খেতে বসলে কিছুটা বাকী থাকতেই উঠে পড়। একজনের খানা দু’জনের জন্য যথেষ্ট। দু’জনেরটা যথেষ্ট তিনজনের জন্য, ইত্যাদি নির্দেশনা মেনে চললে একজন মানুষ সাধারণত খাদ্যজনিত কোনো রোগব্যধির শিকার হবে না। উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী

সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।
[email protected]

 

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

Show all comments
  • Nayeem ৩ জুলাই, ২০২০, ১২:৪৫ এএম says : 0
    মাশাআল্লাহ খুব সুন্দর উত্তর দিয়েছেন শাইখ
    Total Reply(0) Reply
  • MD.Mehedi hasan ১৪ জুলাই, ২০২০, ৯:১১ এএম says : 0
    ভাল ভাল উত্তর পাওয়ার জন্য আমি অনেক সন্তুষ্ট! Thanks
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন

আমি একটা মসজীদে থাকি। সেখানে মক্তবের ছেলেমেয়েদেরকে পড়ানোর জন্য আমি একটা ব্ল্যাকবোর্ড কিনতে চেয়েছিলাম। সেজন্য ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে সামান্য কিছু টাকা চাঁদা তুলি এবং বাকি টাকা আমার থেকে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করি। কিন্তু পরবর্তীতে আমি ওই টাকাটা খরচ করে ফেলি। এবং এখন আর ব্ল্যাকবোর্ড কিনার প্রয়োজনও নাই। এটা আরো ৪-৫ বছর আগের কথা। আমি যাদের কাছ থেকে টাকাগুলো তুলেছিলাম তারা এখন আর মসজীদে পড়ে না। এবং আমার সঠিকভাবে মনেও নাই কার কার কাছ থেকে টাকাগুলো তুলেছিলাম। এখন আমি সেই টাকাটা কী করবো?

উত্তর : আপনার এটি একটি সমস্যা। কারণ যে জন্য টাকা তুলেছিলেন, সেটি না হওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে টাকা ফেরত দেওয়া উচিত ছিল। এখন যদি আপনি

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ