Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২০, ১৯ শ্রাবণ ১৪২৭, ১২ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

ঢালাইয়ে রডের পরিবর্তে বাঁশ

ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ৬ জুলাই, ২০২০, ১২:০১ এএম

লোকাল গভর্ন্যান্স সার্পোট প্রজেক্ট-৩ (এলজিএসপি) ইউড্রেন নির্মাণে বেইজ ঢালাইয়ে রডের বদলে বাঁশ ব্যবহার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার আছিম-পাটুলী ইউনিয়নে। ইউড্রেনটি নির্মাণ করছেন প্রকল্পের সভাপতি ৮ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী। উপজেলা পর্যায়ে এ প্রকল্পের কাজ তদারকি করার কেউ না থাকায় নির্মাণ কাজে নিম্নমানের সামগ্রীও ব্যবহার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজের সমন্বয় নেই বলে অভিযোগ উঠেছে।

গত শনিবার বেইজ ঢালাইয়ে ‘বাঁশ ব্যবহার’ করা ছবিটি স্থানীয় এক যুবক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দিলে কিছুক্ষণের মধ্যেই ছবিটি ভাইরাল হয়ে যায়। বিকেলে ময়মনসিংহ উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার বিভাগ) একেএম গালিব খান ও উপজেল নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল সিদ্দিক ঘটনাস্থল পরিদর্শ করেছেন।
ইউপি সূত্রে জানা গেছে, ৮ নং ওয়ার্ডের এলঙ্গি কান্দানিয়া রাস্তার কালির চালা হইতে পান্না বাড়ির সড়কের তালেব আলীর জমির পাশে ২ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি ইউডেন নির্মাণ প্রকল্প দেয়া হয়। ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী শুক্রবার বন্ধের দিন রাজমিস্ত্রী ও শ্রমিক দিয়ে নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ইউড্রেন নির্মাণে বেইজ ঢালাই করতে গিয়ে রডের বদলে বাঁশ ব্যবহার করে। একই সড়কের খাপসার খালে দেড় লাখ টাকা ব্যয়ে আরেকটি ইউড্রেন নির্মাণ প্রকল্পের সভাপতি মহিলা ইউপি সদস্য রাশিদা খাতুন। সেই ইউড্রেনেও বেইজ ঢালাইয়ে কোন রড ব্যবহার করা হয়নি বলে জানিয়েছেন কাজে নিয়োজিত শ্রমিক তারা মিয়া।

ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী বাঁশের ব্যবহারের কথা স্বীকার করে জানান, বেইজ ভেঙে বাঁশ সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান এস, এম সাইফুজ্জামান বলেন, রডের বদলে বাঁশ এ ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা আশরাফুল সিদ্দিক বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জেলা প্রশাসককে জানিয়েছি।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ বিভাগীয় ডিডিএলজি এম এ গালিব খান বলেন, এলজিএসপির সকল কাজ স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আদেশে সংশ্লিষ্ট এলজিইডি দেখাশোনা করবে। বাঁশ ব্যবহার করার বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।



 

Show all comments
  • SEKENDER ৬ জুলাই, ২০২০, ৫:৫৭ এএম says : 0
    Using bamboo is good innovation in Bangladesh. It can save energy and reduce pollution. LGED can make an research on it to establish through the world. Probably they will get the Nobel prize on it. Not only the simple UP member, such type of act is doing by 90% 0f engineers of Bangladesh specially LGED and Pourasava. We are unlucky people of the world. God save us from these devils.
    Total Reply(0) Reply
  • ash ৬ জুলাই, ২০২০, ৪:৩২ এএম says : 0
    AMON EBAR E PROTHOM NOY! KINTU ER POREO KENO BEBOSTHA NEOWA HOCHE NA ?? TAR MANE KI PROSHASHON E AI SHOB DURNITI BAJ DER PROSROY DICHE ??
    Total Reply(0) Reply
  • Peyar ahead ৬ জুলাই, ২০২০, ৬:৫৯ এএম says : 0
    It's only Bangladeshi people luck
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: রড


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ