Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, ২০ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

ইজ্জত রক্ষায় নদীতে ঝাঁপ

ভোলা জেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ৭ জুলাই, ২০২০, ১২:০০ এএম

ঢাকা-বেতুয়া নৌরুটের লঞ্চ কর্ণফুলি-১৩ স্টাফদের যৌন হয়রানি থেকে বাঁচতে মেঘনা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে ইজ্জত রক্ষা করলো এক কিশোরী (১৬)।
জানা যায়, নদীতে ঝাঁপ দেয়ার পর লঞ্চ কর্তৃপক্ষ কিশোরীকে উদ্ধার না করে ঢাকায় চলে যায়। পরে মাঝিরা কিশোরীকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করেন। গতকাল কিশোরী ওখানেই চিকিৎসাধীন। সে উপজেলার তেলিয়ার চরের মো. কবিরের মেয়ে।
হাসপাতালে ভর্তি কিশোরী জানায়, গত শনিবার কাজের সন্ধানে ঢাকার উদ্দেশ্যে তজুমদ্দিন স্লুইচঘাট থেকে কর্ণফুলি-১৩ লঞ্চে ওঠি। লঞ্চে উঠার পর লঞ্চের স্টাফরা বিভিন্ন কু-প্রস্তাবের মাধ্যমে যৌন হয়রানি করতে থাকে। টাকা দেয়ার প্রস্তাব দেয়। এক পর্যায়ে তাদের সাথে কেবিনে রাত্রি যাপন করতে টানাটানি করলে ইজ্জত রক্ষার্থে নদীতে ঝাঁপ দেই। পরে প্রায় ৩ ঘন্টা পর জেলেরা তাকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করান। বর্তমানে কিশোরী তজুমদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
তজুমদ্দিন থানার ওসি জিয়াউল হক জানান, চিকিৎসাধীন ওই কিশোরীর সাথে কথা হয়েছে। সে ঢাকা যাওয়ার উদ্দ্যেশে লঞ্চে ওঠে। লঞ্চের কিছু স্টাফ তাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে যৌন হয়রানির করার চেষ্টা করে। তাই সে ইজ্জত বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপ দেয়। ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত চলছে, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। গতকাল সোমবার পর্যন্ত মেয়েটির বাবা-মার সন্ধান চলছে। সন্ধান পেলে তাকে অভিভাবকের হাতে তুলে দেয়া হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কবির সোহেল জানান, রোগীর ভাষ্যমতে লঞ্চের স্টাফরা অনৈতিক প্রস্তাব দিলে সে নদীতে ঝাঁপ দেয়ার সময় ডান হাতে আঘাত পায়। জেলেরা উদ্ধার করে হাসপাতালে আনলে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হয়। বর্তমানে সে সুস্থ রয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ইজ্জত-রক্ষা
আরও পড়ুন