Inqilab Logo

ঢাকা মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ০৮ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

জোয়ারে হাঁটু পানি চট্টগ্রামে

চট্টগ্রাম ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ৭ জুলাই, ২০২০, ১২:০০ এএম

জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ, হালিশহর, চাক্তাই, খাতুনগঞ্জসহ বিশাল এলাকা। গতকাল সোমবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত রের্কড হয়েছে মাত্র ২৬ মিলিমিটার। দফায় দফায় হালকা বৃষ্টির সাথে জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যায় বেশির ভাগ এলাকা।
বিশেষ করে খাতুনগঞ্জে হাঁটু সমান পানিতে তলিয়ে যায় দোকান পাট, গুদাম, আড়তসহ মালামাল। আগ্রাবাদ মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালে পানি ঢুকে যায়। হাসপাতালে রোগী ও তাদের স্বজনদের দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে হয়। প্রবল জোয়ারে নগরীর বৃহত্তর আগ্রাবাদ হালিশহর, বাকলিয়া থেকে শুরু করে বৃহত্তর চান্দগাঁও এলাকা প্লাবিত হয়। বাসা, বাড়ি দোকাপাটে পানি ঢুকে পড়ায় মালামাল বিনষ্ট হয়, বাড়ে জনদুর্ভোগ।
খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিবছর জোয়ারের পানির উচ্চতা বাড়ছে। ভারী বৃষ্টি ছাড়াই চাক্তাই খাতুনগঞ্জের নিম্নাঞ্চল জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। চাক্তাইয়ের চালপট্টি, শুটকিপট্টি, মকবুল সওদাগর রোড ও আছদগঞ্জ ও তার আশপাশের নিম্নাঞ্চল জোয়ারে হাঁটু পানিতে ডুবে যায়। এসময় বেচাকেনা বন্ধ করে ব্যবসায়ীরা মালামাল রক্ষায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
ব্যবসায়ীরা জানান, জোয়ারের সময় পানি আটকে দিতে চাক্তাই খালের মুখে একটি স্লুইস গেইট বসানোর কাজ দুই বছর আগে শুরু করে সিডিএ। কিন্তু সে কাজ এখনও শেষ হয়নি। খালের মুখে বাঁধ দিয়ে কাজ চলছে। ফলে জোয়ারের পানি ঢুকলেও ভাটার সময়ে দ্রুত পানি সরে যেতে না পারায় পানিবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে। এ অবস্থায় ভারী বর্ষণ হলে পুরো চাক্তাই, খাতুনগঞ্জ ও আছদগঞ্জ তলিয়ে যাবে বলেও জানান তারা।
নগরীর মহেষখালের মুখেও চলছে স্লুইস গেইট বসানোর কাজ। ওই কাজ এখনও শেষ হয়নি। ফলে আগ্রাবাদ থেকে হালিশহরের বিশাল এলাকা প্লাবিত হচ্ছে নিয়মিত জোয়ারে। এসব এলাকার বাসা, বাড়ি, দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নীচ তলায় পানি ঢুকে গেছে। আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায়ও গতকাল হাঁটু সমান পানি উঠে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: চট্টগ্রাম

১৬ নভেম্বর, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন