Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭, ২৪ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

সাহেদকে নিয়ে সাতক্ষীরায় আলোচনা

সাতক্ষীরা জেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ১০ জুলাই, ২০২০, ১২:০১ এএম

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ করিমকে নিয়ে সাতক্ষীরায় সমালোচনা চলছে। অনেকেই তাকে না চিনলেও তিনি যে সাতক্ষীরারই সন্তান। টাকার বিনিময়ে করোনার ভুয়া সার্টিফিকেট বিক্রি করাসহ নানান অভিযোগের বিষয়টি মিডিয়ায় প্রচার হওয়ার পর সাহেদকে জানার চেষ্টা করছেন এখানকার সচেতন মহল। এমনকি পুলিশ প্রশাসনও সাহেদ সম্পর্কে খোঁজ খবর নিচ্ছেন।
সাহেদ করিম সাতক্ষীরা শহরের কামালনগর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। বাবার নাম সিরাজুল করিম। মা শাফিয়া করিম স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। এছাড়া মা সাতক্ষীরা জেলা মহিলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সাতক্ষীরার মানুষের কাছে সাহেদের মা একজন ভালো মানুষ হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সাহেদের মা থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য রক্ত জোগাড়ের কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন বলে জানা গেছে।
সাতক্ষীরার সাবেক মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ডা. আফতাবুজ্জামান বলেন, সাহেদের পূর্ব পুরুষরা বিনিময় সূত্রে ভারত থেকে বহু আগে সাতক্ষীরায় এসেছিলেন। সাহেদ তার বাবার একমাত্র সন্তান। সম্ভবত ১৯৯৯ সালে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সাহেদ এসএসসি পাস করে। এরপর সে ঢাকায় চলে যায়। তারপর তেমন একটা সাতক্ষীরায় এসেছে বলে মনে হয় না।
তিনি বলেন, করিম সুপার মার্কেট নামে শহরে একটি মার্কেট ছিলো সাহেদেদের। ২০০৮ সালের দিকে এই সুপার মার্কেট ও বাসাবাড়িসহ সমুদয় সম্পদ বিক্রি করে দেয় তারা।
সাতক্ষীরার একজন বর্ষিয়ান ব্যক্তি জানান, দেশ বিভাগের সময় সিরাজুল করিমসহ পরিবারের অন্যন্যরা ভারত থেকে বাংলাদেশে আসেন। সাহেদের দাদা আব্দুল করিম ১৯৭২ থেকে ১৯৭৪ পর্যন্ত যশোর জেলার তথ্য অফিসার ছিলেন। এদিকে, নাম প্রকাশ না করেই কয়েকজন জানিয়েছেন, সাহেদ আমাদের সাতক্ষীরার বদনাম করেছে। কেনো সে এমন কাজ করলো প্রশ্ন রেখে তারা বলেন, টেলিভিশনের টক শো থেকে শুরু করে আ.লীগের অনেক এমপি মন্ত্রীদের সাথে তার ওঠাবসা ছিলো। তখন কেনো তারা সাহেদ সম্পর্কে খোঁজ নেয়নি। এখন কেনো সাহেদের জন্য আমরা সাতক্ষীরাবাসী সমালোচিত হবো। অপর একজন জানান, বছর তিনেক আগে সাহেদ
হেলিকপ্টারে করে কালিগঞ্জের নলতায় এসেছিলেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান জানান, সাহেদ সম্পর্কে খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত তার নামে থানায় কোনো মামলা বা অভিযোগ পাওয়া যায়নি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন