Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, ২১ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

পশু ক্রেতা-বিক্রেতাদের বেআইনি জুলুমের হাত থেকে বাঁচাতে হবে

সচিবালয়ে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১০ জুলাই, ২০২০, ১২:০০ এএম

আসন্ন ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে গবাদিপশুর ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যসত্ত্বলোভী, অযৌক্তিক ও বেআইনি জুলুমের হাত থেকে বাঁচাতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সজাগ থাকার আহবান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
গতকাল বিকেলে সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর নিজ দফতর কক্ষে অনলাইনে গবাদিপশু কেনা-বেচা এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের মাধ্যমে পরিবহণ সংক্রান্ত এক অনলাইন সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহবান জানান।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আবদুল জব্বার শিকদার, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. নাথু রাম সরকারসহ সকল বিভাগীয় কমিশনার এবং বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দফতরের উপ পরিচালকরা সভায় অনলাইনে অংশগ্রহণ করেন।
মন্ত্রী বলেন, গবাদিপশুর পরিবহনে কোনভাবেই যেনো চাঁদাবাজি না হয়। সিন্ডিকেট করে ট্রাক আটকানো বন্ধ করতে প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে। খামারি ও গবাদিপশু বিক্রেতারা যেনো কোনভাবেই হয়রানির শিকার না হয়। যারা হাটের বাইরে পশু বিক্রি করবে তাদের কাছে যেনো কেউ টোল বা হাসিল তুলতে না যায়। এ বিষয়গুলোতে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।
মন্ত্রী করেন, গবাদিপশুর ক্রয়-বিক্রয় যতটা সম্ভব অনলাইন প্লাটফর্মে করতে হবে। এ বিষয়টি তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে। অনলাইনে গবাদিপশুর মূল্য নির্ধারণে মাঠ পর্যায়ের প্রাণিসম্পদ দফতরগুলোকে সহায়তা করবে।
ইতোমধ্যে তারা প্রান্তিক খামারিদের উৎসাহিত করছে। ট্রাকের পাশাপাশি বিকল্প হিসেবে স্বল্প খরচে রেলওয়ের মাধ্যমেও গবাদিপশু পরিবহন করা যাবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রাণিসম্পদ দফতরগুলো ট্রেনের রুট ও সিডিউল ঠিক করে দেবে।
পরিবেশ দূষণের আতঙ্ক যেনো কোরবানিকে ঘিরে না হয় এবং পশুর চামড়া এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে কোনধরণের অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি সৃষ্টি যাতে না হয় সেজন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারদের তাদের আওতাধীন জেলা, উপজেলা, পৌর এলাকা ও গ্রামের হাট-বাজারের বিষয়ে যত্নবান হবার আহবান জানান মন্ত্রী। প্রতিটি জেলা প্রশাসন মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে অনলাইনে কোরবানির গবাদিপশু কেনা- বেচার উদ্যোগ নিয়েছে বলে স্ব স্ব বিভাগীয় কমিশনাররা সভায় জানান। ডিজিটাল প্লাটফর্মে বিভাগের অন্তত ৩০ শতাংশ গবাদিপশু কেনা-বেচা করার প্রচেষ্টা থাকবে বলেও কমিশনারগণ সভায় আস্বস্ত করেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানো প্রয়োজন বলেও তারা সভায় অভিমত দেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ