Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, ২০ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

মসজিদেই পরিণত হবে হাজিয়া সোফিয়া

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১০ জুলাই, ২০২০, ৮:০৫ পিএম | আপডেট : ৩:০০ পিএম, ১১ জুলাই, ২০২০

তুরস্কের একটি আদালত বিশ্বখ্যাত সাংস্কৃতিক স্থান ইস্তাম্বুলের হাজিয়া সোফিয়া জাদুঘরের স্থিতাবস্থার আবেদন বাতিল করে দিয়ে বলেছে, এটি মসজিদে রূপান্তরিত করা যেতে পারে। একটি ক্যাথেড্রাল হিসাবে দেড় হাজার বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হাজিয়া সোফিয়াকে অটোমান শাসনামলে মসজিদে পরিণত করা হয়েছিল। পরে ১৯৩৪ সালে এটিকে ফের জাদুঘরে পরিণত করা হয়।
এটি একটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট। ইউনেস্কো এর আগে আলোচনা ছাড়া তুরস্ককে তার স্ট্যাটাস পরিবর্তন না করার আহ্বান জানিয়েছিল। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান এই পরিবর্তনের আহ্বান জানান।
তুরস্কের ইসলামপন্থীরা দীর্ঘদিন ধরে এটি মসজিদে রূপান্তরিত করার আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন। তবে একটি পক্ষ এ পদক্ষেপের বিরোধিতা করে।
স্থানটি আন্তঃধর্মীয় ও ক‚টনৈতিক উত্তেজনার প্রতীক হিসেবে পরিচিত। ষষ্ঠ শতকে খ্রিস্টান বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের শাসনামলে হাজিয়া সোফিয়া নির্মাণ করা হয়েছিল। তখন এটি গ্রিক অর্থোডক্স গির্জা হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
কিন্তু ১৪৫৩ সালে উসমানীয় খলিফাদের কাছে কনস্টান্টিনোপেলের পতন ঘটলে সেটিকে মসজিদে রূপান্তরিত করা হয়।
১৯৩৫ সালে তুর্কি ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের প্রতিষ্ঠাতা মসজিদটিকে জাদুঘর বানিয়ে ফেলেন। বর্তমান এরদোগান সরকারের আমলে সেটিকে ফের মসজিদের রূপে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। গত কয়েক বছর ধরে তুর্কি মুসলমানরা সেখানে নামাজ আদায় করছেন। তারা জাদুঘরটিকে মসজিদে রূপান্তরিত করার দাবি জানিয়ে আসছেন।
ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত হাজিয়া সোফিয়ায় গেল ৮৫ বছরের মধ্যে ২০১৫ সালেই প্রথমবারের মতো একজন আলেম কোরআন পাঠ করেন। এরপর থেকে তুরস্কের ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ প্রতি বছর রমজানে সেখানে কোরআন পাঠ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন। সূত্র : বিবিসি নিউজও টিআরটি উর্দু।



 

Show all comments
  • Altaf ১০ জুলাই, ২০২০, ৯:২০ পিএম says : 2
    আলহামদুলিল্লাহ্
    Total Reply(0) Reply
  • Altaf ১০ জুলাই, ২০২০, ৯:২০ পিএম says : 2
    আলহামদুলিল্লাহ্
    Total Reply(0) Reply
  • ...mujib ১০ জুলাই, ২০২০, ৯:৪০ পিএম says : 2
    Every citizen of the world has a duty to save the world from religious wars. We should not take the world back to old ages. Bangladesh should request Turkey/India/Israel not to touch upon sensitive religious sites. Let it remain as a museum.
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammad Sirajullah, M.D. ১০ জুলাই, ২০২০, ১০:৩১ পিএম says : 1
    If it is not used as Church it should be a Museum. If it ism turned to Masjid, All Masjids in Christi in Cristian majority countries could be forced to bet closed or converted to Church or some other me other religious institution. Islam does not allow violence. People supporting this conversions of Church or Museum to Masjid are not really Muslims. Prophet Muhammad (SA) once was visiting non-Muslim Group for certain treaty. He was offered to perform Salah in the Temple s told to perform his SDALAH in the temple. He refused the offer and perform his salah in the open field and told them that if he would go inside temple for his salad infuture Muslims would likely to use the example and occupy all the temples and convert therm to Masjid. Kindly all the Muslims should follow Muhammad (SA) and not Erdogan.
    Total Reply(2) Reply
    • Taher ১০ জুলাই, ২০২০, ১১:১৭ পিএম says : 2
      What about cortoba mosque in Spain is using as Church ?
    • elu mia ১১ জুলাই, ২০২০, ৬:৪০ পিএম says : 0
      I agree that we should follow our Rasul not erdogan.But sophia was mosjid for 500 years.and it was changed into museum by munafiq and islam hater "kamal atartuk".So it was a mosjid before it was a museum.Muslim gain this mosjid by rights of conquest.
  • নিসারুল ইসলাম ১০ জুলাই, ২০২০, ১১:১০ পিএম says : 0
    আমার জানা মতে অন্য ধর্মের উপাসনালয় ধ্বংস করার অনুমোদন ইসলামে নেই । উসমানীয়দের কনস্টান্টিনোপল বিজয়ে নিজেকে গর্বিত মনে করলেও হাজিয়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তর করার বিষয়টিকে সমর্থন করতে পারিনি । সেখানে এখনও এন্জেলদের ছবি আঁকা রয়েছে । এটা মসজিদ হিসেবে ৫০০ বছর কিভাবে ব্যবহৃত হলো, আমার মাথায় ঢোকেনা । এরদোয়ান যুক্তি দেখিয়েছেন, গ্রীকরা অনেক মসজিদ ধ্বংস করেছে, এটা কি ইসলামী যুক্তি হলো ? ইসলামী বিশ্ব গড়তে হলে রাসুলুল্লাহ্ (সঃ)- এর শিক্ষার বাহিরে কোন শিক্ষা আছে কি ? অতীতের শাসকদের ভুল থাকলে তা সংশোধন না করে এই বিষয়টিতে তুরস্ক সরকার কোন্ শিক্ষা অনুসরন করছেন ? আমি এই সিদ্ধান্তের নিন্দা জানাই ।
    Total Reply(1) Reply
    • elu mia ১১ জুলাই, ২০২০, ৬:৪১ পিএম says : 0
      আমার জানা মতে এর ভেতরে যত ছবি ছিল সব মুছে ফেলা হয়েছিল।
  • Moniruzzaman ১০ জুলাই, ২০২০, ১১:৫৭ পিএম says : 0
    Good and perfect decision
    Total Reply(0) Reply
  • Ali ১১ জুলাই, ২০২০, ১১:১৫ এএম says : 0
    Alhamdulillah
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন