Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২০, ১৯ শ্রাবণ ১৪২৭, ১২ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

সমঝোতার পথে নেপালের ক্ষমতাসীন দল

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১২ জুলাই, ২০২০, ৩:৩৬ পিএম

বিতর্কিত এলাকা মানচিত্রে অর্ন্তভূক্ত করে ভারতের রোষানলে পড়েন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি। ভারতের মদদে তার দলেরই কিছু নেতা তাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে মরিয়া হয়ে উঠে। তবে তার পক্ষে জনতা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করার পর থেকেই পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করে। দলের বিদ্রোহী নেতারা বর্তমানে তার সাথে সমঝোতায় আসতে চাইছেন।

গত শুক্রবার জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে অলি নিজেই বলেছেন, ক্ষমতাসীন নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির (এনসিপি) বিরোধটি অভ্যন্তরীণভাবে সমাধান করা হবে। একটি দলে আলোচনা ও মতবিরোধ রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ বলে উল্লেখ করে তিনি জনগণকে আশ্বাস দিয়ে বলেন যে, এই জাতীয় সমস্যা সমাধানের বিষয়টি দল ও নেতাদের হাতেই রয়েছে। তিনি জানান, এখন সরকার করোনা মহামারী ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে হুমকির মুখে থাকা লোকদের জীবন বাঁচানোর বিষয়ে পুরো মনোনিবেশ করবে।

এ বিষয়ে ক্ষমতাসীন নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির (এনসিপি) নেতা আস্তা লক্ষ্মী শাক্য বলেছেন, ‘আমাদের দলটি জনগণের সমর্থন জিতেছে এবং এটি বিভক্ত হবে না।’ তিনি বলেন, ‘আবহাওয়ার চরম ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত করা ঠিক ছিল তবে প্রধানমন্ত্রীকে এক সপ্তাহ পরে এই বিষয়গুলি নিষ্পত্তি করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।’ তার যুক্তি, ‘বিরোধিতা বাড়িয়ে দলের কোন লাভ হবে না। বরং এটি বিভেদ বাড়াবে এবং দলকে প্রভাবিত করবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘শুধুমাত্র অলি ও দাহালের মধ্যে বৈঠকে অভ্যন্তরীণ কলহের সমাধান হবে না।’

প্রসঙ্গত, নেপালের সংসদে নতুন মানচিত্র পাশ হয়ে যাওয়ার পর থেকেই অলির বিরোধিতা শুরু করেন দলটির কো-চেয়ার পুষ্প কামাল দাহাল এবং সিনিয়র নেতা মাধব কুমার নেপাল ও তাদের অনুসারীরা। তারা চান, অলি প্রধানমন্ত্রী ও কো-চেয়ার দুটি পদই ছেড়ে দিক। তবে অলি কোন পদ ছাড়তেই রাজি হননি।

তবে, অলির বিরোধী নেতা মাধব কুমার নেপালের ঘনিষ্ঠ এনসিপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য বেদুরাম ভুষাল বলেছেন, ‘অভ্যন্তরীণ ফাটল সমাধানের একমাত্র বিকল্প হ’ল স্থায়ী কমিটির সাথে সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করা এবং তাদের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করা।’ স্থায়ী কমিটির অপর সদস্য মণি থাপা, যিনি দহালের নিকটবর্তী, তিনি অবশ্য বলেছেন যে, ‘আলোচনার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ পার্থক্যগুলো সমাধান করা যেতে পারে বলে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দিয়েছেন। এটি ইঙ্গিত দেয় যে অলি ও দহালের মধ্যে মতপার্থক্য কমে আসছে। সূত্র: দ্য হিমালয়ান টাইমস।



 

Show all comments
  • sanjoybhakat ১৩ জুলাই, ২০২০, ৯:২৮ এএম says : 0
    Oli is so good politician. He does not know the relation of Indian and Nepali public . They are both friend . He has no document of encroachment of Indian land but China are attacking Nepal! Nepal is actually Hindu Country . All Hindu want to be alive as Hindu country . All Hindu of India are love Nepal for their existence . So I always wish a good sense for Nepali .
    Total Reply(0) Reply
  • Sanjoy Bhakat ১৩ জুলাই, ২০২০, ৯:৪০ এএম says : 0
    Oli is immature politician! Prachanda is a very good human politician. He know the sense of Indian and Nepali public . Oli may bring Nepal as a servant of China like pakistan and Tibet. Indian always want to go Nepal as a home of Shivaya but he is selling the land of Nepal to China . India can solve any problem of border between India and Nepal . But he behaves like Chines which want China Ambassador. Be cool Oli! You are not suitable for Nepali People . Prachanda is the best!!!
    Total Reply(0) Reply
  • Sounik kundu ১৩ জুলাই, ২০২০, ৭:৩৪ পিএম says : 0
    যখন নেপালকে চিন আক্রমণ করলো তখন ভারত নেপালকে সাহায্য করেছিল।আর এখন ভারতকেই তারা শত্রু বানালো।
    Total Reply(0) Reply
  • Nurun Nabi ১৬ জুলাই, ২০২০, ৯:১২ এএম says : 0
    Friend and foe is always changeable thing.
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ