Inqilab Logo

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১০ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

বিস্তৃত হচ্ছে বন্যা

ঢাকার আশপাশের নদ-নদীর পানি বাড়ছে

ইনকিলাব রিপোর্ট | প্রকাশের সময় : ১৫ জুলাই, ২০২০, ২:০৭ এএম

টানা বৃষ্টি আর ভারতের ঢলে পদ্মা, যমুনা, তিস্তা, সুরমা, মেঘনাসহ দেশের প্রায় সবকটি নদ-নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে কমপক্ষে ১৮টি জেলার গ্রামের পর গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে লাখ লাখ মানুষ। ভেসে গেছে অনেক মৎস খামার। পানি বৃদ্ধির ফলে বিভিন্ন স্থানে তীব্র হচ্ছে নদী ভাঙন। বন্যা দুর্গত এলাকায় খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া গবাদিপশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন বানভাসি মানুষ। এ বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী দু’তিনদিনের মধ্যে নতুন করে আরও ১০টি জেলায় বন্যা বিস্তৃত হতে পারে। অন্যদিকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, গতকাল পর্যন্ত ৮২টি উপজেলার ৪০৩টি গ্রাম বন্যা দুর্গত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ৩ লাখেরও বেশি মানুষ। বন্যায় নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৪ লাখ মানুষ।

এদিকে, আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, গত ৮ জুলাই থেকে মৌসুমী বায়ু সক্রিয় হওয়ার কারণে উজানে ভারতের অরুনাচল, আসাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এর ফলে গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকায় পানি বাড়ছে। অন্যদিকে আসাম ও মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিúাতের ফলে মেঘনা অববাহিকায় সুরমা-কুশিয়ারা ও আপার মেঘনায়, যাদুকাটা, সোমেশ্বরী, ভোগাই, কংস, ধনু, মগড়া, খোয়াই এসব নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। অব্যাহত বৃষ্টি ও ভারতের ঢলে আগামী ২৪ ঘণ্টা দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। এতে দেশের বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।

অন্যদিকে, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১৩টি জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, দিনাজপুর, বগুড়া, জামালপুর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, নাটোর, নওগাঁ, মুন্সীগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ি ও ঢাকা জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। একই সাথে নীলফামারী, লালমনিরহাট, সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা ও রংপুর জেলার বন্যা পরিস্থিতির আগামী ২৪ ঘণ্টায় স্থিতিশীল থাকতে পারে পারে। দেশের পর্যবেক্ষণাধীন ১০১টি পয়েন্টের মধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে ৬৪টির, হ্রাস পেয়েছে ৩৪টির, অপরিবর্তিত হয়েছে ৩ ও বিপদসীমার উপরে ২৩টি পয়েন্টে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়েছে, কুড়িগ্রাম ১৫৫ মিলিমিটার, নোয়াখালী ১০৭ মিলিমিটার, টেকনাফ ৯২ মিলিমিটার, কক্সবাজার ৫৮ মিলিমিটার, ডালিয়া ৫৪ মিলিমিটার, চিলমারী ৫২ মিলিমিটার।

কুড়িগ্রাম থেকে শফিকুল ইসলাম বেবু জানান, কুড়িগ্রামের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। গতকাল সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি বিপদসীমার ১০০ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপুত্রের চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ৮৫ সেন্টিমিটার ও নুনখাওয়া পয়েন্টে ৮১ সেন্টিমিটার, তিস্তা কাউনিয়া পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। ৫৬টি ইউনিয়নের ৫শতাধিক গ্রামের প্রায় তিন লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। অব্যাহত পানি বৃদ্ধির কারণে জেলা-উপজেলা শহরের সাথে চরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ। বানভাসি মানুষের মাঝে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, শুকনো খাবার ও জ্বালানি সঙ্কট দেখা দিয়েছে। উঁচু রাস্তা, বাঁধ ও আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে হাজার হাজার মানুষ। অনেকেই নৌকার অভাবে নিরাপদ স্থানে যেতে পারছেনা। ধরলা নদীর পানির প্রবল চাপে সদর উপজেলার সারডোবে একটি বিকল্প বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম জানান, বাঁধটি অনেক আগেই পরিত্যক্ত হয়েছে। তবে বিকল্প বাঁধটি রক্ষার জন্য বালুর বস্তা ফেলা হচ্ছিল। কিন্তু পানির প্রবল চাপে শেষ পর্যন্ত বাঁধটি ভেঙে যায়।

দিনাজপুর থেকে মাহফুজুল হক আনার জানান, গত কয়েকদিনের বর্ষণ এবং উজানে ভারত থেকে ধেয়ে আসা পানির কারণে জেলার প্রধান ৩টি নদীর মধ্যে ১টি নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং অপর দুটির পানি বিপদসীমা ছুই ছুই করছে। দিনাজপুর শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া পুনর্ভবা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে দিনাজপুরের সদর উপজেলার বাঙ্গীবেচা ব্রিজ এলাকা, বালুয়াডাঙ্গা হঠাৎপাড়া, লালবাগ, রাজাপাড়ার ঘাট, বিরল মাঝাডাঙ্গা, নতুনপাড়ার দেড়হাজারের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ওইএলাকাগুলোতে দেখা দিয়েছে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির অভাব। পানিবন্দি মানুষেরা উঁচু বাঁধ ও নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছেন। দিনাজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের সার্ভেয়ার মাহাবুব আলম জানান, সকাল থেকে জেলার আত্রাই নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে মোশাররফ হোসেন বুলু জানান, টানা ভারি বর্ষণ আর ভারতের ঢলে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। প্রতিদিন প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। তিস্তার পানি বিপদ সীমার ৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ১২ হাজার পরিবারের ৫০ হাজার মানুষ।
নীলফামারী থেকে মুশফিকুর রহমান সৈকত জানান, ভারতের গজলডোবা ব্যারেজের মাধ্যমে পাহাড়ি ঢল হু হু করে প্রবেশ করছে বাংলাদেশে। এতে করে তিস্তা নদী ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পুর্বাভাস সর্তকীকরণ কেন্দ্র জানায়, ভারতে প্রচুর বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ভারত গজলডোবা ব্যারেজের সবকটি গেট খুলে দেয়ায় সেই পানি হু হু করে ধেয়ে আসছে বাংলাদেশের তিস্তা নদীতে।

জামালপুর থেকে নুরুল আলম সিদ্দিকী জানান, যমুনার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জামালপুরে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনার পানি ৪২ সেন্টিমিটার বেড়ে বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ৯৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

টাঙ্গাইল জেলা সংবাদদাতা জানান, টাঙ্গাইলে আবারও বাড়ছে নদ-নদীর পানি। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও ধলেশ্বরী নদীর পানি ৬৭ সেন্টিমিটার ও ঝিনাই নদীর পানি বিপদসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
লালমনিরহাট থেকে আইয়ুব আলী বসুনীয়া জানান, কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে আসা পাহাড়ী ঢলে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যার কারনে প্রায় ২০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

সিরাজগঞ্জ থেকে সৈয়দ শামীম শিরাজী জানান, দ্বিতীয় দফায় যমুনায় পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আবারও প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল। তলিয়ে যাচ্ছে চরাঞ্চলের ফসলি জমি। বাড়িঘরেও পানি উঠতে শুরু করেছে। ভারি বর্ষণ ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে যমুনা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার ও কাজিপুর পয়েন্টে বিপদসীমার ২৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

চাঁদপুর থেকে বি এম হান্নান জানান, ভারতের ঢলে চাঁদপুরের নদ-নদীর পানি অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পদ্মা-মেঘনা-ধনাগোদা নদী সংলগাœ চাঁদপুর সদর, হাইমচর ও মতলব উত্তরের কয়েকটি চরাঞ্চল পানিতে প্লাবিত হচ্ছে। এ অবস্থায় ওই সব এলাকায় বসবাসরত মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। মতলব দক্ষিণ উপজেলার একটি আশ্রায়ন প্রকল্প পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় আশ্রিতরা পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় মেঘনা রুদ্ররূপ ধারণ করেছে।

মুন্সীগঞ্জ থেকে মঞ্জুর মোর্শদ জানান, মুন্সীগঞ্জে পদ্মা এবং মেঘনা নদীর পানি এখনো বিপদ সীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্বি অব্যাহত থাকলে জেলার নীচু এরাকা প্লাবিত হবে। নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় পদ্মা ও মেঘনা নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।

নেত্রকোনা থেকে এ কে এম আব্দুল্লাহ্ জানান, গত দু’তিন দিন ধরে অব্যাহত ভারি বর্ষণ ও ভারতের মেঘালয় রাজ্য থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে নেত্রকোনার দুর্গাপুর, কলমাকান্দা ও বারহাট্টা উপজেলায় পুনরায় বন্যা দেখা দিয়েছে। অব্যাহত ভারি বর্ষণ ও ভারতের ঢলের নেত্রকোনার প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সুনামগঞ্জ থেকে হাসান চৌধুরী জানান, সুনামগঞ্জে সবকটি উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ডুবে গেছে ঘরবাড়ি রাস্তাঘাট। এতে করে জেলা শহরের সাথে উপজেলার সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। অনেক এলাকায় বসত বাড়িসহ টিউবওয়েল ডুবে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ফলে ডায়রিয়া ও পানি বাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
ফেনীর ছাগলনাইয়া থেকে মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, টানা দুই দিনের বর্ষণ ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ফেনীর মুহুরী নদীর ৬ স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলার প্রায় ১৭টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। গতকাল মুহুরী নদীর পানি বিপদসীমার ১.৩২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। অনেক স্থানে বাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছে।



 

Show all comments
  • jack ali ১৫ জুলাই, ২০২০, ৪:৪২ পিএম says : 0
    আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ- রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “যখন আমার উম্মত ১০টা কাজ করবে, তখন তাদের উপর বিপদ নেমে আসবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হলোঃ হে রাসূল, কী কী? তিনি বললেনঃ ▣ যখন রাস্ট্রীয় সম্পদকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করা হবে। ▣ যখন আমানত হিসেবে রক্ষিত সম্পদকে লুটের মাল হিসাবে গ্রহণ করা হবে (অর্থাৎ আত্মসাৎ করা হবে)। ▣ যাকাতকে জরিমানার মত মনে করা হবে। ▣ স্বামী যখন স্ত্রীর আনুগত্য করবে এবং মায়ের অবাধ্য হবে। ▣ বন্ধুর প্রতি সদাচারী ও পিতার সাথে দুর্ব্যবহারকারী হবে। ▣ মসজিদে হৈ চৈ হবে। ▣ জনগণের নেতা হবে সেই ব্যক্তি যে তাদের মধ্যেকার সবচেয়ে নিকৃষ্ট চরিত্রের অধিকারী। ▣ মানুষকে তার ক্ষতির আশংকায় সম্মান করা হবে। ▣ গায়িকা ও বাদ্যযন্ত্রের হিড়িক পড়ে যাবে। ▣ উম্মতের পরবর্তীরা পূর্ববর্তীদেরকে অভিশাপ দেবে। তখন আগুনের বাতাস আসবে, মাটির ধস ও দেহের বিকৃতি ঘটবে।” — সহীহ তিরমিযী; আততারগীব ওয়াত তারহীবঃ ৩য় খন্ডঃ ১৫৪১।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন