Inqilab Logo

ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১ আশ্বিন ১৪২৭, ০৮ সফর ১৪৪২ হিজরী

থাইল্যান্ডে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২১ জুলাই, ২০২০, ১২:০১ এএম

 নভেল করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে জনসমাগমে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে শনিবার সন্ধ্যায় থাইল্যান্ডে কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী সমবেত হয়েছে। ২০১৪ সালের সেনা অভ্যুত্থান পরবর্তী সবচেয়ে বড় বিক্ষোভে তারা সরকারের পদত্যাগ ও পার্লামেন্ট ভেঙে দেয়ার দাবি তুলেছে। খবর রয়টার্স। ছাত্রসমাজের নেতৃত্বাধীন ওই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা ব্যাংককের গণতন্ত্র তোরণের সামনে সমবেত হয়েছে। এ সময় তারা এক বছর বয়সী বেসামরিক সরকারের প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চ্যান-ওচার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করেছে। সাবেক এ সেনাপ্রধান ছয় বছর আগে নির্বাচিত একটি গণতান্ত্রিক সরকারকে অপসারণ করেছিলেন। বিক্ষোভের আয়োজকরা তিনটি প্রধান দাবি পেশ করেছে। সেগুলো হচ্ছে সংসদ ভেঙে দেয়া, সরকারের সমালোচকদের হয়রানি বন্ধ করা এবং সেনাবাহিনী প্রণীত সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা। সমালোচকরা বলছেন, ওই সংবিধানের বলেই গত বছরের নির্বাচনে জয়ী হয়েছিল প্রায়ুথ নেতৃত্বাধীন দলটি। উপস্থিত জনতাকে ছাত্রনেতা তাতেপ রুয়াংপ্রাপাইকিত বলেন, এ রকম গণতন্ত্রহীনতা আমরা কীভাবে মেনে নিতে পারি। বিক্ষোভে ইঙ্গিতপূর্ণভাবে সর্বক্ষমতাবান থাই রাজতন্ত্রেরও সমালোচনা করা হয়। থাইল্যান্ডের আইনে দেশটির রাজতন্ত্র ও রাজার কোনো সমালোচনা করা যায় না। কিন্তু বিক্ষোভে রাজতন্ত্রের যেভাবে সমালোচনা করা হয়, তা আগে অকল্পনীয় ছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও বিক্ষোভ থামাতে কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি তাদের। গণতন্ত্র তোরণটিকে আগেই কর্তৃপক্ষ এ নির্দেশনা লিখে ঘিরে রাখে- বিনা অনুমতিতে প্রবেশ নিষেধ, ব্যবস্থাপনার কাজ চলছে। শনিবার ছাত্র সম্প্রদায় বিক্ষোভের সূচনা করলেও সন্ধ্যা হতে হতে বিভিন্ন বয়সী মানুষ সেখানে জমায়েত হয়। উপস্থিত প্রতিবেদকদের বরাতে জানা গেছে, ওই বিক্ষোভে আড়াই হাজারের মতো বিক্ষোভকারী অংশগ্রহণ করেছেন। চলমান লকডাউন পরিস্থিতি এবং জনসমাগমে নিষেধাজ্ঞা বিবেচনায় উপস্থিতি বেশ লক্ষণীয়। মাঝরাতের দিকে বিক্ষোভকারীরা বিক্ষিপ্ত হয়ে যায় এবং আয়োজকরা বলছে যদি তাদের দাবি মানা না হয়। রয়টার্স।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: থাইল্যান্ড


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ