Inqilab Logo

ঢাকা সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৩ আশ্বিন ১৪২৭, ১০ সফর ১৪৪২ হিজরী

জম্মু-কাশ্মীরে জমি অধিগ্রহণে অনুমতির প্রয়োজন হবে না

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৯ জুলাই, ২০২০, ১২:০১ এএম

জম্মু-কাশ্মীর থেকে ১৯৭১ সালের জমি অধিগ্রহণ আইন বাতিল করা হয়েছে। বলবৎ হয়েছে জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় আইন। এর আগে সেনা, বিএসএফ, সিআরপিএফ-এর প্রয়োজনে জমি অধিগ্রহণে জম্মু-কাশ্মীরের স্বরাষ্ট্র দফতরের অনুমতির প্রয়োজন হতো। কিন্তু নতুন আইন হওয়ায় সেই অনুমতির আর প্রয়োজন হবে না।
উপত্যাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য জমি অধিগ্রহণ এখন ‘ভ‚মি অধিগ্রহণ, ন্যায্য পুনর্বাসন ও স্বচ্ছ অধিগ্রহণ পুনর্বাসন আইন, ২০১৩-র আওতাভুক্ত করা হল।
কেন্দ্র শাসিত জম্মু-কাশ্মীরের রাজস্ব দফতরের তরফে গত ২৪ জুলাই জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সেনা, বিএসএফ, সিআরপিএফ বা সমতুল্য কোনও সংস্থার জন্য জমি অধিগ্রহণের বিষয়টি এবার ২০১৩ সালের জমি অধিগ্রহণ ও ন্যায্য পুনর্বাসন আইনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
জমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসনের বিষয়টি এবার থেকে জেলা কালেক্টররাই দেখভাল করবেন। এমনকি জাতীয় সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রেও দায়িত্বে থাকবেন জেলা কালেক্টর।
১৯৮৮ সালের বিল্ডিং অপারেশন অ্যাক্ট ও ১৯৭০ সালের ডেভালপমেন্ট অ্যাক্ট সংশোধনের অনুমোদন দিয়েছে জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন। এ পদক্ষেপের ঠিক পরের দিন সেনা, বিএসএফ, সিআরপিএফ বা সমতুল্য কোনও সংস্থার জন্য জমি অধিগ্রহণে স্বরাষ্ট্র দফতরের অনুমতির প্রয়োজন পড়বে না বলে জানিয়ে দিয়েছে ভারতের কেন্দ্র সরকার। এখন থেকে উপত্যকার ‘কৌশলগত অঞ্চলে’ নির্মাণ কাজের ক্ষেত্রে সশস্ত্র বাহিনী বিশেষ অধিকার পেল।
জমি অধিগ্রহণ ও ন্যায্য পুনর্বাসন আইন ২০১৩ অনুসারে কৌশলগত কারণে ভারতীয় সেনা, নোবাহিনী, ও বিমান বাহিনী, সিআরপিএফ, বিএসএফ-এর আর প্রশাসনের অনুমতির প্রয়োজন হবে না। কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলোতে (পদুচেরি বাদে) জমি অধিগ্রহণে কেন্দ্রীয় জমি অধিগ্রহণ আইনই বলবৎ হবে। সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

 



 

Show all comments
  • আল মামুন ২৯ জুলাই, ২০২০, ১:২২ এএম says : 0
    মুসলিম বিশ্বের উচিত কাশ্মীর ব্যাপারে ভারতের ওপর চাপ প্রয়োগ করা।
    Total Reply(0) Reply
  • জসিম ২৯ জুলাই, ২০২০, ১:২৫ এএম says : 0
    হে আল্লাহ তুমি ভারতের কাশ্মীরের মুসলমান ভাইদের কে হেফাজত করো
    Total Reply(1) Reply
    • asif ২৯ জুলাই, ২০২০, ১১:২৯ এএম says : 0
      ভারতের মুসলমান রা ভালোই আছে .... আপনার এতো চাপ নিয়ে লাভ নেই :)
  • রেজাউল করিম ২৯ জুলাই, ২০২০, ১:২৪ এএম says : 0
    ওই সিদ্ধান্ত কাশ্মীরের স্বাধীনতা আন্দোলনকে আরো তরান্বিত করবে
    Total Reply(0) Reply
  • শুভ্র সাহা ২৯ জুলাই, ২০২০, ১:২১ এএম says : 0
    ভারত সরকারের এই ভুলের কারণে হয়তো একদিন কাশ্মীর তাদের হাতছাড়া হয়ে যাবে
    Total Reply(0) Reply
  • জহিরুল ইসলাম ২৯ জুলাই, ২০২০, ১:১৮ এএম says : 0
    জম্মু-কাশ্মীরে জমি অধিগ্রহণ বিষয়ক এই নীতিমালা ভারত সরকারের জন্য কাল হয়ে দাঁড়াতে পারে
    Total Reply(0) Reply
  • মাজহারুল ইসলাম ২৯ জুলাই, ২০২০, ১:২০ এএম says : 0
    ইতোমধ্যেই কাশ্মীরের হিন্দু পণ্ডিতরা এর প্রতিবাদ জানিয়েছে। তাই সরকারের উচিত অনতিবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা
    Total Reply(0) Reply
  • Sam ২৯ জুলাই, ২০২০, ২:২০ এএম says : 0
    পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে বহিরাগতের আবাসন দিয়েছে পাকিস্তান যাতল্মিূরারা কোনদিন এক হয়ে স্বাধীন কাশ্মীর না গড়ে। ভারত দেরিতে এই কাঁদে হাত দিয়েছে। মুসলিম মেজোরিটি থাকবেন। বরং ৮০% অমুসলিম করে ফেলবে জিনজিয়ীংয়ের মত। আর কাশ্মিরীরাও এটাই চাইছে। বহু জাতি এবং জনসংখ্যা না বাডালে কাশ্মীরের উন্নতি হবেনা।.
    Total Reply(0) Reply
  • Swaraj nath sarkar ২৯ জুলাই, ২০২০, ৬:২১ পিএম says : 0
    ভারত বর্ষের অন্যান্য রাজ্যের লোকেদের অবিলম্বে কাশ্মীরে জমি কেনার অধিকার দেওয়া হোক।অমুসলিমদের কাশ্মীরে যথেষ্ট নিরাপত্তার সঙ্গে বসানো হোক। প্রাক্তন সামরিক কর্মীদের উপত্যকায় বিনামূল্যে বাড়ির জমি উপলব্ধ করিয়ে বসানো হোক। দেখবেন কয়েক বৎসরের মধ্যে কাশ্মীর শান্ত হলে গেছে।
    Total Reply(0) Reply
  • Sarajit KumarBairagi ৩০ জুলাই, ২০২০, ১০:৩৯ এএম says : 0
    ভারত ভালোকরে করে জানে তাকে কি করতে হবে। আর মুসলমানের ভালো থাকার প্রশ্ন? সে তো মুসলমানরা ভালো করে জানে।
    Total Reply(0) Reply
  • গোপাল সমাদদার ৩১ জুলাই, ২০২০, ১২:১২ এএম says : 0
    পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে জম্মু কাশ্মীরের মুসলিমরা অনেক ভালো আছে। ভারত বষে'র অন্যান্য রাজ্যের থেকে বিশেষ সুবিধা ভোগ করছিল কাশ্মীরের জনগন, তাসত্ত্বেও ভারতের পিছনে বাশ দিয়ে যাচ্ছিল। ভালো সহ্য হলো না, তাই এবার কেন্দ্রীয় সরকার বেশ করেছে ওদের এই বিশেষ অধিকার কেড়ে নিয়ে ভারতের অন্যান্য রাজ্যের জনগনের সাথে একাসনে বসিয়ে দিয়েছে। একই দেশের নাগরিক হয়ে বিশেষ সুবিধা ভোগ করবে কেন। আমাদের কষ্টার্জিত টাকায় ওরা বিশেষ সুবিধা ভোগ করবে কেন? আল্লাহ বলেছেন উপাজ'নের টাকা সবাই সমান ভাবে ভোগ করবে, তবে এখন কান্নাকাটি কেন?
    Total Reply(0) Reply
  • Mustafizur Rahman Ansari ১৭ আগস্ট, ২০২০, ১২:৩৪ এএম says : 0
    Wrong Decision was ABDULLAH SAHEB
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: জম্মু-কাশ্মীর


আরও
আরও পড়ুন