Inqilab Logo

ঢাকা রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২ আশ্বিন ১৪২৭, ০৯ সফর ১৪৪২ হিজরী

আজ থেকে ওয়ানডের রোমাঞ্চ

ইংল্যান্ড-আয়ারল্যান্ড ওয়ানডে লিগ

স্পোর্টস ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৩০ জুলাই, ২০২০, ১২:০২ এএম

ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ দিয়ে করোনাভাইরাস বিরতির পর প্রথম মাঠে ফিরেছিল ক্রিকেট। এবার সেই ইংল্যান্ডেই প্রথম ওয়ানডে ম্যাচের সাক্ষী হতে যাচ্ছে সেই ইংল্যান্ডই। তবে প্রতিপক্ষ এবার তাদেরই প্রতিবেশি আয়ারল্যান্ড। আজ থেকে শুরু হতে যাওয়া তিন ম্যাচের এই সিরিজ দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে ওয়ানডে সুপার লিগ। পরের দুই ম্যাচ হবে আগামী শনি ও মঙ্গলবার। সবগুলি ম্যাচই হবে সাউদাম্পটনের আজিয়াস বৌলে, দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে।
মূলত ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাছাই প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে এই সুপার লিগ দিয়ে। শুরু হওয়ার কথা ছিল গত মে মাসে, করোনাভাইরাসের কারণে যা পিছিয়ে যায়। বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে আইরিশদের সিরিজ দিয়ে সুপার লিগ শুরুর কথা আগেই জানায় আইসিসি।
তিন বছর মেয়াদী প্রথম সুপার লিগে খেলবে ১৩টি দল। ১২টি টেস্ট খেলুড়ে দেশের সঙ্গে অংশ নেবে ২০১৫-১৭ আইসিসি ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট লিগের বিজয়ী দল নেদারল্যান্ডস। প্রতিটি দল এই সময়ে খেলবে আটটি করে সিরিজ; চারটি দেশের মাটিতে, চারটি প্রতিপক্ষের মাঠে। প্রতিটি সিরিজ হবে তিন ম্যাচের। শীর্ষ সাত দল সরাসরি অংশ নেবে ২০২৩ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে ভারতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে। ভারত সরাসরি খেলবে স্বাগতিক হিসেবে।
প্রতি জয়ের জন্য মিলবে ১০ পয়েন্ট, টাই অথবা ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে মিলবে ৫ পয়েন্ট। তবে সুপার লিগে নির্ধারিত সময়ের পর করা প্রতিটি ওভারের জন্য একটি করে পয়েন্ট কাটা হবে। সরাসরি বিশ্বকাপে উঠতে ব্যর্থ পাঁচ দলসহ সহযোগী পাঁচ সদস্য দল খেলবে ২০২৩ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে। সেখান থেকে মূল টুর্নামেন্টের টিকিট পাবে দুই দল। ১০ দলের ২০২৩ বিশ্বকাপ প্রাথমিকভাবে হওয়ার কথা ছিল ফেব্রুয়ারি-মার্চে। তবে গত সপ্তাহে এই বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পাশাপাশি ওয়ানডে বিশ্বকাপও পিছিয়ে দেয় আইসিসি।
সিরিজকে সামনে রেখে শক্তিশালী ওয়ানডে দলই ঘোষনা করেছে আয়ারল্যান্ড। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডের দলে আছেন অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া কার্টিস ক্যাম্পার ও দেশের হয়ে ২০টি টি-টোয়েন্টি খেলা মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যান হ্যারি টেক্টর।
এই লিগ দিয়ে বেশ কিছু ‘নতুনের’ সাক্ষী হতে যাচ্ছে ক্রিকেট বিশ্ব। লিগে সামনের পায়ের ‘নো বল’ ধরতে প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। একই সঙ্গে মন্থর ওভার রেটের জন্য কাটা হবে পয়েন্ট।
২০১৬ সালে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের ওয়ানডে সিরিজে প্রথমবার পরীক্ষামূলকভাবে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তিন বছর পর ২০১৯ সালে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সীমিত ওভারের সিরিজে আবারও পায়ের ‘নো বল’ ডাকার দায়িত্ব দেওয়া হয় টিভি আম্পায়ারকে। চলতি বছরের শুরুতে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ছিল এই নিয়ম।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ইংল্যান্ড-আয়ারল্যান্ড
আরও পড়ুন