Inqilab Logo

মঙ্গলবার, ০৩ আগস্ট ২০২১, ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮, ২৩ যিলহজ ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

এবারও মসজিদে ঈদের জামাত

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৩০ জুলাই, ২০২০, ২:৩৮ পিএম

করোনা পরিস্থিতিতে আগামী ১ আগস্ট সারাদেশে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হবে। করোনায় মুসল্লীদের জীবন ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে এবারের পবিত্র ঈদুল আযহার জামাত ঈদগাহ বা খোলা জায়গার পরিবর্তে নিকটস্থ মসজিদে আদায় করতে হবে। প্রয়োজনে একই মসজিদে একাধিক ঈদ জামাত আদায় করা যাবে।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। সরকারের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের জারিকৃত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে শর্তসাপেক্ষে ঈদ জামাত মসজিদে আদায়ের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়।

উল্লেখ্য, করোনা পরিস্থিতির কারণে গত ঈদুল ফিতরের জামাত ঈদগাহে আদায় না করে মসজিদে আদায় করা হয়েছিল। মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এবার পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজের জামাতের সময় মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। নামাজের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবানুনাশক দ্বারা পরিষ্কার করতে হবে। মুসল্লীরা প্রত্যেকে নিজ-নিজ দায়িত্বে বাসা থেকে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন। প্রত্যেককে নিজ-নিজ বাসা থেকে ওযু করে মসজিদে আসবেন এবং ওযু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধ নিশ্চিতে মসজিদে ওযুর স্থানে সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। মসজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান-পানি রাখতে হবে।

জামাতে আসা মুসল্লীকে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করতে পারবেন না মুসল্লীরা।

ঈদের নামাজ আদায়ের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে দাঁড়াতে হবে এবং এক কাতার অন্তর অন্তর কাতার করতে হবে।

শিশু, বৃদ্ধ, যে কোন ধরণের অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি ঈদের নামাজের জামাতে অংশগ্রহণ করবেন না বলে ধর্মমন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।
সর্বসাধারণের সুরক্ষার নিশ্চতে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে মসজিদে জামাত শেষে কোলাকুলি এবং পরস্পর হাত মেলানো পরিহার করতে হবে মুসল্লীদের।

করোনা মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ঈদের নামাজ শেষে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করার জন্য খতিব ও ইমামগণের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

খতিব, ইমাম, মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রণালয় বলেছে, পশু কোরবানীর ক্ষেত্রে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদের পরিচালনা কমিটি উল্লিখিত নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে ৬টি জামাআত অনুষ্ঠিত হবে। তবে করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে এসব জামাআত আয়োজনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

জাতীয় মসজিদে ঈদের প্রথম জামাত সকাল ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। এরপর এখানে পর্যায়ক্রমে আরও ৫টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সর্বশেষ জামায়াত বেলা ১১টা ১০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্র: বাসস



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ঈদের জামাত


আরও
আরও পড়ুন