Inqilab Logo

রোববার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২২ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

আমার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। তবে আমি মহিলা ও কিছুটা অসুস্থ। পরিবারের ছেলেমেয়েরা কোরবানি করার মতো সাহস রাখে না। ঝামেলা সামলানোর মতো কেউ নেই। এখন কি পশু কোরবানি না করে টাকা দান করে দিলে চলবে?

সায়মা সুলতানা
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ৩০ জুলাই, ২০২০, ৭:১৩ পিএম

উত্তর : যার ওপর কোরবানি ওয়াজিব, তাকে পশু কোরবানিই করতে হবে। টাকা দান করলে কোরবানি আদায় হবে না। ঝামেলা সামলানোর মতো কেউ না থাকলে কোনো আত্মীয় স্বজনকে দায়িত্ব দিয়ে দিতে পারেন। সুযোগ থাকলে শরিক কোরবানি দিলে নিজেদের ঝামেলা পোহাতে হয় না। এরপরও ইচ্ছে করলে কোনো মাদরাসায় কোরবানির পশু পাঠিয়ে দিতে পারেন। সব ঝামেলা তারাই করবে। আপনার চাহিদা মতো গোশতও আপনার কাছে পৌঁছে দেবে তারা। এসবও যদি কঠিন মনে হয়, তাহলে কোনো গরিব মানুষ, গ্রামবাসী দরিদ্র বা এতিমখানায় পশুটি উপহার হিসেবে দিয়ে দিন। দান করবেন না, তাহলে কোরবানি হবে না।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।
[email protected]

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: কোরবানি

২২ জুলাই, ২০২১
২৪ জুলাই, ২০২১
২০ জুলাই, ২০২১

আরও
আরও পড়ুন

প্রশ্ন : এক ব্যক্তি আমার বেশ কিছু টাকা আত্মসাৎ করেছিল। প্রায় ১৬ বছর আইনি লড়াইয়ের পর আদালতের মাধ্যমে সে টাকা আমি ফেরত পেয়েছি। উক্ত টাকা ছাড়াই আমার নিসাব পরিমান সম্পদ শুরু থেকেই ছিল এবং উক্ত টাকা বাদ দিয়ে আমি আমার সম্পদের যাকাত দিয়ে আসছি। এখন প্রশ্ন এই যে, আত্মসাৎকারীর টাকা ফেরত পাওয়ার এক বছর পর কী এই টাকার উপর যাকাত দিতে হবে নাকি বিগত সব বছরের জন্য যাকাত দিতে হবে। এ আইনি লড়াইয়ে আমার যে পরিমান টাকা ব্যয় হয়েছে তা বাদ দিয়ে অবশিষ্ট টাকার, নাকি ফেরত পাওয়া সম্পূর্ণ টাকার ওপর যাকাত দেব ?

উত্তর : ফেরত পাওয়া সম্পূর্ণ টাকার যাকাত দিতে হবে। ফেরত না পেলে যাকাত দিতে হতো না। ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকলেও যাকাত দিতে হত না।

আমরা জানি যে, রাতের বেলা ঘুমানোর আগে ৪ বার সূরা ফাতিহা, ৩ বার সূরা ইখলাস, ৩ বার দুরুদে ইব্রাহীম, ৪ বার কালেমা তামজিদ ও ১০ বার ইস্তেগফার পড়লে যথাক্রমে ৪০০০ দিনার দান, ১ বার কুরআন খতম করা, জান্নাতের মূল্য দেওয়া, ১ বার হজ্ব করা ও দ্বন্দ্ব মিটিয়ে দেওয়ার নেকী পাওয়া যায়। এখন আমার প্রশ্ন হল, সোয়াবের আশায় বা পরকালে লাভবান হওয়ার জন্য কোন নফল ইবাদত বা এই আমলগুলো পরিমাণে বেশি করলে (যেমন ৩ বারের জায়গায় ৬ বার, ৪ বারের জায়গায় ৮ বার, ৩৩ বারের জায়গায় ৫০ বার পড়লে) বিদাআত হবে কি?

উত্তর : হাদীসে বর্ণিত নিয়ম পালন করাই ঘোষিত সওয়াব পাওয়ার জন্য যথেষ্ট। সুন্নাত নিয়ম সুন্নাতের মতোই করা উচিত। এরপর আপনার ইচ্ছা হলে আরও বেশি নেকীর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ