Inqilab Logo

সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫ আশ্বিন ১৪২৮, ১২ সফর ১৪৪৩ হিজরী

চিঠিপত্র

| প্রকাশের সময় : ৩১ জুলাই, ২০২০, ১২:০৩ এএম

করোনাকালীন সময়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ

স্কুল, কলেজ সব বন্ধ। পড়াশোনার ক্ষেত্রে একটি ধাক্কা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। সামনের দিনগুলোতে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে পরীক্ষা নিয়ে, ক্লাসে প্রোমশন নিয়ে এবং রেজাল্ট নিয়েও। অনেক স্কুল ছোট বাচ্চাদের বাসায় পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা করছে, অনলাইনে পড়িয়ে কিছুটা ঘাটতি কমানোর চেষ্ট করছে। কিন্তু শিক্ষকরা এ সময়টাতে কী করছেন? অনেক শিক্ষক এখন একেবারে মুক্ত সময় কাটাচ্ছেন। তাদের স্কুল সংক্রান্ত কাজগুলো না থাকায় এখানে বড় ধরনের একটি ঘাটতি তৈরি হবে। শিক্ষার্থীদের মত শিক্ষকদেরও এ সময়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যায়। ধরা যাক, একটি স্কুলে গণিত শিক্ষক রয়েছেন দুজন কিন্তু ইংরেজিতে পড়ানোর ক্ষেত্রে প্রচন্ড রকম সমস্যা। অথবা দেখা গেল একজন শিক্ষক সবই খুব ভালো পারেন কিন্তু আইসিটি তেমন বোঝেন না। এমনও হতে পারে যে শিক্ষক সব বোঝেন কিন্তু সে ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে ভালো ব্যবহার করতে জানেন না বা করেন না। এই যে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয় খুব কম। কিন্তু এ বিষয়গুলোর ব্যপারে প্রশিক্ষণ বাড়ানো যেতে পারে অনলাইনে। যে শিক্ষক যে বিষয়ে দুর্বল সে শিক্ষককে অন্য বিষয়গুলো প্রশিক্ষণের আওতায় আনা প্রয়োজন। অনলাইনে থাকে না এমন মানুষ খুব কম। সকল বিষয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানতে পারলে পড়ার মান উন্নত করা সম্ভবে হবে বলে মনে করি। শিক্ষকদের গুণগত মান সম্পন্ন হওয়ার জন্য অনলাইন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়াতে এবং অদক্ষ শিক্ষকদের দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন রাখছি, সপ্তাহে অন্তত দুটো অনলাইন ক্লাস শিক্ষকদের জন্য রাখুন, তবেই দক্ষ শিক্ষক প্রাপ্তি সহজ হবে।
সাঈদ চৌধুরী
শ্রীপুর, গাজীপুর।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: চিঠিপত্র

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১
৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

আরও
আরও পড়ুন