Inqilab Logo

ঢাকা রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২ আশ্বিন ১৪২৭, ০৯ সফর ১৪৪২ হিজরী

আশারায়ে মুবাশশরাহ অর্থাৎ বেহেশতের সুসংবাদপ্রাপ্ত ব্যক্তির কে কখন কি কারণে এ সুসংবাদ পেলেন? জানালে খুশি হবো।

আফসানা হুমায়রা
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ৭ আগস্ট, ২০২০, ৭:০৭ পিএম

উত্তর : আমাদের বুঝতে হবে যে, প্রিয় নবীজি সা. এর সাহাবীগণের সকলেই জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত। পবিত্র কোরআনে এ বিষয়ে সুসংবাদ রয়েছে। এদের মধ্যে হজরত আবু বকর রা., হজরত ওমর রা., হজরত ওসমান রা., হজরত আলী রা., হজরত সা’দ ইবনে আবী ওয়াক্কাস রা., হজরত আবদুর রহমান ইবনে আউফ রা., প্রমুখ ১০ জন সাহাবী সম্পর্কে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উপলক্ষ্যে এ মর্মে সুসংবাদ দিয়েছিলেন যে, এরা জান্নাতি। সে সব উপলক্ষ্যের বিবরণ দীর্ঘ আলোচনাসাপেক্ষ। শুধু এতটুকু বলা যায় যে, এদের সম্পর্কে প্রি নবীজি সা. যেহেতু সরাসরি নাম উচ্চারণ করে এ কথা বলেছেন যে, অমুক জান্নাতি, আর এরূপ সাহাবীর সংখ্যা যেহেতু ১০ জন, এ জন্য এদেরকে একসাথে আশারায়ে মুবাশশারাহ বা জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত ১০ জন বলে অভিহিত করা হয়।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।
[email protected]com

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

Show all comments
  • সাইদুল ইসলাম ৮ আগস্ট, ২০২০, ১:০১ এএম says : 0
    মাশাআল্লাহ
    Total Reply(0) Reply
  • Md.sohel rana ৮ আগস্ট, ২০২০, ৫:৪৭ পিএম says : 0
    বেতের নামাজ এক রাকাত পড়লে নামাজ আদায় হবে কিনা ।
    Total Reply(2) Reply
    • ৮ আগস্ট, ২০২০, ৬:০৯ পিএম says : 0
    • Md. mahabob Alam ৯ আগস্ট, ২০২০, ১১:৩৪ এএম says : 0
      বেতের নামাজ এক রাকাত পড়লে নামাজ আদায় হবে কিনা?

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন

আমি শরিয়তের হুকুম আহকাম মোতাবেক চলার চেষ্টা করি। পারিবারিক বাধা সত্বেও দাড়ি টুপি ব্যবহার করছি। ১ বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে করি। বিয়েতে আমি পরিপূর্ন শরিয়ত মানার চেষ্ঠা করেছি এতে পরিবারের সবাই নারাজ হয়। বড় বোন জামাইয়ের নারাজির কারণে মা-বাবাও খুশি নন। পর্দার খেলাফ এবং আমার কর্মক্ষেত্র দূরে হওয়ায় আমার স্ত্রীকে আমার কাছে নিয়ে আসি। এইজন্য আমার মা আমার প্রতি অসন্তুষ্ট। তিনি আমার স্ত্রীকে ফোনে গালিগালাজ করে। বড় ভাই নেশাগ্রস্থ ও অন্যান্য অপরাধের সাথে যুক্ত থাকার পরেও তারা তাকেই বেশী আশ্রয় প্রশ্রয় দেয়। মাস শেষে টাকা নেওয়ার জন্য ফোন করা ছাড়া আমার সাথে তারা কোনো যোগাযোগ রাখে না। এই অভিমানে আমিও যোগাযোগ কম করি এবং ৬ মাস যাবৎ বাড়ি যাওয়া বন্ধ করে দেই। এতে তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। যদিও তাদের জন্য আমার কষ্ট হচ্ছে। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি?

উত্তর : তাদের জন্য আপনার কষ্ট হওয়াটা আপনার ভালো মানুষির চিহ্ন। এটি সন্তান হিসাবে, ভাই হিসাবে, পরিবারের সদস্য হিসাবে আপনার প্রশংসনীয় অনুভূতি। এটুকুর জন্য ইনশাআল্লাহ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ