Inqilab Logo

রোববার, ২৯ মে ২০২২, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৭ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

পদ্মা সেতু প্রকল্পের স্থাপনা ভাঙন ঝুঁকিতে

মুন্সীগঞ্জ জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ৯ আগস্ট, ২০২০, ১২:১০ এএম

পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে যাওয়া ৩ নম্বর ফেরি ঘাটটিতে জিও ব্যাগ ফেলে পুনঃস্থাপনের চেষ্টা চলছে। তবে গতকাল এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৩ নম্বর ঘাট দিয়ে ফেরি চলাচল শুরু করা সম্ভব হয়নি। আজ এ ঘাট দিয়ে ফেরি চলাচল সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে বিআইডবিøউটিসি কর্তৃপক্ষ।
মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ফেরি ঘাট এলাকায় পদ্মার অব্যাহত ভাঙন ও তীব্র স্রোতে ২টি ফেরি ঘাট এবং কুমারভোগে পদ্মা সেতুর কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে দ্বিতীয় বারের মতো ব্যাপক এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। পদ্মা সেতুর দু’পাশে ২শ’ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনে ১ নম্বর ও ২ নম্বর ফেরি ঘাটসহ বিআইডব্লিউটিসি ও পদ্মা সেতু প্রকল্পের স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবার আশঙ্কা রয়েছে। অব্যাহত ভাঙনে ফেরি ঘাট এলাকায় পদ্মা নদী প্রায় ৬শ’ ফুট ভেতরে ঢুকে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ২ নম্বর ঘাট থেকে নদী ১ হাজার মিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে। যে কোন সময় নদীর তীব্র স্রোতে সোজা প্রবাহিত হয়ে বিস্তৃত এলাকা গ্রাস করবে। ২০১৫ সালের এ সময় পদ্মার ব্যাপক ভাঙনে কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে আকস্মিক ব্যাপক ভাঙন দেখা দেয়। ভাঙনে পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজের মালামাল ওঠা-নামার জন্য নির্মিত ৪টি জেটির মধ্যে ৩টি জেটি ভেঙে পড়ে।

প্রবল ঘূর্ণিতে ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে মিক্সার পান এলাকাটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। নদী প্রায় ৩০-৪০ মিটার ভেতরে ঢুকে পড়ে। সর্বনাশা পদ্মার চরিত্র ভিন্ন প্রকৃতির। নদীর স্রোত বাঁধা পেলে পার্শ্ববর্তী এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দেয়। ফেরি ঘাট এলাকা থেকে প্রায় ১৫শ’ মিটার দূরে নদীর মাঝে নির্মিত বিদ্যুতের পিলারে স্রোত বাঁধা পেয়ে ভেতরে ঢোকার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে ফেরি ঘাট এলাকায় ভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: পদ্মা-সেতু
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ