Inqilab Logo

ঢাকা সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৩ আশ্বিন ১৪২৭, ১০ সফর ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

অনেকেই বলে থাকেন, বেহেশত পাওয়ার আশায় ইবাদত করা ঠিক না? আর আমিও জানি যে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ইবাদত করা হলো মুমিনের দায়িত্ব। বুঝিয়ে বিস্তারিত বললে ভালো হতো।

হাবিবুল্লাহ আকন্দ
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ১০ আগস্ট, ২০২০, ৮:০০ পিএম

উত্তর : বেহেশত পাওয়ার আশা আর জাহান্নাম থেকে মুক্তি, এ দু’টি আল্লাহর সন্তুষ্টিরই নিদর্শন। সুতরাং এই আশা এবং ভয় ঈমানের অঙ্গ। এসবে কোনো দোষ নেই। বলা যায়, আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়া আর বেহেশতে যাওয়া একই অর্থ। অপর দিকে, আল্লাহর অসন্তুষ্টি ও জাহান্নামে যাওয়া একই অর্থবোধক শব্দ। সুতরাং বেহেশত চাই না, জাহান্নামকে ভয় পাই না, এ ধরনের কথা আল্লাহর অসন্তুষ্টির কারণ হতে পারে। এসব বাদ দিয়ে আমি শুধু আল্লাহকে সন্তুষ্ট করতে চাই এমন কোনো কথা শরিয়তে পাওয়া যায় না। এসব যেভাবে কোরআন-হাদিসে আছে সেভাবেই চিন্তা করা দরকার। নিজ থেকে চিন্তা করে বেশি বোঝার আলাদা কোনো প্রয়োজন নেই।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।
[email protected]

 

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ইবাদত

১০ অক্টোবর, ২০১৯
৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন

আমার মা খালারা চার বোন, এক ভাই। নানা নানী মারা গেছে। এখন আমার মা খালারা নানার সম্পত্তির যে অংশ পাবে তা নিয়ে আসতে চায়। কিন্তু আমার মামা এবং এক খালা বলে, মা খালারা যে সম্পত্তি পাবে তা থেকে অর্ধেক এবং কম দামী জমি আনতে এবং মামা, মামী আমাদের সাথে খুবই দুর্ব্যবহার করে। কিন্তু আমার মা এবং অন্য দুই খালারা তাতে রাজি না। এতে এক খালা এবং মামা, আমার মা এবং দুই খালাকে বার বার জোর জবরদস্তি করে। এখানে উল্লেখ্য যে, আমার এক খালা এবং মামার আর্থিক অবস্থা খুবই ভাল। তাদের ছেলে মেয়েরা আমেরিকা এবং জাপান থাকে। অন্য দিকে আমাদের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। এই অবস্থায় আমার এক খালা এবং মামার প্রস্তাব কুরআন এবং হাদিসের আলোকে কতটা যৌক্তিক। জানালে উপকৃত হব।

উত্তর : কোরআন ও সুন্নাহ এ ক্ষেত্রে সমমূল্যের সম্পত্তি সবাইকে দেওয়ার কথা বলে। তবে, ওয়ারিশানরা একমত হয়ে কোনো ছাড় দিলে বা সমঝোতা করলে এটাও শরীয়ত

আমি শরিয়তের হুকুম আহকাম মোতাবেক চলার চেষ্টা করি। পারিবারিক বাধা সত্বেও দাড়ি টুপি ব্যবহার করছি। ১ বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে করি। বিয়েতে আমি পরিপূর্ন শরিয়ত মানার চেষ্ঠা করেছি এতে পরিবারের সবাই নারাজ হয়। বড় বোন জামাইয়ের নারাজির কারণে মা-বাবাও খুশি নন। পর্দার খেলাফ এবং আমার কর্মক্ষেত্র দূরে হওয়ায় আমার স্ত্রীকে আমার কাছে নিয়ে আসি। এইজন্য আমার মা আমার প্রতি অসন্তুষ্ট। তিনি আমার স্ত্রীকে ফোনে গালিগালাজ করে। বড় ভাই নেশাগ্রস্থ ও অন্যান্য অপরাধের সাথে যুক্ত থাকার পরেও তারা তাকেই বেশী আশ্রয় প্রশ্রয় দেয়। মাস শেষে টাকা নেওয়ার জন্য ফোন করা ছাড়া আমার সাথে তারা কোনো যোগাযোগ রাখে না। এই অভিমানে আমিও যোগাযোগ কম করি এবং ৬ মাস যাবৎ বাড়ি যাওয়া বন্ধ করে দেই। এতে তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। যদিও তাদের জন্য আমার কষ্ট হচ্ছে। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি?

উত্তর : তাদের জন্য আপনার কষ্ট হওয়াটা আপনার ভালো মানুষির চিহ্ন। এটি সন্তান হিসাবে, ভাই হিসাবে, পরিবারের সদস্য হিসাবে আপনার প্রশংসনীয় অনুভূতি। এটুকুর জন্য ইনশাআল্লাহ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ