Inqilab Logo

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯ আশ্বিন ১৪২৭, ০৬ সফর ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

‘সওজ’র জনবল বৃদ্ধির বিষয়টি এগুচ্ছেনা কেন’

প্রশ্ন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর

মো শামসুল আলম খান, ময়মনসিংহ থেকে : | প্রকাশের সময় : ১১ আগস্ট, ২০২০, ১২:০২ এএম

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মাঠ পর্যায়ে দীর্ঘদিন থেকে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) ও সহকারী প্রকৌশলীর (এই) ঘাটতি রয়েছে। শুনেছি অর্গানোগ্রাম হালনাগাদের কাজ চলছে।
‘সওজ’র জনবল বৃদ্ধির বিষয়টি এগুচ্ছেনা কেন’ প্রশ্ন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর। তিনি বলেন ‘আমি নিজে জনপ্রশাসনের মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীকেও বলেছি। এটিতো সওজের বিষয় নয় এটা মন্ত্রণালয়ের বিষয়। সড়ক বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখা এটি জনপ্রশাসনসহ অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি আদায়ে এ পর্যন্ত কী কাজ করছেন। মাসের পর মাস ঘুরতে হবে কেন।
সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়ন করতে হলে বিআরটিএ এর জনবল বৃদ্ধিও জরুরি। যেখানে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা দরকার। বিআরটিসির সমস্যাও নতুন নয়। উত্তরণে মন্ত্রণালয়ের বিআরটিসি শাখা কি কি পদক্ষেপ নিয়েছে। যেখানে কথা বলা দরকার সেখানে কথা বলার জন্য সচিবকে নির্দেশ দেন মন্ত্রী। এরপর সম্ভব না হলে মন্ত্রী নিজে সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস দেন। মন্ত্রণালয়ের স্বার্থে, উন্নয়নের স্বার্থে যে কারো সঙ্গে কথা বলতে প্রস্তুত বলে জানান মন্ত্রী। কিন্তু জনবল বৃদ্ধির ফাইল ঝুলে থাকবে কেন।
‘দেশের আর্থিক সক্ষমতা বাড়ার ফলে দিন দিন যানবাহনের সংখ্যা বাড়ছে। বাড়ছে সেবার চাপ। ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য মানুষের দীর্ঘ অপেক্ষা আমাকেও পীড়া দেয়’। দ্রæততম সময়ে কাজ সম্পন্ন করে লাইসেন্স প্রদানের কাজ শুরু করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেন মন্ত্রী। পাশাপাশি বিষয়টি তদারকির অনুরোধ করেন মন্ত্রী। মন্ত্রণালয়ে যিনি তদারক করেন তাকেও এই নির্দেশ দেন। গতকাল ময়মনসিংহ সড়ক জোন, বিআরটিএ ও বিআরটিসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সংসদ ভবনের সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মতবিনিময় সভায় যুক্ত হন তিনি।
এসময় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী কাজী শাহরিয়ার হোসেন, সড়ক পরিবহন মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব চন্দন কুমার দে, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মনির হোসেন পাঠান, ময়মনসিংহ সড়ক জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মঈনুল হাসান, ময়মনসিংহ সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ.কে এম আজাদ রহমান, জামালপুর সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সমীরণ রায়, ময়মনসিংহ ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: ওয়াহিদুজ্জামান, জামালপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান, টাঙ্গাইলের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান, শেরপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার শরীফুল ইসলাম, নেত্রকোণার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হামিদুল ইসলাম ও কিশোগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদুল আলম, বিআরটিএ সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল খালেক, সওজ ময়মনসিংহ সদরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আজহারুল ইসলাম, বিআরটিসি ময়মনসিংহ ডিপো ম্যানেজার (অপারেশন) মো. কামরুজ্জামান, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী কারখানা বিভাগ মো. আশরাফুল আলমসহ প্রকৌশলী, প্রেসক্লাব ময়মনসিংহের সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম খান, ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো: নজরুল ইসলাম ও সিটি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মতিউল আলম, ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এএইচ এম মোতালেবসহ বিআরটিসি ও বিআরটিএ’র কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ওবায়দুল কাদের

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ