Inqilab Logo

ঢাকা বুধবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২১, ১৩ মাঘ ১৪২৭, ১৩ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী

কাজী ফিরোজ রশিদের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ মামলা

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১১ আগস্ট, ২০২০, ১২:০২ এএম

সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ মামলায় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ এমপি’র বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল সংস্থাটির উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটে কাজী ফিরোজ রশিদের বিরুদ্ধে রাজধানীর ৯/এ ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ২ নম্বর রোডে এক বিঘা সরকারি জমিসহ একটি বাড়ি প্লট নম্বর ১০, বাড়ি নম্বর-৬৫ ভুয়া দাতা সাজিয়ে জাল দলিলের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়।

২০১৬ সালের ৬ এপ্রিল রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় দুদকের তৎকালীন উপ-পরিচালক জুলফিকার আলী বাদী হয়ে এ মামলা করেন। চার বছর ধরে মামলাটির তদন্ত চলে। তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ১৯৫১ সালের ৩ নভেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ২ নম্বর রোডে অবস্থিত এক বিঘা আয়তনের সরকারি জমিসহ বাড়ি যা তৎকালীন কানাডার হাইকমিশনার মোহাম্মদ আলীর অনুক‚লে বরাদ্দ দেয়া হয়। পরে মরহুম মোহাম্মদ আলীর দ্বিতীয় স্ত্রী বেগম আলিয়া মোহাম্মদ আলী, ছেলে সৈয়দ মাহমুদ আলী ও মেয়ে সৈয়দা মাহমুদা আলীর নামে হস্তান্তরের অনুমতিসহ ১৯৭০ সালের ৩০ মে মাসে নামজারি করা হয়।
এ পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭০ সালের ২২ মে মন্ত্রণালয় থেকে তাদেরকে হস্তান্তরের অনুমতি দেয়া হয়। কিন্তু ১৯৭৯ সালের ১৬ আগস্টে সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ রেজিস্ট্রিকৃত ডিড অব অ্যাগ্রিমেন্ট ফর সেল নম্বর- ৩১১৫৪ দলিলে ভুয়া দাতা বেগম আলীয়া মোহাম্মদ আলী ও সাক্ষী কাজী আরিফুর রহমান সাজিয়ে ও কাগজপত্রে দেখিয়ে ওই সময়ের তৎকালীন জেলা রেজিস্ট্রার এম আহমেদের সহযোগিতায় ওই সম্পত্তি হাতিয়ে নেন।
বিষয়টি দুদকে অভিযোগ আকারে এলে অনুসন্ধান হয়। অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা মেলে। তবে তৎকালীন জেলা রেজিস্ট্রার এম আহমেদের বিষয়ে কোনও তথ্য না পাওয়ায় তাকে এজাহারভুক্ত করা হয়নি। মামলার এজাহারে ঘটনার সময়কাল ধরা হয়েছে ১৯৭৯ সালের ৯ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত।
অভিযোগ অনুসন্ধানে ২০১৫ সালের ১৩ আগস্ট সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি আনীত অভিযোগটি অস্বীকার করেন। পরে সাবেক মন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের এই এমপি’র বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি দখলের অভিযোগ ২০১৬ সালের ৮ মার্চ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। চার বছর আগে কমিশনের নেয়া এ সিদ্ধান্ত দীর্ঘ দিন ঝুলে ছিলো।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ