Inqilab Logo

ঢাকা শনিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২১, ০২ মাঘ ১৪২৭, ০২ জামাদিউল সানী ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

দর্শনার্থীতে মুখরিত হালতি বিল

নাটোর জেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ১৪ আগস্ট, ২০২০, ১২:০২ এএম

মানুষ ভ্রমণ পিপাসু। একঘেঁয়েমি জীবন থেকে মুক্তি পেতে মানুষ সবসময়ই ভ্রমণ করে থাকে। আর এই ভ্রমণ আনন্দময় হয় প্রকৃতির সান্নিধ্যে। এমনই এক মনমুগ্ধকর স্থান নাটোরের ’হালতি বিল’। যা এখন মিনি কক্সবাজার হিসেবে দেশে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। হালতি বিলের মধ্য দিয়ে নির্মিত রাস্তার কারণেই এই নৈসগিক সৌন্দর্য মানুষ উপভোগ করতে পারছে। যখন পানি একটু কম থাকে তখন ওই রাস্তায় হাঁটলে সমুদ্র সৈকতের আমেজ পাওয়া যায়। 

দুই পাশে পানি আর পানি। মাঝে কংক্রিটের ঢালাই করা রাস্তায় ছোট-বড় ঢেউ আছড়ে পড়ে। পা ভিজে যায়। বর্ষাকালের হালতি বিল অথৈ সমুদ্রের মতো। রেল লাইনের ধারে ছোট ছোট গ্রামগুলো ডুবুডুবু প্রায়। বড় বড় ঢেউ আছড়ে পড়ে রাস্তার ধারে। আগে ঝড়ের সময় এখানে অনেক নৌকাডুবি হতো। এই রাস্তা নিমার্ণের ফলে এখন পুরোপুরি বদলে গেছে দৃশ্যপট। গ্রীষ্মকালেও এখানকার দৃশ্য খুবই মনোমুগ্ধকর হয়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালে বিএনপি সরকারের স্থানীয় সরকার উপমন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর প্রচেষ্টায় খুব অল্প সময়ের মধ্যে পাটুলহাট থেকে খাজুরাহাট পর্যন্ত সাত কিলোমিটার দীর্ঘ এই রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়। এর আগে খাজুরা এলাকায় যাওয়ার কোন রাস্তা ছিল না।
প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আসছে এই বিলে নৌকা ভ্রমণ করতে। কেউ কেউ দল বেঁধে বা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নৌকায় চেপে ঘুরে বেড়াচ্ছে বিলের মধ্যে। আনন্দ ভ্রমণের এমন সুযোগ এর আগে আর মেলেনি এ অঞ্চলের মানুষের। মানুষ আসে দূর-দূরান্ত থেকেও। রাজশাহীর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আজাদুল বারী ও পাবনার আবু হুরায়রা স্বপরিবারে এসেছেন হালতিবিল দেখতে। তারা বলেন, হালতিবিলের পরিবেশ যে এত নির্মল সুন্দর হবে ভাবিনি। পরিবারের সবাই খুব খুশি এখানে বেড়াতে আসতে পেরে।
এ ব্যাপারে সাবেক উপমন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, অবহেলিত নলডাঙ্গা উপজেলার উন্নয়নের জন্যই সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ ইয়াকুব আলীসহ নেতাকর্মীদের দাবী পূরণে আমি এই রাস্তা নির্মাণ করেছি। সামনে আবার সুযোগ পেলে নাটোর-নলডাঙ্গার মানুষের উন্নয়ন ও বিনোদনের জন্য আমার আরো অনেক কিছু করার পরিকল্পনা রয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: হালতি-বিল
আরও পড়ুন