Inqilab Logo

ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮ আশ্বিন ১৪২৭, ০৫ সফর ১৪৪২ হিজরী

জিয়া পাকিস্তানি এজেন্ট, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ছিলেন না

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৫ আগস্ট, ২০২০, ১২:০১ এএম

পাকিস্তানি এজেন্ট জিয়াউর রহমান কখনই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ছিলেন না। বরং স্বাধীন বাংলাদেশে পাকিস্তানি ভাবধারার রাষ্ট্রে ফিরিয়ে নিতে নেপথ্যে থেকে যেমন ষড়যন্ত্র করেছে, ঠিক তেমনই সরাসরি নিজেও ষড়যন্ত্র করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ উপ-কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভার আলোচকরা। তার বলেছেন, জিয়াউর রহমান নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দাবি করেন কিন্তু রণাঙ্গনে কোথাও তার সাহসীকতার বর্ণনা ইতিহাসে নেই।
গতকাল ১৫ আগস্টকে সামনে রেখে ‘১৫ই আগষ্টের নির্মম হত্যাকান্ড: নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। আলোচনা সভায উপস্থাপনা করেন আওয়ামী লীগের টানা দ্বিতীয় মেয়াদে বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব থাকা দেলোয়ার হোসেন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড এবং বঙ্গবন্ধুর সরকারকে উৎখাতের জন্য যারা ষড়যন্ত্র করেছে তাদেরকে জিয়াউর রহমান সব সময় উৎসাহ দিয়েছে, মদদ দিয়েছে। পঁচাত্তরের আত্মস্বীকৃত খুনিরা পরবর্তীতে নানা সময়ে সাক্ষাৎকারে বলেছেন, জিয়াউর রহমান তাদের সব সময় বলেছেন; তোমরা যদি কিছু করতে পারো করো, আমি আছি- তবে ব্যর্থ হলে আমার নামটা নিও না। তিনি আরও বলেন, এভাবে নেপথ্যে থেকে ষড়যন্ত্রকারীদের উৎসাহ দিয়েছে এবং নিজেও ষড়যন্ত্র করেছেন জিয়াউর রহমান। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ছিলেন না।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে ভারত জুজু ভীতি দেখিয়ে একটি রাজনীতি শুরু হয়। এ সংকটটা ছিল প্রকট এবং বিরাট। এর নেপথ্যের নায়ক হিসেবে জিয়াউর রহমান ষড়যন্ত্রটা পাকাপোক্ত করেন। সেসময় মুক্তিযুদ্ধের শক্তির ভিতরেও ছিল একটি বিভেদ। জাতির পিতাকে হত্যায় সেটা কেউ কাজে লাগানো হয়েছে।১৫ আগস্ট হত্যাকান্ডের পর তাদের মুখোশ উন্মোচিত হয়। এটা পাকিস্তান বানানোর একটি ষড়যন্ত্র। সেই থেকে দীর্ঘ ২১ বছর এ ষড়যন্ত্র চলেছে।
আলোচনা সভায় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হক।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন: সিনিয়র সাংবাদিক পার্থ চট্টোপাধ্যায়, লেখক ও সাংবাদিক আবেদ খান ভাষাতাত্ত্বিক ও শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর নাসরিন আহমেদ বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর হারুন-অর-রশিদ।



 

Show all comments
  • Mohammed Shah Alam Khan ১৪ আগস্ট, ২০২০, ৮:২৯ এএম says : 0
    জিয়া মিয়া প্রথম থেকেই পাকিস্তানিদের দালাল ছিল এটা বহুবার আমি এই ইনকিলাব পত্রিকায় মন্তব্যের বলেছি বহুবছর ধরে। আজ এই সত্যটা পরিষ্কার ভাবে অনেক বড় বড় রাজনীতিবিদেরা বলে আসছেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বহু বছর ধরে সহনশীল ভাবে জিয়া মিয়াকে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি হিসাবে চিহ্নিত করে আসছেন। সংসদ ভবনের উদ্যানে জিয়া মিয়ার পরিচয় দিয়ে যে লাশ দাফন করা হয়েছে সেটাও জিয়া মিয়ার নয়। একথাও আমি বলে আসছি এমনকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বলেছেন। তারপরও এখনও এটা প্রমাণ করার জন্যে লাশের ডিএনএ টেস্ট করা হচ্ছে না। আমি বুঝতে পারি এখানে বিদেশী শক্তির হাত রয়েছে যেজন্যে জিয়ার কবরের লাশের ডিএনএ টেস্ট হচ্ছে না। আমরা দেখতে পাই এই জিয়া মিয়ার কবরের কারনে বিএনপি দলের অনেক কর্মকাণ্ড এগিয়ে যাচ্ছে নয়ত বিএনপি দলের অবস্থা আরো খারাপ হয়ে যেত। আল্লাহ্‌ এখন অবশ্যই সত্যকে সত্য হিসাবে সুপ্রতিষ্ঠিত করবেন ইনশ’আল্লাহ।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: জিয়া


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ