Inqilab Logo

ঢাকা শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৪ আশ্বিন ১৪২৭, ০১ সফর ১৪৪২ হিজরী

অশ্রুঝরা বেদনাবিধুর দিন

জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৫ আগস্ট, ২০২০, ১২:০০ এএম

রক্ত ও অশ্রুঝরা শোকাবহ ১৫ আগস্ট। আজ জাতীয় শোক দিবস। বাঙালি জাতির শোকের দিন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের এই দিন সঙ্ঘটিত হয় ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায়। দেশি-বিদেশী চক্রান্তে কুচক্রী মহল স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে।

জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি জাতি যথাযথ মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্যে শ্রদ্ধার সাথে দিবসটি পালন করবে। তবে এবার বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করেই স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালন করা হবে। বঙ্গবন্ধুর ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী পালনের জন্য সরকারি ও বেসরকারিভাবে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। দিবসটি উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ বেতার এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ দেশের প্রতিটি বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে। সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে। পোস্টার মুদ্রণ, বিতরণ এবং বঙ্গবন্ধুর ওপর প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান/ গ্রোথ সেন্টারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জাতীয় শোক দিবসের পোস্টার স্থাপন ও এলইডি বোর্ডের মাধ্যমে প্রচারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতপূর্বক স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে সারা দেশের মসজিদে বাদ যোহর বিশেষে মোনাজাত এবং মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সুবিধাজনক সময়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। বিদেশী মিশন ও দূতাবাসগুলোতে দিবসটি পালিত হবে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপদগামী সদস্য ধানমন্ডির বাসভবনে শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি; তারা হত্যা করে বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবকে। এছাড়াও ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশুপুত্র শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল, বঙ্গবন্ধুর ভাই শেখ আবু নাসেরকে হত্যা করে ঘাতকরা। বঙ্গবন্ধুর ফোন পেয়ে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ছুটে আসা নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিল, এসবির কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান ও সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হককেও হত্যা করে বিপদগামী সেনাসদস্যরা।

বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যুবলীগ নেতা শেখ ফজলুল হক মনির ধানমন্ডির বাসায় হামলা চালিয়ে তাকে, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি, বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায় হামলা করে তাকে ও তার কন্যা বেবী, পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, সেরনিয়াবাতের বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং এক আত্মীয় রেন্টু খানকে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার এবং নিকটাত্মীয়সহ ২৬ জনকে ওই রাতে নৃশংসভাবে হত্যা করে ঘাতকরা। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করায় তারা প্রাণে বেঁচে যান।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছাত্রাবস্থায় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে তিনি ছিলেন সংগ্রামী নেতা। তিনি ষাটের দশকে বাঙালি জাতির মুক্তি সনদ ৬ দফা প্রণয়ণ করেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অংশ নিয়ে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগকে এ দেশের গণমানুষের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতীকে পরিণত করেন। পাকিস্তানের সামরিক শাসকের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তুলে ষাটের দশক থেকেই তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদের অগ্রনায়কে পরিণত হন। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) লাখো জনতার উত্তাল সমুদ্রে বঙ্গবন্ধু বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। রক্ত যখন দিয়েছি আরো দেব, এ দেশকে মুক্ত করেই ছাড়বো ইনশাআল্লাহ’। অতপর বঙ্গবন্ধুর নামেই ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধি; তারপর স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ পুরুষ বঙ্গবন্ধুর অমর কীর্তি এই স্বাধীন বাংলাদেশে বিপদগামী রশিদ-ফারুক গং ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধু নিহতের খবর মুহুর্তেই সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছিল। ফলে গোটা বিশ্বে নেমে এসেছিল শোকের ছায়া। হত্যাকারীদের প্রতি ছড়িয়ে পড়েছিল ঘৃণার বিষবাষ্প।

বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করার পর খুনি-ঘাতকরা এ দেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় পুনর্বাসিত হয়। তারা এ দেশের ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলতে নানা উদ্যোগ নেয়। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার ঠেকাতে কুখ্যাত ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ জারি করে খন্দকার মোশতাক। দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ বাতিল করে। বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার শুরু হয় ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর। ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি সেই কলঙ্ক থেকে জাতির মুক্তি ঘটে। বঙ্গবন্ধু হত্যার চূড়ান্ত বিচারের রায় অনুযায়ী ওই দিন মধ্যরাতের পর পাঁচ খুনির ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তবে কয়েকজন খুনি এখনো বিভিন্ন দেশে পলাতক রয়েছে।

মূলত ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধুকে যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শনের পথও সুগম হয়। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা হতে থাকে। তবে ২০০১ সালে এই ধারাবাহিকতায় ছেদ ঘটলেও ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আবার রাষ্ট্রীয়ভাবে বঙ্গবন্ধুর শাহাদতবার্ষিকী পালন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ২০০৯ সালে আবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে জাতীয় শোক দিবস পালনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। এবারও যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালন করতে রাষ্ট্রীয়ভাবে নানা কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। আজ সরকারি ছুটি। সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবনগুলোয় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোয়ও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।

জাতীয় শোক দিবসে করোনা সামনে রেখে এ মাসের প্রথম দিন থেকেই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করছে। সকাল সাড়ে ৬টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকার বনানীস্থ কবরস্থানে ১৫ আগস্ট শাহাদতবরণকারী জাতির পিতার পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও অন্যান্য শহীদদের কবরে পুষ্পস্তবক ও ফুলের পাপড়ি অর্পণ এবং ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করা হবে। একই দিন সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে ফাতেহা পাঠ, পুষ্পস্তবকক অর্পণ এবং মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিস্থলে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতপূর্বক স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে বিশেষ দোয়া মাহফিলেরও আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়াও জাতীয় শোক দিবসের তাৎপর্য উল্লেখ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের মাধ্যমে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ সকল মোবাইল গ্রাহককে ক্ষুদে বার্তা প্রেরণ করবে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদফতর ও সংস্থা জাতীয় শোক দিবসের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্ব স্ব কর্মসূচি প্রণয়ন করেছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে জাতীয় শোক দিবস পালনের জন্য সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে।

জাতীয় শোক দিবসে আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সূর্য উদয়ের সাথে সাথে বঙ্গবন্ধু ভবন এবং কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশে সংগঠনের সকল স্তরের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন। সকাল ৯টায় ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। সকাল ১০টায় বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, মাজার জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিল। একই সময় টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও বাদ যোহর দেশের সকল মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল ও সুবিধা মতো সময়ে মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা, উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। দুপুরে অস্বচ্ছল, এতিম ও দুঃস্থ মানুষদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে জাতীয় শোক দিবস যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।



 

Show all comments
  • ফজলুল হক ১৫ আগস্ট, ২০২০, ৭:০৭ এএম says : 0
    আজকের এই দিনে নিহত সকলের রুহের মাগফেরাত কামনা করছি
    Total Reply(0) Reply
  • ম নাছিরউদ্দীন শাহ ১৫ আগস্ট, ২০২০, ১:৩৭ এএম says : 1
    পয়তাল্লিশ তম শাহাদাত বার্ষিকী বিশ্বের শোষিত বঞ্চিত অদিকার হারা মানুষের মহান নেতা মানবতার দিশারী বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজ বাংলার ইতিহাসের ভয়ংকর নির্মম নির্দয় হত‍্যাকান্ডের রাত বঙ্গবন্ধুর পরিবার আত্মীয় স্বজনের উপর পরিকল্পিত দেশিয় আন্তর্জাতিক ভয়াবহ হত‍্যাযজ্ঞের রাত বঙ্গবন্ধুর শহীদির কাফেলার সফর সঙ্গী বঙ্কমাতা বঙ্গবন্ধুর সন্তান। বঙ্গবন্ধুর আদরের শেখ রাসেল পরিবারের সকলের রক্তের সাগর বত্রিশ নং বাড়ি। সমগ্র জাতি হতভাগা প্রতিবাদহীন জাতি রক্ত পিপাসুরা ক্ষমতার মসনদে। এই ভয়ংকর বিভীষিকাময় মৃত্যুর পর কিভাবে বঙ্গবন্ধুর কন‍্যারা বেচে ছিলেন । আচার্য। আজ বাংলাদেশে সকলস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা সম্মান দোয়া ও প্রার্থনা মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর শহীদি পরিবারের সবাই কে মহান আল্লাহ্ জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন। আমিন।
    Total Reply(0) Reply
  • Md Noyon ১৫ আগস্ট, ২০২০, ৩:১৫ এএম says : 1
    হারিয়ে খুঁজি তোমাকে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যতদিন রবে পদ্মা, মেঘনা, গৌরী আবহমান, ততদিন রবে কীর্তি তোমার শেখ মজিবুর রহমান। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রইলো বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।
    Total Reply(0) Reply
  • Nurul Alam Mollick ১৫ আগস্ট, ২০২০, ৩:১৬ এএম says : 1
    হে জাতির পিতা, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের স্থপতি, মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক , নিপীড়িত মুক্তি পাগল মানুষের মহান নেতা তুমি আছ, তুমি থাকবে অনন্তকাল অব্দি বাঙালির হৃদয় পটে,চির অক্ষত চির অম্লান হয়ে।
    Total Reply(0) Reply
  • Abdul Halim ১৫ আগস্ট, ২০২০, ৩:১৬ এএম says : 1
    ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ইতিহাসের নৃশংসতম এই হত্যাকান্ডে নিহত সকলের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন। সকলকে বেহেশত নসিব করুন আমিন আমিন ।
    Total Reply(0) Reply
  • Utpal Barua ১৫ আগস্ট, ২০২০, ৩:১৭ এএম says : 1
    মৃত্যু তোমাকে নিঃশেষ করতে পারেনি, চিরঞ্জীব তুমি, তুমি আছো, তুমি রবে, বাঙালির অস্তিত্বে, বাংলার প্রতিটি ধূলি কণায়। "১৫ আগস্ট" বাংলার ইতিহাসের পঁচাত্তরের এই কলঙ্কময় দিনে ঘাতক গোষ্ঠী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নৃশংসভাবে স্বপরিবারে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধুর পবিত্র স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।
    Total Reply(0) Reply
  • Turas Toukir Turas ১৫ আগস্ট, ২০২০, ৩:১৭ এএম says : 1
    হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের মহান স্থপতি, বাঙালি জাতি রাষ্ট্রের জনক,বাঙালি জাতির পিতা ও তাঁর শহিদ পরিবার্গের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। ধিক্কার ঐ সকল নরপিশাচদের যাদের ষড়যন্ত্র ও বুলেটের আঘাতে জাতির ক্ষণজন্মাকে হারিয়েছি।তাঁর এই মহাপ্রয়াণ দিবসে আবারও বিনম্র শ্রদ্ধা।জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
    Total Reply(0) Reply
  • Zillur Rahman ১৫ আগস্ট, ২০২০, ৩:১৭ এএম says : 1
    ১৫ই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবসে ইতিহাসের সবচেয়ে নিঃসংশ হত্যাকান্ডে নিহত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ সকল শহীদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি। নিহত সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
    Total Reply(0) Reply
  • Zillur Rahman ১৫ আগস্ট, ২০২০, ৩:১৭ এএম says : 1
    ১৫ই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবসে ইতিহাসের সবচেয়ে নিঃসংশ হত্যাকান্ডে নিহত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ সকল শহীদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি। নিহত সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
    Total Reply(0) Reply
  • Ebad Mozumdar ১৫ আগস্ট, ২০২০, ৩:১৭ এএম says : 1
    ইচ্ছা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের মতো আঙুল তুলে বলি, এদেশ কোনো পরাজিত শক্তির নয়, এদেশে শকুনদের ঠাঁই নেই। ইচ্ছা হয় জাতির জনক শেখ মুজিবের মতো একজন বিবেকবান নেতা হই, জাতির মুক্তির লড়াইয়ে বলি, এসো কোন্দল ছেড়ে মস্তিষ্ক দিয়ে লড়ি।
    Total Reply(0) Reply
  • Shake Arefen ১৫ আগস্ট, ২০২০, ৩:১৮ এএম says : 1
    সন্মানিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে ও তার পরিবারদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা রইল। দোয়া রইল যেন তারা বেহেশত নছিব হন। আর আঘাতদের জন্য দোয়া রইল তারা যেন হাবিয়া দোজখ বাসি হয়।
    Total Reply(0) Reply
  • Akm Sumon ১৫ আগস্ট, ২০২০, ৩:১৮ এএম says : 1
    বাংলা ও বাঙালির মুক্তির জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করা দীর্ঘদেহী মানুষটি'র অস্তিত্ব সমগ্র ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল ব্যাপী।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: জাতীয়


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ