Inqilab Logo

ঢাকা রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫ আশ্বিন ১৪২৭, ০২ সফর ১৪৪২ হিজরী

স্বাস্থ্য বিভাগের সফলতার কারণে করোনায় মৃত্যুর হার কম : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৫ আগস্ট, ২০২০, ৬:৫৬ পিএম

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, স্বাস্থ্য বিভাগের সাফল্যের ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর আশা পূরণ হয়েছে। মন্ত্রীর দাবি করে বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষের দৌড়গোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে গেছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য বিভাগের সফলতার কারণে জনসংখ্যার তুলনায় করোনায় মৃত্যুর হার কম। সংক্রমণের হারও কমে এসেছে। সুস্থতা বেড়েছে। এটি বড় অর্জন।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালীতে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস এন্ড সার্জনস এ জাতীয় শোক দিবসের আলোচনায় এ কথা বলেন তিনি।

অল্প কিছু দিনের মধ্যেই করোনার বাংলাদেশ থেকে চলে যাবে তাই ভ্যাকসিনের প্রয়োজন বাংলাদেশে নাও হতে পারে। তবে প্রস্তুত রাখা হবে ভ্যাকসিনের বলে উল্লেখ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

এর আগে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়পাড়া শুভ্র সেন্টারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে এ সপ্তাহেই ভ্যাকসিন আনার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন দেশে করোনার ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের বিষয়ে বাংলাদেশ যাতে অগ্রাধিকার পায়, সেই বিষয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। কীভাবে দেশের মানুষ ভ্যাকসিন পাবে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসে পুরো পৃথিবী আক্রান্ত হয়েছিল। ইউরোপের প্রতিটি দেশে জনসংখ্যার হার কম হলেও সেখানে মৃত্যুর হার বেশি। বাংলাদেশে মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩২ শতাংশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা কাজ করেছি। এ পর্যন্ত সাড়ে তিন হাজার মানুষ করোনায় মৃত্যুবরণ করেছে। সুচিকিৎসা ও যথাযথ স্বাস্থ্যসেবার মাধ্যমে মৃত্যুর হার কমিয়ে রাখতে পেরেছি। দেশ থেকে ধীরে ধীরে করোনার প্রকোপ কমে যাচ্ছে, মৃত্যুর হারও কমে যাচ্ছে। জাহিদ মালেক বলেন, আমরা সাহস পাচ্ছি। আজকে জীবন-জীবিকা অনেকটা স্বাভাবিক হচ্ছে। কারণ, করোনায় মৃত্যুর হার অনেক কমে গেছে। চিকিৎসাব্যবস্থা উন্নত হয়েছে। সংক্রমণের হারও কমে যাচ্ছে। সুস্থতার হার বেড়ে যাওয়ায় অর্থনৈতিক চাকা সচল হয়েছে। এটি স্বাস্থ্যসেবার অবদান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। স্বাধীনতার আগে বাঙালিদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিকসহ সবক্ষেত্রেই অধিকার ছিল না। পাকিস্তানিরা পূর্ব পাকিস্তানকে একটি দরিদ্র কলোনি হিসেবে ব্যবহার করেছে। পূর্ব পাকিস্তানে শতকরা ৮০ ভাগ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করত। নানা বৈষম্যের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু আওয়াজ তুলেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে মাত্র তিন বছরে বঙ্গবন্ধু একটি পর্যায়ে নিয়ে এসেছিলেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী


আরও
আরও পড়ুন