Inqilab Logo

ঢাকা রোববার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, ০৩ মাঘ ১৪২৭, ০২ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

আমরা সবসময় শুনে এসেছি যে, স্বামীর নাম মুখে আনলে গোনাহ হয়। কিন্তু ইদানীং অনেককেই স্বামীকে নাম ধরে ডাকতে দেখা যায়। বিষয়টি আসলে কী, জানতে চাই।

আয়শা আক্তার
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ১৫ আগস্ট, ২০২০, ৭:২০ পিএম

উত্তর : স্বামীর নাম মুখে আনলে বা প্রয়োজনে কখনো তাকে নাম ধরে ডাকলে গোনাহ হয় না। কিন্তু স্বামী যেহেতু নারীর প্রধান এবং পরম অভিবাবক-মুরব্বি অতএব নিজ পিতা-মাতা, চাচা, মামা ও শিক্ষকের ন্যায় স্বামীকেও নাম ধরে ডাকা শোভনীয় নয়। আমাদের মুসলিম সমাজে স্বামীর নাম মুখে না আনার বিষয়টি সম্ভবত এ সম্মান ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতেই চালু হয়েছে। স্বামীর নাম মুখে আনায় গোনাহ না হলেও অসমীচীনতাজনিত ত্রু টি অবশ্যই হয়। অবশ্য ক্ষেত্রভেদে এ অশোভনীয়তার বিধি শিথিলযোগ্য।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।
[email protected]

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন

আমি একটা মসজীদে থাকি। সেখানে মক্তবের ছেলেমেয়েদেরকে পড়ানোর জন্য আমি একটা ব্ল্যাকবোর্ড কিনতে চেয়েছিলাম। সেজন্য ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে সামান্য কিছু টাকা চাঁদা তুলি এবং বাকি টাকা আমার থেকে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করি। কিন্তু পরবর্তীতে আমি ওই টাকাটা খরচ করে ফেলি। এবং এখন আর ব্ল্যাকবোর্ড কিনার প্রয়োজনও নাই। এটা আরো ৪-৫ বছর আগের কথা। আমি যাদের কাছ থেকে টাকাগুলো তুলেছিলাম তারা এখন আর মসজীদে পড়ে না। এবং আমার সঠিকভাবে মনেও নাই কার কার কাছ থেকে টাকাগুলো তুলেছিলাম। এখন আমি সেই টাকাটা কী করবো?

উত্তর : আপনার এটি একটি সমস্যা। কারণ যে জন্য টাকা তুলেছিলেন, সেটি না হওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে টাকা ফেরত দেওয়া উচিত ছিল। এখন যদি আপনি

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ