Inqilab Logo

ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ৫ কার্তিক ১৪২৭, ০৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

আড়াইহাজারে গণধর্ষনের ঘটনা নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ

টেটাবিদ্ধসহ আহত ২৫, ব্যাপক ভাংচুর

আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৬ আগস্ট, ২০২০, ৫:৩৩ পিএম

আড়াইহাজারে দফায় দফায় সংঘর্ষে টেটাবিদ্ধসহ অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছে। রোববার সকাল ৯টায় উপজেলার খাগকান্দা ইউনিয়নের কাকাইল মোড়া গ্রামে রক্ষক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ সকাল ৯টা থেকে থেকে শুরু হয়ে থেমে থেমে সংঘর্ষ চলে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত। সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে উভয় পক্ষের অন্তত ২০/২৫টি ঘর ভাংচুর করা হয়। এই ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, গত ৮ আগস্ট উপজেলার কাকাইল মোড়া গ্রামের একটি গনধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় বিভক্ত হয়ে পড়ে কাকাইল মোড়া গ্রাম। ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে কয়েক দিন আগে ওই গ্রামের আগামী নির্বাচনে সদস্য প্রার্থী জুলহাসের লোকজন ফেইসবুকে বিচার চেয়ে স্ট্যাটার্স দেয়। এতে বর্তমান মেম্বার লোকমান ও তার সহযোগি তোফাজ্জলসহ আরো কয়েকজনকে দায়ী করে বিচার চাওয়া হয়। এই নিয়ে লোকমান ও জুলহাসের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এক পর্যায়ে রোববার সকাল ৯টার দিকে উভয় পক্ষ দা. ছুরি, টেটা, বল্লম ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে ঝাঁিপয়ে পড়ে। সংঘর্ষে গোটা এলাকা রণক্ষেত্র পরিণত হয়। সংঘর্ষ থেমে থেমে চলে বিকাল পর্যন্ত। খবর পেয়ে থানা থেকে পুলিশ গেলেও নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যার্থ হন। দুপুর দিকে সংঘর্ষের মাঝখানে পড়ে অসহায় হয়ে যায় পুলিশ। পরে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, সংঘর্ষ থামলেও চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। সংঘর্ষে টেটা বিদ্ধ আবুকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৮ জনকে আড়াইহাজার স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এবং বাকিদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষেই ২০/২৫টি ঘরবাড়ি ব্যাপক ভাংচুর করা হয়। সংঘর্ষে নেতৃত্ব দান কারী লোকমান ও জুলহাস উভয়ই সরকার দলীয় সমর্থক।

আড়াইহাজার থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, বর্তমানে ওসি (তদন্ত) শওকত হোসেন, এস আই গাজী শামীম, এস আই সালেহ আহমেদ এর নেতৃত্বে ২০ জন পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ্এই রিপোট লেখা পর্যন্ত কোন পক্ষই থানায় অভিযোগ দেয়নি।

প্রসঙ্গগত, গত ৮ আগস্ট উপজেলার কাকাইল মোড়া গ্রামে এক যুবতীকে গণধর্ষণ করে দৃবৃর্ত্তরা। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তার রহস্য উৎঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। কোন আসামী গ্রেফতার করতে পারেনি। তারপর ও ঘটনাটি নিয়ে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায় কাকাইল মোড়া গ্রাম। এতে বাধেঁ রক্ষক্ষয়ী সংঘর্ষ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: সংঘর্ষ


আরও
আরও পড়ুন