Inqilab Logo

ঢাকা বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ১২ কার্তিক ১৪২৭, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

লক্ষ্মীপুরে মেঘনা তীরবর্তী ৪০ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে রয়েছে

লক্ষ্মীপুর জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২১ আগস্ট, ২০২০, ৩:১৫ পিএম

লক্ষ্মীপুরের রামগতি, কমলনগর, লক্ষ্মীপুর সদর এবং রায়পুর উপজেলার মেঘনা তীরবর্তী এলাকায় ১৫দিনের ব্যবধানে বন্যা ও অস্বাভাবিক জোয়ারে পানিতে প্লাবিত হয়ে ৪ উপজেলার ৪০ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছে। পানির নিচে নিমজ্জিত হয়ে ক্ষতির শিকার হচ্ছে এসব এলাকার গবাদিপশু, কৃষি ফসলী জমি, মৎস্য ঘের এবং নষ্ট হচ্ছে রাস্তাঘাট।

কমলনগর উপজেলার চরমার্টিনের নাছিরগঞ্জ সড়কের ওপর দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করেছে। অনেকেই আশ্রয় নিয়েছে ঘরের খাট কিংবা চৌকিতে। পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে রান্না ঘরের চুলাও। রামগতি উপজেলার চরগাজী, বড়খেরী, বিবিরহাট, চরগোসাই, চরআলগী, চরমেহার আলেকজান্ডার, বালুরচর, মুন্সিরহাট, চর আবদুল্যাহ ও কমলনগরের লুধুয়া, সাহেবেরহাট, পাটারীরহাট, ফলকন, মতিরহাট। সদরে চররমনী মোহন ও রায়পুরে দক্ষিন চরবংশীর কয়েকটিগ্রাম সহ ৪০টি এলাকার বিভিন্ন এলাকা জোয়ারের পানিতে ভাসছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীরা জানিয়েছে, এবারের অস্বাভাবিক উচ্চতার জোয়ার আমাদের জন্য একটি ভীতিকর ইঙ্গিত (অ্যালার্মিং)। উপকূলে জোয়ারের উচ্চতা অনেক বেড়েছে, এটা এখন নির্দ্বিধায় বলা যায়। এটা জলবায়ু পরিবর্তনেরই প্রভাব।

জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল বলেছেন, বন্যা মোকাবেলায় নগদ ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা,চাল ৩৫০ টন ও শুকনো খাবার ২ হাজার প্যাকেট এবং গোখাদ্য ও শিশু খাদ্য পর্যাপ্ত পরিমান মজুদ রাখা হয়েছে। এছাড়া ও কবলিত এলাকর মানুষের আশ্রয়ের জন্য জেলার মোট ৫ উপজেলায় ১০১টি আশ্রয়ণ কেন্দ্র খোলা রয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: পানিবন্দি

৩১ জুলাই, ২০১৬

আরও
আরও পড়ুন