Inqilab Logo

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ৬ কার্তিক ১৪২৭, ০৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

পকেটে ইয়াবা দিয়ে আটক চেষ্টা : পুলিশ কনস্টেবল ও সোর্সের কারাদন্ড

টাঙ্গাইল জেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১২:০০ এএম

টাঙ্গাইলের সখীপুরে এক যুবকের পকেটে ইয়াবা ঢুকিয়ে আটকের চেষ্টার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় এক পুলিশ কনস্টেবলকে দেড় বছর ও এক সোর্সকে এক বছর কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রুপম কুমার দাস গত মঙ্গলবার এ রায় দেন। রায় ঘোষণার পর আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। দন্ডিত ব্যক্তিরা হলেন- মির্জাপুরের বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক কনস্টেবল রাসেলুজ্জামান রাসেল এবং সোর্স হাসান মিয়া। দন্ডিত রাসেলুজ্জামান ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার মোজাটি চরপাড়া গ্রামের আক্তারুজ্জামানের ছেলে। সোর্স হাসান মিয়া মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল নয়াপাড়া গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে।

অপরদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় একজন এএসআই, তিন কনস্টেবল ও অপর এক সোর্সকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।
খালাস প্রাপ্তরা হলেন- বাঁশতৈল ফাঁড়ির সাবেক এএসআই রিয়াজুল ইসলাম, কনস্টেবল গোপাল চন্দ্র সাহা, তোজাম্মেল হক ও আব্দুল হালিম এবং সোর্স আল আমিন। টাঙ্গাইলের কোর্ট ইন্সপেক্টর তানভীর আহম্মেদ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, দÐিত কনস্টেবল রাসেলুজ্জামান ও সোর্স হাসান মিয়াসহ মির্জাপুর থানার বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির আরও চার পুলিশ সদস্য এবং আরও এক সোর্স ২০১৯ সালের ২৮ নভেম্বর পার্শ¦বর্তী সখীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায় যান। তারা ওই এলাকার বজলুর রহমান নামে এক দিনমজুরের পকেটে ইয়াবা ঢুকিয়ে দিয়ে তাকে জোর করে সিএনজি চালিত অটোরিকশায় তোলেন। বজলুরের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে অটোরিকশাটি আটক করে। বজলুরের কাছ থেকে ঘটনা শুনে উপস্থিত লোকজন পুলিশ ও সোর্সদের তল্লাশি করে কিছু ইয়াবা পান। এতে সাধারণ মানুষ বিক্ষুদ্ধ হয়ে পুলিশ ও সোর্সদের পিটুনি দিয়ে একটি দোকানে আটকে রাখেন। পরে খবর পেয়ে সখীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেন। এর আগেই তিনজন কৌশলে পালিয়ে যায়। পরে চারজনকে সখীপুর থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এরপর সখীপুর থানার এসআই মোহাম্মদ আয়নুল হক বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে সখীপুর থানার এসআই ওমর ফারুক গত ২ জানুয়ারি আদালতে পাঁচ পুলিশ সদস্য ও দুই সোর্সসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালত মামলার আটজন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এই দন্ডাদেশ দেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: পুলিশ কনস্টেবল


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ