Inqilab Logo

ঢাকা বুধবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২১, ১৩ মাঘ ১৪২৭, ১৩ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী

বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছে পরিবার

শিবগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১২:০১ এএম

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে গৃহবধূ ফেরদৌসীর রহস্যজনক মৃত্যুর অভিযোগ ওঠেছে। গৃহবধূ ফেরদৌসী হলেন- শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের পারচৌকা গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী ও একই এলাকার রানীনগর ঘুনটোলা গ্রামের শামসুদ্দিনের মেয়ে। গতকাল দুপুরে বাদী শফিকুল আলম জানান, গত ১০ আগস্ট থানায় অভিযোগ দিতে গিয়ে তা গ্রহণ না করায় গত ১৬ আগস্ট বিজ্ঞআদালতে মামলা করেন তিনি। বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছে তার পরিবার।
জানা যায়, প্রায় ৭ বছর আগে শহিদুল ইসলামের সাথে বিয়ে হয় ফেরদৌসির। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময় যৌতুক নেয়ার ধারাবাহিকতায় গত ৭ আগস্ট শুক্রবার ফেরদৌসী পিতার নিকট হতে ২০ হাজার টাকা যৌতুক এনে না দেয়ায় ওই দিন রাতে স্বামী শহিদুল ও তার আত্মীয়রা ফেরদৌসীর ওপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে শ্বাসরুধ করে হত্যা করে। পরে টানা ২৪ ঘণ্টা লাশ ঘরে লুকিয়ে রাখে।
ফেরদৌসীর পিতা মাতাকে খবর দেয়, তার মেয়ে ঘর থেকে ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা নিয়ে নিখোঁজ হয়েছে। ৯ আগস্ট সকাল ৮টার দিকে শহিদুলের বাড়ির পাশে মনাকষা চকের নদীতে ফেরদৌসীর লাশ ভেসে থাকার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ শনাক্ত করে।
বাদী শফিকুল ইসলামের অভিযোগ, আসামি ও তাদের লোকজন ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। তিনি আরও জানান, লাশ উদ্ধারের দিন আমার পিতা-মাতা যখন অজ্ঞান অবস্থায় ছিল তখন আসামি পক্ষের লোকজনরা নদী থেকে লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তে পাঠানোর কথা বলে সাদা কাগজে স্বাক্ষর টিপসই নেয়। এখন তারা এটিকে আত্মহত্যা বলে প্রচার চালাচ্ছে এবং আমাদেরকে বিপদে ফেলার চেষ্টা করছে।
এ ব্যাপারে ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রিপন বলেন, লাশ ফুলে যাওয়ায় শরীরে কোনো দাগ বুঝা যায়নি। শিবগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) শাহীন রেজা বলেন, ময়নাতদন্ত রির্র্পোটে দেখা গেছে, পানিতে ডুবে ফেরদৌসীর মৃত্যু হয়।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন