Inqilab Logo

ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ১১ কার্তিক ১৪২৭, ০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

আল্লামা শফীর ছেলে আনাস মাদানীকে হাটহাজারী মাদরাসা থেকে বহিষ্কার

চট্টগ্রাম ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১২:১৪ পিএম | আপডেট : ১২:২১ পিএম, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

চট্টগ্রামের হাটহাজারীর দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষাসচিব আনাস মাদানীকে মাদ্রাসা থেকে অব্যাহতির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার তাকে বহিষ্কারের দাবিতে ছাত্র বিক্ষোভের পর রাতে মাদ্রাসা পরিচালনার শূরা কমিটির সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে আনাস মাদানীকে অব্যাহতির ঘোষণা দেওয়া হয়।
রাতেই আন্দোলনকারীরা মাইকে এ ঘোষণা প্রচার করে। শূরা কমিটির সদস্য মাওলানা নোমান ফয়েজী সাংবাদিকদের এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
আনাস মাদানী মাদ্রাসাটির মহাপরিচালক ও হেফাজত ইসলামের আমীর শাহ আহমদ শফীর ছেলে। আনাস হেফাজত ইসলামের প্রচার সম্পাদক।

নোমান ফয়েজী বলেন, শূরা কমিটির সভাপতি (শাহ আহমদ শফী), কয়েকজন সদস্য ও মাদ্রাসার কয়েকজন জ্যেষ্ঠ শিক্ষক সভায় একমত হওয়ার পর আনাস মাদানীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

আনাসকে মাদ্রাসা থেকে অব্যাহতিসহ ছয় দফা দাবিতে গতকাল জোহরের নামাজের পর থেকে বিক্ষোভ শুরু করেন ছাত্ররা।
আন্দোলনকারীরা হেফাজতের মহা সচিব জোনাইদ বাবুনগরির অনুসারী বলে জানা গেছে। ছাত্ররা মাদ্রাসার সব কটি ফটকে তালা লাগিয়ে দেন। আনাসসহ কয়েকজন শিক্ষকের কক্ষে ভাঙচুর করা হয়। এ সময় হেফাজত ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মঈনুদ্দীন রুহীকে মাদ্রাসার ভেতরে পেয়ে মারধর করেন ছাত্ররা। আহত অবস্থায় তিনি এখন নগরীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

তিনি আনাসের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। ছাত্ররা মাদ্রাসার মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দিলে আইনশৃঙ্খলার অবনতির আশঙ্কায় মাদ্রাসার বাইরে গেটের সামনে অবস্থান নেয় র‍্যাব ও পুলিশের সদস্যরা। তবে তার রাত ১২টার দিকে সেখান থেকে সরে যান। বৃহস্পতিবারও মাদ্রাসাটি ছাত্রদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মাদ্রাসার সব কটি ফটকে তালা লাগানো রয়েছে। বন্ধ রয়েছে ক্লাস। মাদ্রাসার ভেতরে মাঠে অবস্থান করছেন ছাত্ররা। সড়কে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বহিষ্কার


আরও
আরও পড়ুন