Inqilab Logo

ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ১০ কার্তিক ১৪২৭, ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

পাকিস্তানকে সুখবর দিল জিম্বাবুয়ে

স্পোর্টস ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১২:০৬ এএম

করোনাভাইরাসের ফলে সৃষ্ট অনাকাক্সিক্ষত বিরতির পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা হয়েছে যে গুটিকয়েক দেশের, তাদের মধ্যে পাকিস্তান অন্যতম। কয়েক দিন আগে ইংল্যান্ডের মাটিতে তিনটি করে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচে অংশ নিয়েছে তারা। ভিনদেশে জৈব-সুরক্ষা বলয়ে দর্শকবিহীন মাঠে খেলার পর খুব শিগগিরই নিজেদের মাটিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে যাচ্ছে দলটি।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সীমিত ওভারের সিরিজ খেলতে আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে পাকিস্তান সফর করবে জিম্বাবুয়ে। গতকাল আফ্রিকার দেশটির ক্রিকেট বোর্ডের (জেডসি) কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে পাকিস্তান ভ্রমণের জন্য জিম্বাবুয়ে সরকারের অনুমতির প্রয়োজন ছিল তাদের। ইতোমধ্যে তা পেয়ে গেছেন তারা। স‚চি অনুসারে, আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বরের মধ্যে তিনটি ওয়ানডে এবং ৭ থেকে ১০ নভেম্বরের মধ্যে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে দল দুটি। ওয়ানডে সিরিজটি আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ সুপার লিগের অভিষেক আসরের অন্তর্ভুক্ত।
শুরুতে দুটি সিরিজই লাহোরে আয়োজন করার পরিকল্পনা করেছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। তবে দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছে, ওয়ানডে ম্যাচগুলো মুলতান আর টি-টোয়েন্টি ম্যাচগুলো রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত হতে পারে। সফরকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে জিম্বাবুয়ে। ২৫ জন ক্রিকেটারকে নিয়ে গতপরশু থেকে হারারেতে আরম্ভ হয়েছে অনুশীলন ক্যাম্প।
রাজত্ব করতে সিংহের কলিজা লাগে : আফ্রিদি
স্পোর্টস ডেস্ক : ক্রিজে এসেই বোলারদের ওপর চড়াও হন তিনি। ‘বুম বুম’ খ্যাত এই অলরাউন্ডার তার বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে অনেক ম্যাচ জিতিয়েছেন পাকিস্তানকে। দীর্ঘদিন পাকিস্তান ক্রিকেটকে প্রতিনিধিত্ব করেন শহীদ আফ্রিদি। এখন সাবেকদের কাতারে। তবে উত্তরস‚রিদের খোঁজ-খবর ঠিকই রাখেন আফ্রিদি। বর্তমান দলের একটি সমস্যা চোখে পড়েছে তার। সাবেক এই অলরাউন্ডার মনে করেন, পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের থেকে আক্রমণাত্মক মেজাজ হারিয়ে যাচ্ছে।
‘ক্রিকেট পাকিস্তান’কে ৪০ বছর বয়সী আফ্রিদি বলেন, ‘এখন আমরা ফিটনেসের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছি। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মুরগির কলিজার নয়, সিংহের কলিজার ক্রিকেটাররাই রাজত্ব করে। ভেতর থেকে সাহসী না হলে আর আক্রমণাত্মক মানসিকতা নিয়ে অ্যাটাকিং ক্রিকেট না খেললে বড় দলের সঙ্গে লড়তে পারবেন না আপনি।’
২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যাটে-বলে আফ্রিদি ছিলেন পাকিস্তানের সেরা পারফর্মার। সেমিফাইনাল ও ফাইনালে হাঁকিয়েছিলেন হাফসেঞ্চুরি। সেবার শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়ন হয় পাকিস্তান। আফ্রিদি মনে করেন, টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের ম‚ল শক্তিই হলো ‘অ্যাটাকিং’ মনোভাব। যেটি দলের বর্তমান ক্রিকেটারদের মধ্যে বাকি দুই ফরম্যাটেও দেখতে চান তিনি। এজন্য কোচিং স্টাফদের এগিয়ে আসা উচিত বলে মনে করেন আফ্রিদি। তিনি বলেন, ‘সাপোর্ট স্টাফদের উচিত খেলোয়াড়দের এটা বলা যে, আক্রমণই সেরা ডিফেন্স। আমরা যদি টি-টোয়েন্টিতে দেখি, যেখানে আমরা খুব ভালো। আমরা কিন্তু আমাদের শক্তি আক্রমণাত্মক ক্রিকেট দিয়েই প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করি।’

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: পাকিস্তান

১৯ অক্টোবর, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন